সদ্য বিজয়ী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, কৃষি, শিক্ষা ও ব্যবসায় সমৃদ্ধ উল্লাপাড়ার সার্বিক উন্নয়ন ও আধুনিক উল্লাপাড়া গড়তে তিনি তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী এম. আকবর আলীকে পাশে চান ও তার সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, “আমার নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নে আমি সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই। আমাকে যারা ভোট দিয়েছেন এবং যারা দেননি- আমি সবার এমপি, সবার কল্যাণে কাজ করাই আমার লক্ষ্য।”
গতকাল পড়ন্ত বিকেলে উল্লাপাড়া আবু হুরাইরা এতিমখানার মসজিদের সামনে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, নির্বাচনের পর জামায়াতের অনেক নেতা-কর্মীর বাড়িঘর ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনা ঘটছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি এসব সহিংসতা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখার অনুরোধ করেন।
সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হলো- নির্বাচনের ফলাফল মেনে না নেওয়ার যে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংস্কৃতি, সেখান থেকে দেশ বেরিয়ে আসার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। বিরোধীদল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর আমির ডা. শফিকুর রহমান নির্বাচন-পরবর্তী কোনো বিক্ষোভ বা সহিংসতার পথ পরিহার করার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, বিজয়ী সরকারকে দেশ গঠনের জন্য সময় দিতে হবে। সরকার ও বিরোধী দল- উভয় পক্ষকে জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন কৃষি, শিক্ষা ও উৎপাদনমুখী খাতে অগ্রাধিকারের ওপর। কৃষিতে উৎপাদন বাড়াতে উন্নত মানের বীজ, সার, কীটনাশক ও সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষাঙ্গনে স্বাভাবিক শিক্ষা পরিবেশ ফিরিয়ে এনে গবেষণা, প্রবন্ধ রচনা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ড বাড়াতে হবে। মাধ্যমিক পর্যায়ে কারিগরি শিক্ষায় জোর দিয়ে দক্ষ যুবসমাজ গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা শিল্প-কারখানা ও কৃষিখাতে উৎপাদন বাড়াতে ভূমিকা রাখতে পারে।
আইনশৃঙ্খলার উন্নয়নের মাধ্যমে নাগরিকদের নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করা জরুরি। একটি সমৃদ্ধ ও সুখী বাংলাদেশ গড়তে আগামী পাঁচ বছরই যথেষ্ট- যদি জাতি ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সদ্য বিজয়ী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, কৃষি, শিক্ষা ও ব্যবসায় সমৃদ্ধ উল্লাপাড়ার সার্বিক উন্নয়ন ও আধুনিক উল্লাপাড়া গড়তে তিনি তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী এম. আকবর আলীকে পাশে চান ও তার সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, “আমার নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নে আমি সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই। আমাকে যারা ভোট দিয়েছেন এবং যারা দেননি- আমি সবার এমপি, সবার কল্যাণে কাজ করাই আমার লক্ষ্য।”
গতকাল পড়ন্ত বিকেলে উল্লাপাড়া আবু হুরাইরা এতিমখানার মসজিদের সামনে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, নির্বাচনের পর জামায়াতের অনেক নেতা-কর্মীর বাড়িঘর ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনা ঘটছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি এসব সহিংসতা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখার অনুরোধ করেন।
সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হলো- নির্বাচনের ফলাফল মেনে না নেওয়ার যে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংস্কৃতি, সেখান থেকে দেশ বেরিয়ে আসার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। বিরোধীদল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর আমির ডা. শফিকুর রহমান নির্বাচন-পরবর্তী কোনো বিক্ষোভ বা সহিংসতার পথ পরিহার করার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, বিজয়ী সরকারকে দেশ গঠনের জন্য সময় দিতে হবে। সরকার ও বিরোধী দল- উভয় পক্ষকে জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন কৃষি, শিক্ষা ও উৎপাদনমুখী খাতে অগ্রাধিকারের ওপর। কৃষিতে উৎপাদন বাড়াতে উন্নত মানের বীজ, সার, কীটনাশক ও সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষাঙ্গনে স্বাভাবিক শিক্ষা পরিবেশ ফিরিয়ে এনে গবেষণা, প্রবন্ধ রচনা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ড বাড়াতে হবে। মাধ্যমিক পর্যায়ে কারিগরি শিক্ষায় জোর দিয়ে দক্ষ যুবসমাজ গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা শিল্প-কারখানা ও কৃষিখাতে উৎপাদন বাড়াতে ভূমিকা রাখতে পারে।
আইনশৃঙ্খলার উন্নয়নের মাধ্যমে নাগরিকদের নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করা জরুরি। একটি সমৃদ্ধ ও সুখী বাংলাদেশ গড়তে আগামী পাঁচ বছরই যথেষ্ট- যদি জাতি ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে।

আপনার মতামত লিখুন