কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে ১১ দলের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের একটি ষড়যন্ত্রমূলক পদক্ষেপ, যা ভোট চুরির পথ সুগম করার চেষ্টা। তিনি এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানান।
মঙ্গলবার দেবিদ্বার উপজেলার ভৈষেরকোট ঈদগাহ মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনি জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, “ভোট হওয়া উচিত উৎসবের মতো। কিন্তু ভোটের দিন ভোটারদের মোবাইল নেওয়া যাবে না—এটা গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। ভোট চুরির সময় যাতে কেউ প্রমাণ সংগ্রহ করতে না পারে, তাই মোবাইল নিষিদ্ধ করা হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “জুলাই মাসে আমরা দেখেছি, কয়েকটি মিডিয়া ছাড়া অনেকেই বলেছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক। কিন্তু সাধারণ মানুষ ও মোজো সাংবাদিকরাই সত্য খবর জনগণের কাছে পৌঁছে দিয়েছে। স্বাধীন সংবাদ প্রচার ও নাগরিক সাংবাদিকতার জন্য ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
এনসিপির এই নেতা অভিযোগ করেন, “প্রথমে বিএনসিসিকে বাদ দেওয়া হয়েছে, এখন মোবাইল সাংবাদিকদেরও বাদ দেওয়া হচ্ছে। এটি একটি ধারাবাহিকভাবে তথ্য দমন করার চেষ্টা।”
তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “এই অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত দ্রুত প্রত্যাহার করতে হবে। জনগণের ভোটাধিকার ও তথ্য জানার অধিকার নিশ্চিত না হলে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়।”
জনসভায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন এবং মোবাইল নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে ১১ দলের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের একটি ষড়যন্ত্রমূলক পদক্ষেপ, যা ভোট চুরির পথ সুগম করার চেষ্টা। তিনি এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানান।
মঙ্গলবার দেবিদ্বার উপজেলার ভৈষেরকোট ঈদগাহ মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনি জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, “ভোট হওয়া উচিত উৎসবের মতো। কিন্তু ভোটের দিন ভোটারদের মোবাইল নেওয়া যাবে না—এটা গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। ভোট চুরির সময় যাতে কেউ প্রমাণ সংগ্রহ করতে না পারে, তাই মোবাইল নিষিদ্ধ করা হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “জুলাই মাসে আমরা দেখেছি, কয়েকটি মিডিয়া ছাড়া অনেকেই বলেছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক। কিন্তু সাধারণ মানুষ ও মোজো সাংবাদিকরাই সত্য খবর জনগণের কাছে পৌঁছে দিয়েছে। স্বাধীন সংবাদ প্রচার ও নাগরিক সাংবাদিকতার জন্য ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
এনসিপির এই নেতা অভিযোগ করেন, “প্রথমে বিএনসিসিকে বাদ দেওয়া হয়েছে, এখন মোবাইল সাংবাদিকদেরও বাদ দেওয়া হচ্ছে। এটি একটি ধারাবাহিকভাবে তথ্য দমন করার চেষ্টা।”
তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “এই অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত দ্রুত প্রত্যাহার করতে হবে। জনগণের ভোটাধিকার ও তথ্য জানার অধিকার নিশ্চিত না হলে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়।”
জনসভায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন এবং মোবাইল নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

আপনার মতামত লিখুন