জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী বিশ্ব ভালোবাসা দিবস ও পহেলা ফাল্গুন উপলক্ষে তরুণদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন স্বপ্নের খোঁজে ফাউন্ডেশন-এর আয়োজনে ব্যতিক্রমী আনন্দ উৎসবে মেতে উঠলেন নড়াইলের বৃদ্ধাশ্রমের বয়োবৃদ্ধরা।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নড়াইল সদরের গোপিকান্তপুর গ্রামে বেলা শেষে বৃদ্ধাশ্রম-এ নবীন-প্রবীণের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সংগঠনের সদস্য অনিক হাসান, সৌরভ, সাকিব মোল্যা, চৈতী চক্রবর্তী, লিজা, সৈয়দ পিয়াসসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
এ উপলক্ষে সাজ-সজ্জায় আলোকিত করা হয় গোপিকান্তপুর গ্রামের ‘বেলা শেষে’ বৃদ্ধাশ্রম। এসময় বয়োবৃদ্ধদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়, কেক কাটা হয় এবং নতুন পোশাক উপহার দেওয়া হয়। পাশাপাশি উন্নতমানের খাবার পরিবেশন, খেলাধুলা, পুরস্কার বিতরণ ও গানের আয়োজন করা হয়।
বৃদ্ধাশ্রমের নিঃসঙ্গ-নিস্তব্ধ পরিবেশ ভেঙে শুরু হয় আনন্দ-উৎসব। ফুলের শুভেচ্ছা ও গান পরিবেশনের মধ্য দিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করেন সবাই। বেলুন ফাটিয়ে নবীন-প্রবীণরা উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন।
বৃদ্ধাশ্রমের বিভিন্ন বয়সী প্রবীণরা জানান, ভালোবাসা দিবস ও পহেলা ফাল্গুনে সংগঠনের সদস্যরা তাদের সঙ্গে কেক কেটেছেন, নতুন পোশাক উপহার দিয়েছেন। উন্নতমানের খাবার, খেলাধুলা ও পুরস্কারের মাধ্যমে ক্ষণিকের জন্য হলেও আনন্দের মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন। এতে ফেলে আসা রঙিন দিনের স্মৃতিও মনে পড়ে যায় বলে তারা জানান।
সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মির্জা গালিব সতেজ বলেন, ২০১৭ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটে। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে এ ধরনের ব্যতিক্রমী আয়োজন করা হচ্ছে। সুবিধাবঞ্চিত ও বেদে সম্প্রদায়ের শিশুদের নিয়ে কাজ করছে সংগঠনটি। পারিবারিক সহযোগিতা ও পড়ালেখার খরচ থেকে অর্থ সঞ্চয় করে ৪৫ জন সদস্য নিয়মিত মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী বিশ্ব ভালোবাসা দিবস ও পহেলা ফাল্গুন উপলক্ষে তরুণদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন স্বপ্নের খোঁজে ফাউন্ডেশন-এর আয়োজনে ব্যতিক্রমী আনন্দ উৎসবে মেতে উঠলেন নড়াইলের বৃদ্ধাশ্রমের বয়োবৃদ্ধরা।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নড়াইল সদরের গোপিকান্তপুর গ্রামে বেলা শেষে বৃদ্ধাশ্রম-এ নবীন-প্রবীণের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সংগঠনের সদস্য অনিক হাসান, সৌরভ, সাকিব মোল্যা, চৈতী চক্রবর্তী, লিজা, সৈয়দ পিয়াসসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
এ উপলক্ষে সাজ-সজ্জায় আলোকিত করা হয় গোপিকান্তপুর গ্রামের ‘বেলা শেষে’ বৃদ্ধাশ্রম। এসময় বয়োবৃদ্ধদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়, কেক কাটা হয় এবং নতুন পোশাক উপহার দেওয়া হয়। পাশাপাশি উন্নতমানের খাবার পরিবেশন, খেলাধুলা, পুরস্কার বিতরণ ও গানের আয়োজন করা হয়।
বৃদ্ধাশ্রমের নিঃসঙ্গ-নিস্তব্ধ পরিবেশ ভেঙে শুরু হয় আনন্দ-উৎসব। ফুলের শুভেচ্ছা ও গান পরিবেশনের মধ্য দিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করেন সবাই। বেলুন ফাটিয়ে নবীন-প্রবীণরা উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন।
বৃদ্ধাশ্রমের বিভিন্ন বয়সী প্রবীণরা জানান, ভালোবাসা দিবস ও পহেলা ফাল্গুনে সংগঠনের সদস্যরা তাদের সঙ্গে কেক কেটেছেন, নতুন পোশাক উপহার দিয়েছেন। উন্নতমানের খাবার, খেলাধুলা ও পুরস্কারের মাধ্যমে ক্ষণিকের জন্য হলেও আনন্দের মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন। এতে ফেলে আসা রঙিন দিনের স্মৃতিও মনে পড়ে যায় বলে তারা জানান।
সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মির্জা গালিব সতেজ বলেন, ২০১৭ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটে। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে এ ধরনের ব্যতিক্রমী আয়োজন করা হচ্ছে। সুবিধাবঞ্চিত ও বেদে সম্প্রদায়ের শিশুদের নিয়ে কাজ করছে সংগঠনটি। পারিবারিক সহযোগিতা ও পড়ালেখার খরচ থেকে অর্থ সঞ্চয় করে ৪৫ জন সদস্য নিয়মিত মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

আপনার মতামত লিখুন