ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরকে রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি বানাতে যাচ্ছে ইসরাইল


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরকে রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি বানাতে যাচ্ছে ইসরাইল

দখলকৃত ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরকে রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি হিসেবে ঘোষণা করতে যাচ্ছে ইসরাইল। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দেশটির সরকার এই প্রস্তাবনার অনুমোদন দিয়েছে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, অর্থমন্ত্রী বেজালাল স্মোট্রিচ, বিচারমন্ত্রী ইয়ারিভ লেভিন ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এরিয়া-সি অঞ্চলের বিশাল ভূমিকে ইসরাইলের রাষ্ট্রীয় মালিকানায় নিবন্ধনের আবেদন করেছেন, যা পশ্চিম তীরের প্রায় ৬১ শতাংশের সমান।

১৯৯৫ সালের অসলো-২ চুক্তি অনুযায়ী, এরিয়া A ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণে এবং এরিয়া B ফিলিস্তিনি নাগরিক ও ইসরাইলি নিরাপত্তার অধীনে। কিন্তু এরিয়া C তে একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ কায়েম করে ইসরাইল। এই অঞ্চলের জমিকে রাষ্ট্রীয় সম্পত্তিতে রূপান্তর করলে, ফিলিস্তিনি মালিকানার প্রমাণ থাকা বা জমি নিবন্ধনের ক্ষমতা সীমিত হয়ে যাবে।

ইসরাইল সরকারের অনুমোদন কার্যকর হলে সিওজিএটি বিভাগ এরিয়া-C তে জমির মালিকানা ও নিবন্ধনের দায়িত্বে থাকবে। এই প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে বিক্রয় পারমিট প্রদান, ফি সংগ্রহ, নিবন্ধন তত্ত্বাবধান এবং ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে ঐ এলাকায় কার্যক্রম থেকে বিরত রাখা।

এর পাশাপাশি ইসরাইল পশ্চিম তীরে অবৈধ বসতি সম্প্রসারণ, ফিলিস্তিনি জমির মালিকানার রেকর্ড উন্মুক্ত করা, এবং হেবরনের নিকটবর্তী নির্মাণ পারমিটের কর্তৃত্ব ফিলিস্তিনি নগর প্রশাসন থেকে ইসরাইলের বেসামরিক প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করেছে।

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজ্জায় গণহত্যা অভিযান শুরু হওয়ার পর, ইসরাইল পূর্ব জেরুসালেম ও পশ্চিম তীরে হত্যাযজ্ঞ, গ্রেফতার, বাস্তুচ্যুতি ও বসতি সম্প্রসারণ বৃদ্ধি করেছে। আন্তর্জাতিক বিচার আদালত ২০২৪ সালের জুলাইয়ে এই দখলকে অবৈধ ঘোষণা করে সমস্ত বসতি খালি করার আহ্বান জানায়।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরকে রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি বানাতে যাচ্ছে ইসরাইল

প্রকাশের তারিখ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

দখলকৃত ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরকে রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি হিসেবে ঘোষণা করতে যাচ্ছে ইসরাইল। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দেশটির সরকার এই প্রস্তাবনার অনুমোদন দিয়েছে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, অর্থমন্ত্রী বেজালাল স্মোট্রিচ, বিচারমন্ত্রী ইয়ারিভ লেভিন ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এরিয়া-সি অঞ্চলের বিশাল ভূমিকে ইসরাইলের রাষ্ট্রীয় মালিকানায় নিবন্ধনের আবেদন করেছেন, যা পশ্চিম তীরের প্রায় ৬১ শতাংশের সমান।

১৯৯৫ সালের অসলো-২ চুক্তি অনুযায়ী, এরিয়া A ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণে এবং এরিয়া B ফিলিস্তিনি নাগরিক ও ইসরাইলি নিরাপত্তার অধীনে। কিন্তু এরিয়া C তে একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ কায়েম করে ইসরাইল। এই অঞ্চলের জমিকে রাষ্ট্রীয় সম্পত্তিতে রূপান্তর করলে, ফিলিস্তিনি মালিকানার প্রমাণ থাকা বা জমি নিবন্ধনের ক্ষমতা সীমিত হয়ে যাবে।

ইসরাইল সরকারের অনুমোদন কার্যকর হলে সিওজিএটি বিভাগ এরিয়া-C তে জমির মালিকানা ও নিবন্ধনের দায়িত্বে থাকবে। এই প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে বিক্রয় পারমিট প্রদান, ফি সংগ্রহ, নিবন্ধন তত্ত্বাবধান এবং ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে ঐ এলাকায় কার্যক্রম থেকে বিরত রাখা।

এর পাশাপাশি ইসরাইল পশ্চিম তীরে অবৈধ বসতি সম্প্রসারণ, ফিলিস্তিনি জমির মালিকানার রেকর্ড উন্মুক্ত করা, এবং হেবরনের নিকটবর্তী নির্মাণ পারমিটের কর্তৃত্ব ফিলিস্তিনি নগর প্রশাসন থেকে ইসরাইলের বেসামরিক প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করেছে।

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজ্জায় গণহত্যা অভিযান শুরু হওয়ার পর, ইসরাইল পূর্ব জেরুসালেম ও পশ্চিম তীরে হত্যাযজ্ঞ, গ্রেফতার, বাস্তুচ্যুতি ও বসতি সম্প্রসারণ বৃদ্ধি করেছে। আন্তর্জাতিক বিচার আদালত ২০২৪ সালের জুলাইয়ে এই দখলকে অবৈধ ঘোষণা করে সমস্ত বসতি খালি করার আহ্বান জানায়।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ