প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের কোটি কোটি শিক্ষার্থী ও তরুণ যুবশক্তিকে মেধা, জ্ঞান ও বিজ্ঞানে দক্ষ করে গড়ে তোলার জন্য বর্তমান সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের প্রস্তুত। কর্মসংস্থান এবং কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার স্পষ্ট অঙ্গীকার নিয়েই সরকার যাত্রা শুরু করেছে।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে দশটায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এ কথা জানান। এটি তার দায়িত্বভার গ্রহণের পর প্রথমবারের জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ।
তিনি বলেন, “যদি আমরা বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত করতে পারি, তবে এই জনসংখ্যাই হবে আমাদের ‘জনসম্পদ’। নিজেদের দক্ষ করে গড়ে তুললে শুধু বাংলাদেশই নয়, বিশ্ব বাজারও আমাদের জন্য উন্মুক্ত হবে। তথ্য প্রযুক্তির সিঁড়ি বেয়ে বিশ্ব এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে প্রবেশ করেছে। প্রযুক্তির এই প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে সম্মান এবং স্বচ্ছলতার সঙ্গে টিকে থাকতে আমাদেরকে কোনো একটি বিষয়ে পারদর্শী হতে হবে।”
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, স্বাধীনতাপ্রিয় ও গণতন্ত্রকামী জনগণের কারণে দেশে মানুষের অধিকার, সম্মান ও মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বার্তা দেন, মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান—ধর্ম, দল বা অঞ্চল নির্বিশেষে এই দেশ সবার। প্রতিটি নাগরিকের জন্য দেশকে একটি নিরাপদ ভূমিতে পরিণত করতে সরকার কাজ করছে। একটি স্বনির্ভর, নিরাপদ, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়াই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য।
এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, “আমরা কথা দিয়েছিলাম, রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে বিএনপি সরকার মহানবী (সা.) এর ‘ন্যায়পরায়নতার’ আদর্শ অনুসরণ করবে। আমি মনে করি, বিএনপির সংসদীয় দলের কিছু সিদ্ধান্তও এই ‘ন্যায়পরায়নতার’ আদর্শের প্রতিফলন।”

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের কোটি কোটি শিক্ষার্থী ও তরুণ যুবশক্তিকে মেধা, জ্ঞান ও বিজ্ঞানে দক্ষ করে গড়ে তোলার জন্য বর্তমান সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের প্রস্তুত। কর্মসংস্থান এবং কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার স্পষ্ট অঙ্গীকার নিয়েই সরকার যাত্রা শুরু করেছে।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে দশটায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এ কথা জানান। এটি তার দায়িত্বভার গ্রহণের পর প্রথমবারের জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ।
তিনি বলেন, “যদি আমরা বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত করতে পারি, তবে এই জনসংখ্যাই হবে আমাদের ‘জনসম্পদ’। নিজেদের দক্ষ করে গড়ে তুললে শুধু বাংলাদেশই নয়, বিশ্ব বাজারও আমাদের জন্য উন্মুক্ত হবে। তথ্য প্রযুক্তির সিঁড়ি বেয়ে বিশ্ব এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে প্রবেশ করেছে। প্রযুক্তির এই প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে সম্মান এবং স্বচ্ছলতার সঙ্গে টিকে থাকতে আমাদেরকে কোনো একটি বিষয়ে পারদর্শী হতে হবে।”
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, স্বাধীনতাপ্রিয় ও গণতন্ত্রকামী জনগণের কারণে দেশে মানুষের অধিকার, সম্মান ও মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বার্তা দেন, মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান—ধর্ম, দল বা অঞ্চল নির্বিশেষে এই দেশ সবার। প্রতিটি নাগরিকের জন্য দেশকে একটি নিরাপদ ভূমিতে পরিণত করতে সরকার কাজ করছে। একটি স্বনির্ভর, নিরাপদ, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়াই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য।
এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, “আমরা কথা দিয়েছিলাম, রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে বিএনপি সরকার মহানবী (সা.) এর ‘ন্যায়পরায়নতার’ আদর্শ অনুসরণ করবে। আমি মনে করি, বিএনপির সংসদীয় দলের কিছু সিদ্ধান্তও এই ‘ন্যায়পরায়নতার’ আদর্শের প্রতিফলন।”

আপনার মতামত লিখুন