কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নির্বাচনী জনসভার প্রাক্কালে বিএনপির ধানের শীর্ষ প্রার্থী কামরুল হুদার পাশে দেখা গেছে সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা ও হত্যা মামলার আসামি সালাহউদ্দিন আহমেদ মজুমদারকে। জনসভা অনুষ্ঠিত হয় উজিরপুর ইউনিয়নের মিঞা বাজার লতিফুনেচ্ছা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে।
মাইক হাতে বক্তব্যে সালাহউদ্দিন মজুমদার জানান, যদি চৌদ্দগ্রামের বিএনপি নেতৃবৃন্দ তাকে গ্রহণ করে, তিনি আবার বিএনপিতে যোগ দিতে চান। তিনি ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি কামরুল হুদাকে ধানের শীষের মার্কায় ভোট দিয়ে বিজয়ী করার জন্য।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সালাহউদ্দিন আহমেদ মজুমদারের বিরুদ্ধে গত জুলাই গণঅভ্যুত্থানে চৌদ্দগ্রাম থানার সামনে ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় হত্যার দায় রয়েছে। ওই ঘটনায় ৫ আগস্ট শহীদ হন জামসেদুর রহমান। এছাড়া ২০১৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি নোয়াবাজারে যাত্রীবাহী বাসে পেট্রোলবোমা হামলায় ৮ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় তিনি ও তার ছেলে অভিযুক্ত ছিলেন।
গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে কুমিল্লা শহরের একটি গোপন আস্তানা থেকে গোয়েন্দা পুলিশ সালাহউদ্দিন এবং তার ছেলে যুবলীগ নেতা নেয়ামত উল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছিল। তবে স্বল্প সময়ের মধ্যে তারা জামিনে মুক্তি পান। স্থানীয়দের মতে, সাবেক ছাত্রশিবির নেতাদের ‘কথিত বন্দুকযুদ্ধে’ হত্যার ঘটনাতেও তার সম্পৃক্ততা ছিল।
সাংবাদিক ও সচেতন মহলের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, যেখানে জুলাই বিপ্লবের শহীদদের রক্তের দাগ এখনও শুকায়নি, সেখানে এই ধরনের অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ভোটের মাঠে ‘অভিভাবক’ হিসেবে গ্রহণ করা কতটা নৈতিক ও গ্রহণযোগ্য। অনেকেই এটি ‘ভোটের রাজনীতির নীতিহীন কৌশল’ হিসেবে দেখছেন।
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কামরুল হুদা ফোনে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। নির্বাচনের আগে সাবেক আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে বিএনপির এই মৈত্রী ভোট ব্যাংক বাড়াতে পারে, তবে স্থানীয় রাজনৈতিক চিত্রে নতুন উত্তেজনা ও বিতর্কও তৈরি করেছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নির্বাচনী জনসভার প্রাক্কালে বিএনপির ধানের শীর্ষ প্রার্থী কামরুল হুদার পাশে দেখা গেছে সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা ও হত্যা মামলার আসামি সালাহউদ্দিন আহমেদ মজুমদারকে। জনসভা অনুষ্ঠিত হয় উজিরপুর ইউনিয়নের মিঞা বাজার লতিফুনেচ্ছা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে।
মাইক হাতে বক্তব্যে সালাহউদ্দিন মজুমদার জানান, যদি চৌদ্দগ্রামের বিএনপি নেতৃবৃন্দ তাকে গ্রহণ করে, তিনি আবার বিএনপিতে যোগ দিতে চান। তিনি ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি কামরুল হুদাকে ধানের শীষের মার্কায় ভোট দিয়ে বিজয়ী করার জন্য।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সালাহউদ্দিন আহমেদ মজুমদারের বিরুদ্ধে গত জুলাই গণঅভ্যুত্থানে চৌদ্দগ্রাম থানার সামনে ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় হত্যার দায় রয়েছে। ওই ঘটনায় ৫ আগস্ট শহীদ হন জামসেদুর রহমান। এছাড়া ২০১৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি নোয়াবাজারে যাত্রীবাহী বাসে পেট্রোলবোমা হামলায় ৮ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় তিনি ও তার ছেলে অভিযুক্ত ছিলেন।
গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে কুমিল্লা শহরের একটি গোপন আস্তানা থেকে গোয়েন্দা পুলিশ সালাহউদ্দিন এবং তার ছেলে যুবলীগ নেতা নেয়ামত উল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছিল। তবে স্বল্প সময়ের মধ্যে তারা জামিনে মুক্তি পান। স্থানীয়দের মতে, সাবেক ছাত্রশিবির নেতাদের ‘কথিত বন্দুকযুদ্ধে’ হত্যার ঘটনাতেও তার সম্পৃক্ততা ছিল।
সাংবাদিক ও সচেতন মহলের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, যেখানে জুলাই বিপ্লবের শহীদদের রক্তের দাগ এখনও শুকায়নি, সেখানে এই ধরনের অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ভোটের মাঠে ‘অভিভাবক’ হিসেবে গ্রহণ করা কতটা নৈতিক ও গ্রহণযোগ্য। অনেকেই এটি ‘ভোটের রাজনীতির নীতিহীন কৌশল’ হিসেবে দেখছেন।
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কামরুল হুদা ফোনে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। নির্বাচনের আগে সাবেক আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে বিএনপির এই মৈত্রী ভোট ব্যাংক বাড়াতে পারে, তবে স্থানীয় রাজনৈতিক চিত্রে নতুন উত্তেজনা ও বিতর্কও তৈরি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন