দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম এক দফায় ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। বুধবার সকালে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নতুন দর নির্ধারণের কথা জানানো হয় এবং আজ শুক্রবারও সারা দেশে একই দামে স্বর্ণ কেনাবেচা হচ্ছে। মূলত স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম কমে যাওয়ার প্রেক্ষিতেই এই সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের বর্তমান বাজারমূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৮ টাকা।
অন্যান্য মানের স্বর্ণের মধ্যে ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৩ হাজার ৯৫৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ৯ হাজার ৭৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ১ লাখ ৭১ হাজার ১১১ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে ক্রেতাদের মনে রাখতে হবে যে, এই নির্ধারিত মূল্যের সঙ্গে সরকার কর্তৃক ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং জুয়েলার্স নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করে চূড়ান্ত দাম পরিশোধ করতে হবে। গয়নার নকশা ও জটিলতা ভেদে মজুরির পরিমাণ কিছুটা কম-বেশি হতে পারে।
স্বর্ণের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমলেও রুপার বাজারে কোনো পরিবর্তন আসেনি। বর্তমানে ২২ ক্যারেট রুপার ভরি ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা, ২১ ক্যারেট ৬ হাজার ৬৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট ৫ হাজার ১৯০ টাকায় স্থির রয়েছে। এছাড়াও সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ৯০৭ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে মিল রেখে স্বর্ণের এই মূল্য হ্রাসের ফলে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম এক দফায় ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। বুধবার সকালে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নতুন দর নির্ধারণের কথা জানানো হয় এবং আজ শুক্রবারও সারা দেশে একই দামে স্বর্ণ কেনাবেচা হচ্ছে। মূলত স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম কমে যাওয়ার প্রেক্ষিতেই এই সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের বর্তমান বাজারমূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৮ টাকা।
অন্যান্য মানের স্বর্ণের মধ্যে ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৩ হাজার ৯৫৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ৯ হাজার ৭৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ১ লাখ ৭১ হাজার ১১১ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে ক্রেতাদের মনে রাখতে হবে যে, এই নির্ধারিত মূল্যের সঙ্গে সরকার কর্তৃক ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং জুয়েলার্স নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করে চূড়ান্ত দাম পরিশোধ করতে হবে। গয়নার নকশা ও জটিলতা ভেদে মজুরির পরিমাণ কিছুটা কম-বেশি হতে পারে।
স্বর্ণের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমলেও রুপার বাজারে কোনো পরিবর্তন আসেনি। বর্তমানে ২২ ক্যারেট রুপার ভরি ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা, ২১ ক্যারেট ৬ হাজার ৬৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট ৫ হাজার ১৯০ টাকায় স্থির রয়েছে। এছাড়াও সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ৯০৭ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে মিল রেখে স্বর্ণের এই মূল্য হ্রাসের ফলে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন