মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের হুমকি এবং নতুন বাণিজ্য চুক্তির শর্ত মেনে ভারত রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে দিয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে সরবরাহের জন্য ইন্ডিয়ান অয়েল, ভারত পেট্রোলিয়াম এবং রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের মতো বড় শোধনাগারগুলো নতুন করে রুশ তেলের অর্ডার দেওয়া থেকে বিরত থাকছে। মূলত ওয়াশিংটনের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক বজায় রাখা এবং ভারতীয় পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক কমানোর লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত একটি বড় বাণিজ্য চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে, ভারত প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় তিনি ভারতীয় পণ্যের ওপর আরোপিত ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক প্রত্যাহার করেছেন। তবে ভারত সরকার এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে রুশ তেল কেনা পুরোপুরি বন্ধের ঘোষণা দেয়নি। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের বিপুল জনসংখ্যার জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা বিভিন্ন উৎস থেকে তেল আমদানির কৌশল বজায় রাখছে।
তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে ভারত দৈনিক ২০ লাখ ব্যারেলের বেশি রুশ তেল আমদানি করত, যা আগামী মার্চ মাসের মধ্যে ১০ লাখ ব্যারেলের নিচে নামিয়ে আনার প্রস্তুতি চলছে। গত ডিসেম্বরে ভারতের রুশ তেল গ্রহণ গত দুই বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। রাশিয়ার বিকল্প হিসেবে বর্তমানে ভারতীয় শোধনাগারগুলো মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা এবং দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলো থেকে তেল কেনার পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
এদিকে ট্রাম্পের আদেশে সতর্ক করা হয়েছে যে, ভারত যদি পুনরায় রাশিয়া থেকে বড় অংকের তেল কেনা শুরু করে, তবে মার্কিন কর্মকর্তারা তা পর্যবেক্ষণ করবেন এবং পুনরায় শুল্ক আরোপের সুপারিশ করবেন। রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীল বেসরকারি শোধনাগার ‘নায়ারা’ তাদের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখায় এপ্রিল মাসে তাদেরও রুশ তেল আমদানির কোনো পরিকল্পনা নেই। সামগ্রিকভাবে, মার্কিন চাপের মুখে ভারতের জ্বালানি আমদানির নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের হুমকি এবং নতুন বাণিজ্য চুক্তির শর্ত মেনে ভারত রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে দিয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে সরবরাহের জন্য ইন্ডিয়ান অয়েল, ভারত পেট্রোলিয়াম এবং রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের মতো বড় শোধনাগারগুলো নতুন করে রুশ তেলের অর্ডার দেওয়া থেকে বিরত থাকছে। মূলত ওয়াশিংটনের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক বজায় রাখা এবং ভারতীয় পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক কমানোর লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত একটি বড় বাণিজ্য চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে, ভারত প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় তিনি ভারতীয় পণ্যের ওপর আরোপিত ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক প্রত্যাহার করেছেন। তবে ভারত সরকার এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে রুশ তেল কেনা পুরোপুরি বন্ধের ঘোষণা দেয়নি। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের বিপুল জনসংখ্যার জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা বিভিন্ন উৎস থেকে তেল আমদানির কৌশল বজায় রাখছে।
তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে ভারত দৈনিক ২০ লাখ ব্যারেলের বেশি রুশ তেল আমদানি করত, যা আগামী মার্চ মাসের মধ্যে ১০ লাখ ব্যারেলের নিচে নামিয়ে আনার প্রস্তুতি চলছে। গত ডিসেম্বরে ভারতের রুশ তেল গ্রহণ গত দুই বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। রাশিয়ার বিকল্প হিসেবে বর্তমানে ভারতীয় শোধনাগারগুলো মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা এবং দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলো থেকে তেল কেনার পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
এদিকে ট্রাম্পের আদেশে সতর্ক করা হয়েছে যে, ভারত যদি পুনরায় রাশিয়া থেকে বড় অংকের তেল কেনা শুরু করে, তবে মার্কিন কর্মকর্তারা তা পর্যবেক্ষণ করবেন এবং পুনরায় শুল্ক আরোপের সুপারিশ করবেন। রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীল বেসরকারি শোধনাগার ‘নায়ারা’ তাদের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখায় এপ্রিল মাসে তাদেরও রুশ তেল আমদানির কোনো পরিকল্পনা নেই। সামগ্রিকভাবে, মার্কিন চাপের মুখে ভারতের জ্বালানি আমদানির নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন