যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত নতুন বাণিজ্য চুক্তিতে বাংলাদেশকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হতে হবে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশ কোনো ‘নন-মার্কেট ইকোনমি’ দেশের সঙ্গে নতুন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বা অগ্রাধিকারমূলক চুক্তি করতে পারবে না। এতে চীনের মতো দেশগুলোর সঙ্গে নতুন ফ্রি ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট করা বা অন্যান্য বাণিজ্য চুক্তি করা কঠিন হয়ে গেছে। চুক্তিতে বলা হয়েছে, যদি বাংলাদেশ রাশিয়া বা চীনের সঙ্গে চুক্তি করে, যুক্তরাষ্ট্র ২০২৫ সালের ২ এপ্রিলের নির্বাহী আদেশ অনুযায়ী প্রযোজ্য পারস্পরিক শুল্ক হার পুনর্বহাল করতে পারে। এর ফলে গত বছর আরোপিত ৩৭ শতাংশ রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
এই শর্তের কারণে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতো প্রকল্পে রাশিয়ার সঙ্গে নতুন চুক্তি করা কঠিন হবে। চুক্তি বিদেশি বিনিয়োগ ও রপ্তানিতেও প্রভাব ফেলতে পারে, কারণ মার্কেট রেটের তুলনায় কম দামে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য রপ্তানি করলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের থাকবে। এতে চীনের মতো বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে অনীহা দেখাতে পারেন।
একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র থেকে কিছু পণ্যে শুল্কছাড় পাওয়ার সুবিধা থাকলেও দেশের অভ্যন্তরীণ শিল্প ও রাজস্ব আহরণে চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে। মেধাস্বত্ব ও আইপিআর সংক্রান্ত চুক্তি বাস্তবায়নও বাংলাদেশকে নতুন অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত চাপের মুখোমুখি করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই চুক্তি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নীতি এবং রাশিয়া-চীনের সঙ্গে সম্পর্ককে সীমিত করছে, নতুন বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি আমদানিতে জটিলতা সৃষ্টি করছে এবং অভ্যন্তরীণ শিল্পের সুরক্ষা কমাচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত নতুন বাণিজ্য চুক্তিতে বাংলাদেশকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হতে হবে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশ কোনো ‘নন-মার্কেট ইকোনমি’ দেশের সঙ্গে নতুন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বা অগ্রাধিকারমূলক চুক্তি করতে পারবে না। এতে চীনের মতো দেশগুলোর সঙ্গে নতুন ফ্রি ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট করা বা অন্যান্য বাণিজ্য চুক্তি করা কঠিন হয়ে গেছে। চুক্তিতে বলা হয়েছে, যদি বাংলাদেশ রাশিয়া বা চীনের সঙ্গে চুক্তি করে, যুক্তরাষ্ট্র ২০২৫ সালের ২ এপ্রিলের নির্বাহী আদেশ অনুযায়ী প্রযোজ্য পারস্পরিক শুল্ক হার পুনর্বহাল করতে পারে। এর ফলে গত বছর আরোপিত ৩৭ শতাংশ রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
এই শর্তের কারণে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতো প্রকল্পে রাশিয়ার সঙ্গে নতুন চুক্তি করা কঠিন হবে। চুক্তি বিদেশি বিনিয়োগ ও রপ্তানিতেও প্রভাব ফেলতে পারে, কারণ মার্কেট রেটের তুলনায় কম দামে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য রপ্তানি করলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের থাকবে। এতে চীনের মতো বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে অনীহা দেখাতে পারেন।
একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র থেকে কিছু পণ্যে শুল্কছাড় পাওয়ার সুবিধা থাকলেও দেশের অভ্যন্তরীণ শিল্প ও রাজস্ব আহরণে চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে। মেধাস্বত্ব ও আইপিআর সংক্রান্ত চুক্তি বাস্তবায়নও বাংলাদেশকে নতুন অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত চাপের মুখোমুখি করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই চুক্তি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নীতি এবং রাশিয়া-চীনের সঙ্গে সম্পর্ককে সীমিত করছে, নতুন বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি আমদানিতে জটিলতা সৃষ্টি করছে এবং অভ্যন্তরীণ শিল্পের সুরক্ষা কমাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন