জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৬ বাঁশখালী আসনে ১১ দলীয় জোট ও জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলামের পক্ষে এক নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকাল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত বাঁশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।
জনসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ, বীর বিক্রম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতা ও সাতকানিয়া-লোহাগড়া আসনের প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ শাহজাহান চৌধুরী এবং বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুফতি হারুন বিন ইজহার।
বাঁশখালী উপজেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইসমাইলের সভাপতিত্বে এবং দক্ষিণ জেলা জামায়াতের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মো. আবু নাসেরের সঞ্চালনায় জনসভায় আরও বক্তব্য দেন হযরত মাওলানা আল্লামা ইসহাক হুজর, মাওলানা শাহ আবদুর রহমান, মাওলানা মীম ছিদ্দিক ফারুকী, চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের আমির নজরুল ইসলাম, দক্ষিণ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ বদরুল হক, দক্ষিণ জেলা খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাওলানা মাহাবুবুর রহমান হানিফ, শ্রমিক কল্যাণ কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক এবং জামায়াতের সাবেক আমির অধ্যাপক জাফর সাদেকসহ ১১ দলীয় জোটের নেতারা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বলেন, তিনি অতীতে বাঁশখালীতে বহু সভা করলেও এবারের সমাবেশটি বড় আকারের বলে উল্লেখ করেন। তিনি অতীতের রাজনৈতিক দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও ব্যাংক লুটের অভিযোগ তুলে ধরে জনগণকে সেসব কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের ভোট না দেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে শান্তি, সমান অধিকার ও কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করতে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলামকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বিশেষ অতিথি আলহাজ শাহজাহান চৌধুরী বক্তব্যে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকার বিষয়ে মন্তব্য করেন এবং বাঁশখালীর মানুষের প্রশংসা করেন।
প্রধান বক্তা অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলাম আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে বাঁশখালীকে আধুনিক পর্যটনসমৃদ্ধ এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি বাঁশখালীতে বিশ্ববিদ্যালয়, স্টেডিয়াম, বাস টার্মিনাল, সমুদ্র সৈকত উন্নয়ন এবং ইকোপার্ক স্থাপনের বৃহৎ উন্নয়ন পরিকল্পনার ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে দুর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
জনসভায় উপস্থিত নেতারা নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে দলীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৬ বাঁশখালী আসনে ১১ দলীয় জোট ও জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলামের পক্ষে এক নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকাল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত বাঁশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।
জনসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ, বীর বিক্রম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতা ও সাতকানিয়া-লোহাগড়া আসনের প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ শাহজাহান চৌধুরী এবং বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুফতি হারুন বিন ইজহার।
বাঁশখালী উপজেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইসমাইলের সভাপতিত্বে এবং দক্ষিণ জেলা জামায়াতের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মো. আবু নাসেরের সঞ্চালনায় জনসভায় আরও বক্তব্য দেন হযরত মাওলানা আল্লামা ইসহাক হুজর, মাওলানা শাহ আবদুর রহমান, মাওলানা মীম ছিদ্দিক ফারুকী, চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের আমির নজরুল ইসলাম, দক্ষিণ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ বদরুল হক, দক্ষিণ জেলা খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাওলানা মাহাবুবুর রহমান হানিফ, শ্রমিক কল্যাণ কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক এবং জামায়াতের সাবেক আমির অধ্যাপক জাফর সাদেকসহ ১১ দলীয় জোটের নেতারা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বলেন, তিনি অতীতে বাঁশখালীতে বহু সভা করলেও এবারের সমাবেশটি বড় আকারের বলে উল্লেখ করেন। তিনি অতীতের রাজনৈতিক দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও ব্যাংক লুটের অভিযোগ তুলে ধরে জনগণকে সেসব কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের ভোট না দেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে শান্তি, সমান অধিকার ও কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করতে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলামকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বিশেষ অতিথি আলহাজ শাহজাহান চৌধুরী বক্তব্যে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকার বিষয়ে মন্তব্য করেন এবং বাঁশখালীর মানুষের প্রশংসা করেন।
প্রধান বক্তা অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলাম আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে বাঁশখালীকে আধুনিক পর্যটনসমৃদ্ধ এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি বাঁশখালীতে বিশ্ববিদ্যালয়, স্টেডিয়াম, বাস টার্মিনাল, সমুদ্র সৈকত উন্নয়ন এবং ইকোপার্ক স্থাপনের বৃহৎ উন্নয়ন পরিকল্পনার ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে দুর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
জনসভায় উপস্থিত নেতারা নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে দলীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন