ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান ও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের দীর্ঘ ১৮ মাস পর হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে পুনরায় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু হয়েছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে শহরের টাউন হল এলাকায় অবস্থিত দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রমের ঘোষণা দেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
সকাল থেকেই ১০-১২ জন নেতাকর্মীর একটি দল কার্যালয়ের সামনে সমবেত হয়ে দলীয় স্লোগান দিতে থাকেন। পরে তারা তালাবদ্ধ কার্যালয়টি খুলে ভেতরে প্রবেশ করেন। এসময় জেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীসহ সদর উপজেলা যুবলীগ, জেলা ও পৌর ছাত্রলীগ এবং বৃন্দাবন সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের একদল কর্মী উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর এটিই দলটির পক্ষ থেকে প্রথম কোনো প্রকাশ্য কর্মসূচি।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট আন্দোলনের সময় কার্যালয়টিতে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। পরদিন ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে নেতাকর্মীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যান এবং কার্যালয়টি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠনের পর এই প্রথমবারের মতো আওয়ামী লীগ তাদের দলীয় কার্যালয়ের কার্যক্রম পুনরায় চালু করার সাহসী পদক্ষেপ নিল।
উপস্থিত নেতাকর্মীরা এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, "১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী এই ঐতিহ্যবাহী দলকে কোনো শক্তিই দমিয়ে রাখতে পারবে না। সকল ষড়যন্ত্র ও বাধা অতিক্রম করে আওয়ামী লীগ আবারও জনগণের পাশে দাঁড়াবে।" তারা আগামী দিনে ঐক্যবদ্ধভাবে সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধিরও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তবে দলীয় কার্যালয় খোলার বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি। হবিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেন সংবাদমাধ্যমকে জানান, দলীয় কার্যালয় পুনরায় চালুর বিষয়ে তিনি এখন পর্যন্ত কিছু অবগত নন।
এদিকে দেড় বছর পর শহরের প্রাণকেন্দ্রে আওয়ামী লীগের এই রাজনৈতিক তৎপরতা শুরু হওয়ায় স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখছেন সাধারণ মানুষ ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের কর্মীরা।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান ও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের দীর্ঘ ১৮ মাস পর হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে পুনরায় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু হয়েছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে শহরের টাউন হল এলাকায় অবস্থিত দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রমের ঘোষণা দেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
সকাল থেকেই ১০-১২ জন নেতাকর্মীর একটি দল কার্যালয়ের সামনে সমবেত হয়ে দলীয় স্লোগান দিতে থাকেন। পরে তারা তালাবদ্ধ কার্যালয়টি খুলে ভেতরে প্রবেশ করেন। এসময় জেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীসহ সদর উপজেলা যুবলীগ, জেলা ও পৌর ছাত্রলীগ এবং বৃন্দাবন সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের একদল কর্মী উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর এটিই দলটির পক্ষ থেকে প্রথম কোনো প্রকাশ্য কর্মসূচি।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট আন্দোলনের সময় কার্যালয়টিতে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। পরদিন ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে নেতাকর্মীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যান এবং কার্যালয়টি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠনের পর এই প্রথমবারের মতো আওয়ামী লীগ তাদের দলীয় কার্যালয়ের কার্যক্রম পুনরায় চালু করার সাহসী পদক্ষেপ নিল।
উপস্থিত নেতাকর্মীরা এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, "১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী এই ঐতিহ্যবাহী দলকে কোনো শক্তিই দমিয়ে রাখতে পারবে না। সকল ষড়যন্ত্র ও বাধা অতিক্রম করে আওয়ামী লীগ আবারও জনগণের পাশে দাঁড়াবে।" তারা আগামী দিনে ঐক্যবদ্ধভাবে সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধিরও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তবে দলীয় কার্যালয় খোলার বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি। হবিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেন সংবাদমাধ্যমকে জানান, দলীয় কার্যালয় পুনরায় চালুর বিষয়ে তিনি এখন পর্যন্ত কিছু অবগত নন।
এদিকে দেড় বছর পর শহরের প্রাণকেন্দ্রে আওয়ামী লীগের এই রাজনৈতিক তৎপরতা শুরু হওয়ায় স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখছেন সাধারণ মানুষ ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের কর্মীরা।

আপনার মতামত লিখুন