আফগানিস্তান শান্তির বিশ্বাসযোগ্য নিশ্চয়তা দিতে ব্যর্থ হলে নতুন করে সামরিক অভিযান চালাতে পাকিস্তান প্রস্তুত বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ফ্রান্স-২৪ টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই হুমকি দেন। খাজা আসিফ বলেন, কাবুল শান্তি প্রতিষ্ঠায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে না পারলে ইসলামাবাদ আফগানিস্তানে হামলা চালাতে মোটেও দ্বিধা করবে না।
পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমনে কয়েকটি মিত্র দেশ মধ্যস্থতার চেষ্টা করলেও তা কোনো কাজে আসেনি বলে জানান তিনি।
ভারতের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ তুলে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, নয়াদিল্লি জঙ্গি হামলার মাধ্যমে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে 'প্রক্সি যুদ্ধ' পরিচালনা করছে এবং এ ক্ষেত্রে ভারত, কাবুল ও জঙ্গি সংগঠনগুলো একই অবস্থানে রয়েছে। তিনি আরও জানান, ২০২৫ সালের মে মাসে ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষের পর থেকে দুই দেশের মধ্যে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কোনো যোগাযোগ নেই।
ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের সম্ভাবনা সম্পূর্ণ নাকচ করে দিয়ে খাজা আসিফ বলেন, ভবিষ্যতে ফিলিস্তিনিদের জন্য স্বাধীন আবাসভূমি নিশ্চিত হলে কেবল তখনই এ ধরনের কোনো পদক্ষেপ বিবেচনায় আসতে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আফগানিস্তান শান্তির বিশ্বাসযোগ্য নিশ্চয়তা দিতে ব্যর্থ হলে নতুন করে সামরিক অভিযান চালাতে পাকিস্তান প্রস্তুত বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ফ্রান্স-২৪ টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই হুমকি দেন। খাজা আসিফ বলেন, কাবুল শান্তি প্রতিষ্ঠায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে না পারলে ইসলামাবাদ আফগানিস্তানে হামলা চালাতে মোটেও দ্বিধা করবে না।
পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমনে কয়েকটি মিত্র দেশ মধ্যস্থতার চেষ্টা করলেও তা কোনো কাজে আসেনি বলে জানান তিনি।
ভারতের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ তুলে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, নয়াদিল্লি জঙ্গি হামলার মাধ্যমে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে 'প্রক্সি যুদ্ধ' পরিচালনা করছে এবং এ ক্ষেত্রে ভারত, কাবুল ও জঙ্গি সংগঠনগুলো একই অবস্থানে রয়েছে। তিনি আরও জানান, ২০২৫ সালের মে মাসে ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষের পর থেকে দুই দেশের মধ্যে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কোনো যোগাযোগ নেই।
ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের সম্ভাবনা সম্পূর্ণ নাকচ করে দিয়ে খাজা আসিফ বলেন, ভবিষ্যতে ফিলিস্তিনিদের জন্য স্বাধীন আবাসভূমি নিশ্চিত হলে কেবল তখনই এ ধরনের কোনো পদক্ষেপ বিবেচনায় আসতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন