চুয়াডাঙ্গায় অপরাধ দমন, মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জেলা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভা রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন। তিনি জানান, জেলায় যৌথ বাহিনী ও পুলিশের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত জানুয়ারিতে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ১টি লোহার চাপাতি, ১টি অ্যান্টি-কাটার এবং পুলিশের অভিযান থেকে ১টি চাইনিজ কুড়াল উদ্ধার করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক বলেন, "নির্বাচনকে সামনে রেখে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে ঢেলে সাজানো হয়েছে। পরিস্থিতি যেন সম্পূর্ণ স্বাভাবিক থাকে, সেই লক্ষ্যে আমরা নিরলস কাজ করছি।"
মাদকদ্রব্য ও তামাকজাত পণ্যের বিস্তার রোধে তিনি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, "তামাক চাষ নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। সার সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে এবং বিকল্প চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে।"
উপজেলা পর্যায়ের সমস্যা সমাধানে জেলা প্রশাসক উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসকদের সমন্বয় করে কাজ করার নির্দেশ দেন। তিনি ত্বরিত ও আলোচনামূলক সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডাঃ হাদী জিয়া উদ্দীন আহ্মদে, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, আনসার ও ভিডিপি জেলা কমান্ড্যান্ট মোহাম্মদ আজিজুল হক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মাসুদুর রহমান সরকার, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফরহাদুর রেজা, উপজেলা প্রশাসকগণ, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি এবং সাংবাদিকবৃন্দ।
সভায় বক্তারা জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং মাদক ও তামাকমুক্ত সমাজ গঠনের জন্য প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চুয়াডাঙ্গায় অপরাধ দমন, মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জেলা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভা রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন। তিনি জানান, জেলায় যৌথ বাহিনী ও পুলিশের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত জানুয়ারিতে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ১টি লোহার চাপাতি, ১টি অ্যান্টি-কাটার এবং পুলিশের অভিযান থেকে ১টি চাইনিজ কুড়াল উদ্ধার করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক বলেন, "নির্বাচনকে সামনে রেখে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে ঢেলে সাজানো হয়েছে। পরিস্থিতি যেন সম্পূর্ণ স্বাভাবিক থাকে, সেই লক্ষ্যে আমরা নিরলস কাজ করছি।"
মাদকদ্রব্য ও তামাকজাত পণ্যের বিস্তার রোধে তিনি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, "তামাক চাষ নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। সার সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে এবং বিকল্প চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে।"
উপজেলা পর্যায়ের সমস্যা সমাধানে জেলা প্রশাসক উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসকদের সমন্বয় করে কাজ করার নির্দেশ দেন। তিনি ত্বরিত ও আলোচনামূলক সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডাঃ হাদী জিয়া উদ্দীন আহ্মদে, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, আনসার ও ভিডিপি জেলা কমান্ড্যান্ট মোহাম্মদ আজিজুল হক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মাসুদুর রহমান সরকার, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফরহাদুর রেজা, উপজেলা প্রশাসকগণ, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি এবং সাংবাদিকবৃন্দ।
সভায় বক্তারা জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং মাদক ও তামাকমুক্ত সমাজ গঠনের জন্য প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন