৪৪তম বিসিএস পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফলের ভিত্তিতে ১,৪৯০ জন প্রার্থীকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চূড়ান্ত সুপারিশের প্রায় সাত মাস পর এই নিয়োগ আদেশ জারি করা হলো। প্রজ্ঞাপনটি বৃহস্পতিবার জারি করা হলেও তা শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়।
নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মকর্তা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্যাডারে স্থান পেয়েছেন। এর মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ২৪৪ জন, পুলিশ ক্যাডারে ৪৮ জন, পররাষ্ট্র ক্যাডারে ৯ জন এবং নিরীক্ষা ও হিসাব ক্যাডারে ২৯ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সাধারণ ও কারিগরি ক্যাডারের অন্যান্য পদেও নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে। উল্লেখ্য যে, পিএসসি ১,৭১০টি শূন্য পদের বিপরীতে ১,৬৯০ জনকে সুপারিশ করেছিল, যার মধ্য থেকে আপাতত ১,৪৯০ জনের নিয়োগ চূড়ান্ত হলো।
নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের মধ্যে তাদের সংশ্লিষ্ট ক্যাডার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়ের পদায়ন করা কার্যালয়ে যোগদান করতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কেউ যোগদান না করলে তাঁর নিয়োগ বাতিল বলে গণ্য হবে। এছাড়া নিয়োগের পর কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তথ্য গোপন বা অন্য কোনো বিরূপ তথ্য পাওয়া গেলে কর্তৃপক্ষ তাঁর নিয়োগ বাতিলের অধিকার সংরক্ষণ করে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
৪৪তম বিসিএস পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফলের ভিত্তিতে ১,৪৯০ জন প্রার্থীকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চূড়ান্ত সুপারিশের প্রায় সাত মাস পর এই নিয়োগ আদেশ জারি করা হলো। প্রজ্ঞাপনটি বৃহস্পতিবার জারি করা হলেও তা শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়।
নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মকর্তা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্যাডারে স্থান পেয়েছেন। এর মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ২৪৪ জন, পুলিশ ক্যাডারে ৪৮ জন, পররাষ্ট্র ক্যাডারে ৯ জন এবং নিরীক্ষা ও হিসাব ক্যাডারে ২৯ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সাধারণ ও কারিগরি ক্যাডারের অন্যান্য পদেও নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে। উল্লেখ্য যে, পিএসসি ১,৭১০টি শূন্য পদের বিপরীতে ১,৬৯০ জনকে সুপারিশ করেছিল, যার মধ্য থেকে আপাতত ১,৪৯০ জনের নিয়োগ চূড়ান্ত হলো।
নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের মধ্যে তাদের সংশ্লিষ্ট ক্যাডার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়ের পদায়ন করা কার্যালয়ে যোগদান করতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কেউ যোগদান না করলে তাঁর নিয়োগ বাতিল বলে গণ্য হবে। এছাড়া নিয়োগের পর কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তথ্য গোপন বা অন্য কোনো বিরূপ তথ্য পাওয়া গেলে কর্তৃপক্ষ তাঁর নিয়োগ বাতিলের অধিকার সংরক্ষণ করে।

আপনার মতামত লিখুন