যশোর শহরের চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও যুবলীগ নামধারী আলোচিত ক্যাডার আরিফের বাড়িতে মধ্যরাতে ঝটিকা অভিযান চালিয়েছে যৌথ বাহিনী। অভিযানে বিদেশি পিস্তল, ম্যাগজিন, গুলি, ধারালো অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ মদ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে অভিযানের খবর টের পেয়ে প্রধান অভিযুক্ত আরিফ পালিয়ে গেলেও তার দুই ভাই ও তাদের স্ত্রীদের আটক করা হয়েছে।
শনিবার দিবাগত রাত ১২টার পর যশোর শহরের ঢাকারোড বিসিএমসি কলেজ সংলগ্ন আরিফের বাড়িতে অভিযান শুরু হয়। প্রায় আড়াই ঘণ্টাব্যাপী এই অভিযানে ২টি বিদেশি পিস্তল, ২টি ম্যাগজিন, ১ রাউন্ড গুলি, ১ বক্স এয়ারগানের গুলি, ২টি চাপাতি, ২টি চাকু, ১টি টেলিস্কোপ, ৫ বোতল বিদেশি মদ ও ২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
অভিযান চলাকালে প্রধান অভিযুক্ত আরিফ কৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। ঘটনাস্থল থেকে তার দুই ভাই জোয়েব হাসান সাকি ও জাকির হোসেন সাগরকে আটক করা হয়। পাশাপাশি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরিফের স্ত্রী লোপা খাতুন এবং সাগরের স্ত্রী তাহেরা আক্তার তানিয়াকেও আটক করে যৌথ বাহিনী। রাত সাড়ে চারটার দিকে আটক সবাইকে যশোর কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করা হয়।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আরিফ ও তার ভাইয়েরা এলাকায় প্রভাবশালী ও দাপুটে ক্যাডার হিসেবে পরিচিত ছিলেন। আরিফ ছিলেন সাবেক এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারের একটি অংশের বাহিনী প্রধান। এছাড়া তারা শাহীন চাকলাদারের ভাই ফন্টু চাকলাদারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবেও পরিচিত। তাদের বিরুদ্ধে যুবলীগের নাম ভাঙিয়ে অস্ত্র ব্যবসা, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজিসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। এর আগেও একাধিকবার তারা অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।
যশোর কোতোয়ালি থানা পুলিশ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের থানা হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পলাতক আরিফকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
যশোর শহরের চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও যুবলীগ নামধারী আলোচিত ক্যাডার আরিফের বাড়িতে মধ্যরাতে ঝটিকা অভিযান চালিয়েছে যৌথ বাহিনী। অভিযানে বিদেশি পিস্তল, ম্যাগজিন, গুলি, ধারালো অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ মদ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে অভিযানের খবর টের পেয়ে প্রধান অভিযুক্ত আরিফ পালিয়ে গেলেও তার দুই ভাই ও তাদের স্ত্রীদের আটক করা হয়েছে।
শনিবার দিবাগত রাত ১২টার পর যশোর শহরের ঢাকারোড বিসিএমসি কলেজ সংলগ্ন আরিফের বাড়িতে অভিযান শুরু হয়। প্রায় আড়াই ঘণ্টাব্যাপী এই অভিযানে ২টি বিদেশি পিস্তল, ২টি ম্যাগজিন, ১ রাউন্ড গুলি, ১ বক্স এয়ারগানের গুলি, ২টি চাপাতি, ২টি চাকু, ১টি টেলিস্কোপ, ৫ বোতল বিদেশি মদ ও ২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
অভিযান চলাকালে প্রধান অভিযুক্ত আরিফ কৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। ঘটনাস্থল থেকে তার দুই ভাই জোয়েব হাসান সাকি ও জাকির হোসেন সাগরকে আটক করা হয়। পাশাপাশি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরিফের স্ত্রী লোপা খাতুন এবং সাগরের স্ত্রী তাহেরা আক্তার তানিয়াকেও আটক করে যৌথ বাহিনী। রাত সাড়ে চারটার দিকে আটক সবাইকে যশোর কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করা হয়।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আরিফ ও তার ভাইয়েরা এলাকায় প্রভাবশালী ও দাপুটে ক্যাডার হিসেবে পরিচিত ছিলেন। আরিফ ছিলেন সাবেক এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারের একটি অংশের বাহিনী প্রধান। এছাড়া তারা শাহীন চাকলাদারের ভাই ফন্টু চাকলাদারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবেও পরিচিত। তাদের বিরুদ্ধে যুবলীগের নাম ভাঙিয়ে অস্ত্র ব্যবসা, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজিসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। এর আগেও একাধিকবার তারা অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।
যশোর কোতোয়ালি থানা পুলিশ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের থানা হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পলাতক আরিফকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন