ঢাকার কেরানীগঞ্জে মরমী সাধক মাতাল কবি রাজ্জাক দেওয়ান-এর নিজ বাসভবনে গতকাল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) থেকে দুই দিনব্যাপী স্মরণোৎসব, বাৎসরিক ওরস মোবারক এবং ফাল্গুনী বাউল মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
একই সঙ্গে তার সুযোগ্য সন্তান সুজন দেওয়ানকেও স্মরণ করা হয়। অনুষ্ঠানকে ঘিরে এলাকাজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ, যেখানে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বাউল অনুরাগী, শিল্পী ও ভক্তরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গাজীপুর জেলা সততা বাউল শিল্পী সমিতির সভাপতি শাহীন দেওয়ান এবং সার্বিক পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন দেওয়ান কবির সরকার।
অনুষ্ঠানের সূচনায় মাতাল কবি রাজ্জাক দেওয়ানের নাতনী চৈতী দেওয়ান নেচে-গেয়ে পরিবেশনা উপস্থাপন করে উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করেন। পরে একে একে বিভিন্ন বক্তা ও শিল্পীরা স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য ও সঙ্গীত পরিবেশনার মাধ্যমে অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তোলেন।
সারারাতব্যাপী দেশের স্বনামধন্য বাউল শিল্পীরা মরমী গানের আসর জমিয়ে তোলেন। বাউল দর্শন, আধ্যাত্মিকতা ও লোকঐতিহ্যের ধারায় পরিবেশিত গান দর্শকদের মাঝে ভক্তি ও আনন্দের আবহ সৃষ্টি করে। অনুষ্ঠানের শেষপর্বে সভাপতির বক্তব্যে শাহীন দেওয়ান মরহুম মাতাল কবি রাজ্জাক দেওয়ান ও সুজন দেওয়ানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।
দুই দিনব্যাপী এই আয়োজন বাউল সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা রক্ষা ও নতুন প্রজন্মের কাছে তা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঢাকার কেরানীগঞ্জে মরমী সাধক মাতাল কবি রাজ্জাক দেওয়ান-এর নিজ বাসভবনে গতকাল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) থেকে দুই দিনব্যাপী স্মরণোৎসব, বাৎসরিক ওরস মোবারক এবং ফাল্গুনী বাউল মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
একই সঙ্গে তার সুযোগ্য সন্তান সুজন দেওয়ানকেও স্মরণ করা হয়। অনুষ্ঠানকে ঘিরে এলাকাজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ, যেখানে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বাউল অনুরাগী, শিল্পী ও ভক্তরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গাজীপুর জেলা সততা বাউল শিল্পী সমিতির সভাপতি শাহীন দেওয়ান এবং সার্বিক পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন দেওয়ান কবির সরকার।
অনুষ্ঠানের সূচনায় মাতাল কবি রাজ্জাক দেওয়ানের নাতনী চৈতী দেওয়ান নেচে-গেয়ে পরিবেশনা উপস্থাপন করে উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করেন। পরে একে একে বিভিন্ন বক্তা ও শিল্পীরা স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য ও সঙ্গীত পরিবেশনার মাধ্যমে অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তোলেন।
সারারাতব্যাপী দেশের স্বনামধন্য বাউল শিল্পীরা মরমী গানের আসর জমিয়ে তোলেন। বাউল দর্শন, আধ্যাত্মিকতা ও লোকঐতিহ্যের ধারায় পরিবেশিত গান দর্শকদের মাঝে ভক্তি ও আনন্দের আবহ সৃষ্টি করে। অনুষ্ঠানের শেষপর্বে সভাপতির বক্তব্যে শাহীন দেওয়ান মরহুম মাতাল কবি রাজ্জাক দেওয়ান ও সুজন দেওয়ানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।
দুই দিনব্যাপী এই আয়োজন বাউল সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা রক্ষা ও নতুন প্রজন্মের কাছে তা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন।

আপনার মতামত লিখুন