ফেনীতে আলোচিত ‘জুলাই যোদ্ধা’ সায়েম উদ্দিনকে শুক্রবার রাতে হামলার শিকার করা হয়েছে। ঘটনা ঘটেছে জেলার দাগনভূঞা উপজেলার সিন্দুরপুর ইউনিয়নের কোরবানপুর রাস্তার মাথায়। হামলার শিকার সায়েম উদ্দিন মাছিমপুর এলাকার বাসিন্দা ও ফেনীর আল-জামেয়াতুল মালাহিয়া কামিল মাদরাসার ফাজিল শ্রেণির ছাত্র। চব্বিশের ৪ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় ফেনী শহরের মহিপালে আওয়ামী অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তিনি দেশজুড়ে আলোচিত হন। সেই সময়ের হামাগুঁড়ি ও ছাদের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপের দৃশ্য নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল।
এনসিপির ফেনী-৩ আসনের অ্যাম্বাসেডর আবদুল্লাহ আল জোবায়ের জানান, রাত আটটার দিকে সায়েমকে একা পেয়ে পার্শ্ববর্তী স্থানে ডেকে নিয়ে যায় বিএনপি নামধারী কয়েকজন সন্ত্রাসী। সেখানে পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা চার-পাঁচজন হামলাকারী কিল, ঘুষি ও লাথিসহ তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করতে থাকে। একপর্যায়ে মারধরের পর তাকে রাস্তায় ফেলে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে অ্যাম্বাসেডর আবদুল্লাহ আল জোবায়ের ঘটনাস্থলে গিয়ে সায়েমকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করান।
হামলাকারীরা তার পরিচিত এবং বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে সায়েম জানিয়েছে। ছাত্রশিবিরের ফেনী শহর সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম জানান, হামলার খবর পেয়ে ফেনীর জুলাই যোদ্ধারা হাসপাতাল পর্যন্ত ছুটে গিয়ে তার চিকিৎসা নিশ্চিত করেছেন এবং হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন। ফেনী জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মুফতি আব্দুল হান্নানও হাসপাতালে গিয়ে সায়েমের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রুবাইয়াত বিন করিম জানান, সায়েম উদ্দিন যথাযথ চিকিৎসা নিচ্ছেন এবং বর্তমানে হাসপাতালেই ভর্তি আছেন।
জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল বলেন, ঘটনার খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশ সুপারকে অনুরোধ করা হয়েছে। দাগনভুঁঞা থানার ওসি মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। হামলার অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা গ্রহণ ও জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই ঘটনার মাধ্যমে ফেনী অঞ্চলে রাজনৈতিক সহিংসতার চিত্র পুনরায় ফুটে উঠেছে। এছাড়াও, এটি স্থানীয় জনগণ এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি করেছে। সায়েম উদ্দিনের ওপর হামলার ঘটনায় এখনই দেখা দিয়েছে রাজনৈতিক সমালোচনা ও প্রতিবাদ, এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ফেনীতে আলোচিত ‘জুলাই যোদ্ধা’ সায়েম উদ্দিনকে শুক্রবার রাতে হামলার শিকার করা হয়েছে। ঘটনা ঘটেছে জেলার দাগনভূঞা উপজেলার সিন্দুরপুর ইউনিয়নের কোরবানপুর রাস্তার মাথায়। হামলার শিকার সায়েম উদ্দিন মাছিমপুর এলাকার বাসিন্দা ও ফেনীর আল-জামেয়াতুল মালাহিয়া কামিল মাদরাসার ফাজিল শ্রেণির ছাত্র। চব্বিশের ৪ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় ফেনী শহরের মহিপালে আওয়ামী অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তিনি দেশজুড়ে আলোচিত হন। সেই সময়ের হামাগুঁড়ি ও ছাদের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপের দৃশ্য নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল।
এনসিপির ফেনী-৩ আসনের অ্যাম্বাসেডর আবদুল্লাহ আল জোবায়ের জানান, রাত আটটার দিকে সায়েমকে একা পেয়ে পার্শ্ববর্তী স্থানে ডেকে নিয়ে যায় বিএনপি নামধারী কয়েকজন সন্ত্রাসী। সেখানে পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা চার-পাঁচজন হামলাকারী কিল, ঘুষি ও লাথিসহ তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করতে থাকে। একপর্যায়ে মারধরের পর তাকে রাস্তায় ফেলে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে অ্যাম্বাসেডর আবদুল্লাহ আল জোবায়ের ঘটনাস্থলে গিয়ে সায়েমকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করান।
হামলাকারীরা তার পরিচিত এবং বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে সায়েম জানিয়েছে। ছাত্রশিবিরের ফেনী শহর সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম জানান, হামলার খবর পেয়ে ফেনীর জুলাই যোদ্ধারা হাসপাতাল পর্যন্ত ছুটে গিয়ে তার চিকিৎসা নিশ্চিত করেছেন এবং হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন। ফেনী জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মুফতি আব্দুল হান্নানও হাসপাতালে গিয়ে সায়েমের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রুবাইয়াত বিন করিম জানান, সায়েম উদ্দিন যথাযথ চিকিৎসা নিচ্ছেন এবং বর্তমানে হাসপাতালেই ভর্তি আছেন।
জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল বলেন, ঘটনার খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশ সুপারকে অনুরোধ করা হয়েছে। দাগনভুঁঞা থানার ওসি মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। হামলার অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা গ্রহণ ও জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই ঘটনার মাধ্যমে ফেনী অঞ্চলে রাজনৈতিক সহিংসতার চিত্র পুনরায় ফুটে উঠেছে। এছাড়াও, এটি স্থানীয় জনগণ এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি করেছে। সায়েম উদ্দিনের ওপর হামলার ঘটনায় এখনই দেখা দিয়েছে রাজনৈতিক সমালোচনা ও প্রতিবাদ, এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন