ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত অন্তত ৩২, গ্রাম পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত অন্তত ৩২, গ্রাম পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ


নাইজার রাজ্য, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (শনিবার) — নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলের নাইজার রাজ্যের বোরগু এলাকায় বন্দুকধারীদের একাধিক হামলায় অন্তত ৩২ জন নিহত হয়েছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।

খবরে বলা হয়েছে, মোটরসাইকেলে আসা বন্দুকধারীরা শনিবার প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক তাণ্ডব চালায়। ওই অঞ্চলে আইএসআইএল-সংশ্লিষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠীসহ বিভিন্ন অপরাধী চক্র সক্রিয় রয়েছে, যারা মুক্তিপণের জন্য অপহরণসহ সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িত।

নাইজার রাজ্য পুলিশের মুখপাত্র ওয়াসিউ আবিওদুন হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, টুঙ্গা-মাকেরি গ্রামে ডাকাতদের হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হন এবং বেশ কয়েকটি বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়। কতজন অপহরণ হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।

এরপর হামলাকারীরা কনকোসো গ্রামে আক্রমণ চালায়। কনকোসোর বাসিন্দা জেরেমিয়া টিমোথি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানান, ভোরে বিক্ষিপ্ত গুলিবর্ষণের মাধ্যমে হামলা শুরু হয় এবং তার গ্রামে অন্তত ২৬ জন নিহত হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, গ্রামের থানায় আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে মানবাধিকার সংস্থার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মীর বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, কনকোসোতে নিহতের সংখ্যা ৩৮ জনে পৌঁছাতে পারে। ওই সূত্রের দাবি, নিহতদের গুলি ও গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে এবং গ্রামের অধিকাংশ বাড়িঘর আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

কনকোসোর এক বাসিন্দা এএফপিকে জানান, বন্দুকধারীরা তার ভাগ্নেকে হত্যা করেছে এবং চার নারীকে অপহরণ করেছে। তিনি আরও বলেন, কনকোসোর পর পিসা গ্রামে হামলা চালিয়ে সেখানে পুলিশ স্টেশন পুড়িয়ে দেওয়া হয় এবং একজন নিহত হন। অনেক মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। সশস্ত্র গোষ্ঠী ও অপরাধী চক্রের সহিংসতায় নিয়মিত প্রাণহানি ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে, যা দেশটির নিরাপত্তা ও মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত অন্তত ৩২, গ্রাম পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image


নাইজার রাজ্য, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (শনিবার) — নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলের নাইজার রাজ্যের বোরগু এলাকায় বন্দুকধারীদের একাধিক হামলায় অন্তত ৩২ জন নিহত হয়েছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।

খবরে বলা হয়েছে, মোটরসাইকেলে আসা বন্দুকধারীরা শনিবার প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক তাণ্ডব চালায়। ওই অঞ্চলে আইএসআইএল-সংশ্লিষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠীসহ বিভিন্ন অপরাধী চক্র সক্রিয় রয়েছে, যারা মুক্তিপণের জন্য অপহরণসহ সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িত।

নাইজার রাজ্য পুলিশের মুখপাত্র ওয়াসিউ আবিওদুন হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, টুঙ্গা-মাকেরি গ্রামে ডাকাতদের হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হন এবং বেশ কয়েকটি বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়। কতজন অপহরণ হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।

এরপর হামলাকারীরা কনকোসো গ্রামে আক্রমণ চালায়। কনকোসোর বাসিন্দা জেরেমিয়া টিমোথি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানান, ভোরে বিক্ষিপ্ত গুলিবর্ষণের মাধ্যমে হামলা শুরু হয় এবং তার গ্রামে অন্তত ২৬ জন নিহত হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, গ্রামের থানায় আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে মানবাধিকার সংস্থার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মীর বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, কনকোসোতে নিহতের সংখ্যা ৩৮ জনে পৌঁছাতে পারে। ওই সূত্রের দাবি, নিহতদের গুলি ও গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে এবং গ্রামের অধিকাংশ বাড়িঘর আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

কনকোসোর এক বাসিন্দা এএফপিকে জানান, বন্দুকধারীরা তার ভাগ্নেকে হত্যা করেছে এবং চার নারীকে অপহরণ করেছে। তিনি আরও বলেন, কনকোসোর পর পিসা গ্রামে হামলা চালিয়ে সেখানে পুলিশ স্টেশন পুড়িয়ে দেওয়া হয় এবং একজন নিহত হন। অনেক মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। সশস্ত্র গোষ্ঠী ও অপরাধী চক্রের সহিংসতায় নিয়মিত প্রাণহানি ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে, যা দেশটির নিরাপত্তা ও মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ