ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

রমজানের আগেই হিলিতে দাম বাড়ল পেঁয়াজ ও রসুনের


অর্থনীতি ডেস্ক :
অর্থনীতি ডেস্ক :
প্রকাশ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

রমজানের আগেই হিলিতে দাম বাড়ল পেঁয়াজ ও রসুনের

পবিত্র মাহে রমজানকে সামনে রেখে হিলি বাজারে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম বাড়তে শুরু করেছে। প্রকারভেদে পাইকারি বাজারে যে দেশি পেঁয়াজ আগে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতো, বর্তমানে তা ৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে রসুনের দামও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে; ৮০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরের রসুন এখন ১২০ থেকে ১৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বাজার ঘুরে দেখা যায়, মাত্র চার দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ১৫ টাকা বেড়েছে। অন্যদিকে রসুনের দাম প্রকারভেদে বেড়েছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা। চার দিন আগে পাইকারিতে যে দেশি পেঁয়াজ ৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল, তা এখন ৪৫ টাকা। এছাড়া ৮০ টাকা কেজির কাঁচা রসুন এখন ১২০ টাকা এবং ১২০ টাকা কেজির শুকনো রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়।

পণ্যমূল্যের এমন আকস্মিক বৃদ্ধিতে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতা ও খুচরা বিক্রেতারা।

হিলি বাজারের ক্রেতা সুমন বলেন, ‘রমজান এলেই নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যায়। কয়েক দিন আগেই ৩০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ কিনেছি, আজ তা কিনতে হচ্ছে ৪৫ টাকায়।’

ভ্যানচালক আহসান হাবীব বলেন, ‘রমজান শুরু হওয়ার আগেই হুহু করে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম বাড়ছে। এভাবে দাম বাড়তে থাকলে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়বে।’

হিলি বাজারের খুচরা সবজি বিক্রেতা আবদুল লতিফ জানান, ‘কয়েক দিন ধরেই পেঁয়াজ ও রসুনের বাজার চড়া। আমরা পাইকারিতে ৪৫ টাকা দরে পেঁয়াজ কিনে খুচরায় ৫০ টাকায় বিক্রি করছি। একইভাবে কাঁচা রসুন ১১০ টাকায় কিনে ১২০ টাকায় এবং শুকনো রসুন ১৫০ টাকায় কিনে ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে হচ্ছে।’

পাইকারি ব্যবসায়ী ফেরদৌস রহমান বলেন, ‘আর মাত্র এক দিন পরেই পবিত্র রমজান মাস শুরু হচ্ছে। এ কারণে বাজারে ক্রেতাদের চাহিদা বেড়েছে। কিন্তু চাহিদার তুলনায় মোকামে সরবরাহ কম থাকায় দাম বাড়ছে। আমরা বেশি দামে কিনছি বলেই বাধ্য হয়ে বেশি দামে বিক্রি করছি।’

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


রমজানের আগেই হিলিতে দাম বাড়ল পেঁয়াজ ও রসুনের

প্রকাশের তারিখ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

পবিত্র মাহে রমজানকে সামনে রেখে হিলি বাজারে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম বাড়তে শুরু করেছে। প্রকারভেদে পাইকারি বাজারে যে দেশি পেঁয়াজ আগে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতো, বর্তমানে তা ৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে রসুনের দামও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে; ৮০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরের রসুন এখন ১২০ থেকে ১৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।


মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বাজার ঘুরে দেখা যায়, মাত্র চার দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ১৫ টাকা বেড়েছে। অন্যদিকে রসুনের দাম প্রকারভেদে বেড়েছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা। চার দিন আগে পাইকারিতে যে দেশি পেঁয়াজ ৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল, তা এখন ৪৫ টাকা। এছাড়া ৮০ টাকা কেজির কাঁচা রসুন এখন ১২০ টাকা এবং ১২০ টাকা কেজির শুকনো রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়।


পণ্যমূল্যের এমন আকস্মিক বৃদ্ধিতে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতা ও খুচরা বিক্রেতারা।


হিলি বাজারের ক্রেতা সুমন বলেন, ‘রমজান এলেই নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যায়। কয়েক দিন আগেই ৩০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ কিনেছি, আজ তা কিনতে হচ্ছে ৪৫ টাকায়।’


ভ্যানচালক আহসান হাবীব বলেন, ‘রমজান শুরু হওয়ার আগেই হুহু করে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম বাড়ছে। এভাবে দাম বাড়তে থাকলে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়বে।’


হিলি বাজারের খুচরা সবজি বিক্রেতা আবদুল লতিফ জানান, ‘কয়েক দিন ধরেই পেঁয়াজ ও রসুনের বাজার চড়া। আমরা পাইকারিতে ৪৫ টাকা দরে পেঁয়াজ কিনে খুচরায় ৫০ টাকায় বিক্রি করছি। একইভাবে কাঁচা রসুন ১১০ টাকায় কিনে ১২০ টাকায় এবং শুকনো রসুন ১৫০ টাকায় কিনে ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে হচ্ছে।’


পাইকারি ব্যবসায়ী ফেরদৌস রহমান বলেন, ‘আর মাত্র এক দিন পরেই পবিত্র রমজান মাস শুরু হচ্ছে। এ কারণে বাজারে ক্রেতাদের চাহিদা বেড়েছে। কিন্তু চাহিদার তুলনায় মোকামে সরবরাহ কম থাকায় দাম বাড়ছে। আমরা বেশি দামে কিনছি বলেই বাধ্য হয়ে বেশি দামে বিক্রি করছি।’


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ