ঢাকা, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (মঙ্গলবার)—জুলাই বিপ্লবের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিচার কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনাল-২–এ বিচারিক প্যানেলের সামনে সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন ও প্রথম সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের কথা রয়েছে।
ট্রাইব্যুনাল-২–এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে বিচার শুরু হচ্ছে। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
এর আগে গত ২২ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। একইসঙ্গে ১৭ ফেব্রুয়ারি সূচনা বক্তব্য ও প্রথম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করা হয়।
এ মামলার অপর আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনান। ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা গেছে, মামলার সব আসামি বর্তমানে পলাতক।
প্রসিকিউশনের পক্ষে গত ১৮ জানুয়ারি অভিযোগ গঠনের ওপর শুনানি করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম। শুনানিতে তারা আসামিদের ব্যক্তিগত দায় তুলে ধরে জুলাই-আগস্টে আন্দোলনকারীদের হত্যার নির্দেশ, উসকানি ও প্ররোচনার অভিযোগ উত্থাপন করেন। ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগও আদালতে উপস্থাপন করা হয়।
অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী লোকমান হাওলাদার ও ইশরাত জাহান অভিযোগের সঙ্গে তাদের মক্কেলদের সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেন এবং যথাযথ তথ্যপ্রমাণের অভাব উল্লেখ করে অব্যাহতির আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত ২২ জানুয়ারি অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন।
এর আগে গত ৮ জানুয়ারি আসামিদের আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হলেও তারা হাজির হননি। পরবর্তীতে পলাতক বিবেচনায় ট্রাইব্যুনাল আসামিদের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী নিয়োগ করেন। গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে পরোয়ানা জারি ও স্থায়ী-অস্থায়ী ঠিকানায় অভিযান চালানো হলেও কাউকে পাওয়া যায়নি। পরে ৩০ ডিসেম্বর পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর এই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঢাকা, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (মঙ্গলবার)—জুলাই বিপ্লবের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিচার কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনাল-২–এ বিচারিক প্যানেলের সামনে সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন ও প্রথম সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের কথা রয়েছে।
ট্রাইব্যুনাল-২–এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে বিচার শুরু হচ্ছে। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
এর আগে গত ২২ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। একইসঙ্গে ১৭ ফেব্রুয়ারি সূচনা বক্তব্য ও প্রথম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করা হয়।
এ মামলার অপর আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনান। ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা গেছে, মামলার সব আসামি বর্তমানে পলাতক।
প্রসিকিউশনের পক্ষে গত ১৮ জানুয়ারি অভিযোগ গঠনের ওপর শুনানি করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম। শুনানিতে তারা আসামিদের ব্যক্তিগত দায় তুলে ধরে জুলাই-আগস্টে আন্দোলনকারীদের হত্যার নির্দেশ, উসকানি ও প্ররোচনার অভিযোগ উত্থাপন করেন। ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগও আদালতে উপস্থাপন করা হয়।
অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী লোকমান হাওলাদার ও ইশরাত জাহান অভিযোগের সঙ্গে তাদের মক্কেলদের সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেন এবং যথাযথ তথ্যপ্রমাণের অভাব উল্লেখ করে অব্যাহতির আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত ২২ জানুয়ারি অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন।
এর আগে গত ৮ জানুয়ারি আসামিদের আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হলেও তারা হাজির হননি। পরবর্তীতে পলাতক বিবেচনায় ট্রাইব্যুনাল আসামিদের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী নিয়োগ করেন। গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে পরোয়ানা জারি ও স্থায়ী-অস্থায়ী ঠিকানায় অভিযান চালানো হলেও কাউকে পাওয়া যায়নি। পরে ৩০ ডিসেম্বর পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর এই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন