ভারতে ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার বৈষম্যমূলক নীতি ও উসকানিমূলক বক্তব্যের মাধ্যমে ধর্মীয় সংখ্যালঘু, বিশেষ করে মুসলমানদের লক্ষ্যবস্তু করেছে। ‘অবৈধ অভিবাসী’ আখ্যা দিয়ে শত শত বাংলা ভাষাভাষী মুসলমান ও রোহিঙ্গা শরণার্থীকে কোনো আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই দেশ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিস্ময়কর তথ্য হলো, বহিষ্কৃতদের মধ্যে অনেক বৈধ ভারতীয় নাগরিকও ছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও মুসলমানদের ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বেআইনিভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়ার (বুলডোজার অ্যাকশন) ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে যে এসব স্থাপনা অবৈধ, কিন্তু এইচআরডব্লিউ এটিকে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে একটি ‘সামষ্টিক শাস্তি’ হিসেবে অভিহিত করেছে।
সরকারের সমালোচনা করলেই কঠোর দমন-পীড়নের শিকার হতে হচ্ছে। গণমাধ্যমকে সরকারের অনুকূলে খবর প্রকাশে চাপ দেওয়া হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্যের জন্য ধরপাকড়, শিক্ষাবিদ ও ব্যঙ্গকারদের বিরুদ্ধে মামলা এবং কঠোর সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অপব্যবহারের মাধ্যমে ভিন্নমতাবলম্বীদের কণ্ঠ রোধ করা হচ্ছে।
প্রতিবেদনে গত বছরের এপ্রিল মাসে জম্মু ও কাশ্মীরে পর্যটকদের ওপর হামলার পরবর্তী সংঘাত এবং এর জেরে স্বাধীন গণমাধ্যম ও বিশ্লেষকদের ওপর বিধিনিষেধের কথা বলা হয়েছে। এছাড়া লাদাখে স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে বিক্ষোভে পুলিশের গুলিতে চারজনের মৃত্যু এবং জলবায়ু কর্মী সোনম ওয়াংচুককে বিতর্কিত জাতীয় নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তারের সমালোচনা করা হয়েছে।
এইচআরডব্লিউ-এর এশিয়া পরিচালক এলেইন পিয়ারসন জানিয়েছেন, ভারত সরকার বৈষম্যমূলক নীতির মাধ্যমে সহিংসতাকে স্বাভাবিক করে তুলেছে, যা বিশ্বমঞ্চে দেশটির গণতান্ত্রিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে। সংস্থাটি অবিলম্বে এসব দমন-পীড়ন বন্ধ এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলাগুলো প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভারতে ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার বৈষম্যমূলক নীতি ও উসকানিমূলক বক্তব্যের মাধ্যমে ধর্মীয় সংখ্যালঘু, বিশেষ করে মুসলমানদের লক্ষ্যবস্তু করেছে। ‘অবৈধ অভিবাসী’ আখ্যা দিয়ে শত শত বাংলা ভাষাভাষী মুসলমান ও রোহিঙ্গা শরণার্থীকে কোনো আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই দেশ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিস্ময়কর তথ্য হলো, বহিষ্কৃতদের মধ্যে অনেক বৈধ ভারতীয় নাগরিকও ছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও মুসলমানদের ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বেআইনিভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়ার (বুলডোজার অ্যাকশন) ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে যে এসব স্থাপনা অবৈধ, কিন্তু এইচআরডব্লিউ এটিকে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে একটি ‘সামষ্টিক শাস্তি’ হিসেবে অভিহিত করেছে।
সরকারের সমালোচনা করলেই কঠোর দমন-পীড়নের শিকার হতে হচ্ছে। গণমাধ্যমকে সরকারের অনুকূলে খবর প্রকাশে চাপ দেওয়া হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্যের জন্য ধরপাকড়, শিক্ষাবিদ ও ব্যঙ্গকারদের বিরুদ্ধে মামলা এবং কঠোর সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অপব্যবহারের মাধ্যমে ভিন্নমতাবলম্বীদের কণ্ঠ রোধ করা হচ্ছে।
প্রতিবেদনে গত বছরের এপ্রিল মাসে জম্মু ও কাশ্মীরে পর্যটকদের ওপর হামলার পরবর্তী সংঘাত এবং এর জেরে স্বাধীন গণমাধ্যম ও বিশ্লেষকদের ওপর বিধিনিষেধের কথা বলা হয়েছে। এছাড়া লাদাখে স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে বিক্ষোভে পুলিশের গুলিতে চারজনের মৃত্যু এবং জলবায়ু কর্মী সোনম ওয়াংচুককে বিতর্কিত জাতীয় নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তারের সমালোচনা করা হয়েছে।
এইচআরডব্লিউ-এর এশিয়া পরিচালক এলেইন পিয়ারসন জানিয়েছেন, ভারত সরকার বৈষম্যমূলক নীতির মাধ্যমে সহিংসতাকে স্বাভাবিক করে তুলেছে, যা বিশ্বমঞ্চে দেশটির গণতান্ত্রিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে। সংস্থাটি অবিলম্বে এসব দমন-পীড়ন বন্ধ এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলাগুলো প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন