নির্বাচনী হলফনামায় তথ্য গোপন এবং প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত ডিগ্রি না থাকা সত্ত্বেও নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করায় ফেনী-৩ (সোনাগাজী-দাগনভূঞা) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিককে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির দায়িত্বপালনকারী যুগ্ম জেলা জজ সাজ্জাতুন নেছা এই আদেশ জারি করেন।
নোটিশে বলা হয়েছে, মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিক তার নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহৃত লিফলেট, ব্যানার ও ফেস্টুনে নিয়মিত ‘ডা.’ পদবি ব্যবহার করছেন। অথচ তার দাখিলকৃত হলফনামায় এই পদবি বা সংশ্লিষ্ট কোনো যোগ্যতার উল্লেখ নেই। বিএমডিসি (বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল) আইন অনুযায়ী, ন্যূনতম এমবিবিএস বা বিডিএস ডিগ্রি ছাড়া নামের আগে ডাক্তার পদবি ব্যবহার করা দণ্ডনীয় অপরাধ। এছাড়া গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২–এর অনুচ্ছেদ ৭৭ (৩) (খ) অনুযায়ী এটি নির্বাচনী আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
আগামীকাল ৮ ফেব্রুয়ারি বেলা সাড়ে ১১টায় তাকে সশরীরে উপস্থিত হয়ে এই বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, উচ্চ আদালত ইতিপূর্বেই এক রায়ে স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, বিএমডিসি নিবন্ধিত চিকিৎসক ছাড়া অন্য কেউ নামের আগে ‘ডাক্তার’ লিখতে পারবেন না। এই আদেশ অমান্য করলে ৩ বছরের কারাদণ্ড বা ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।
ফেনী-৩ আসনে ভোটের মাঠ এমনিতেই উত্তপ্ত। এর আগে এই প্রার্থীর বিরুদ্ধে নাশকতার মামলা ও তথ্য গোপনের অভিযোগ তুলেছিলেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা। এই শোকজের ফলে তার প্রার্থিতা বা প্রচারণায় কোনো আইনি জটিলতা তৈরি হয় কি না, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নির্বাচনী হলফনামায় তথ্য গোপন এবং প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত ডিগ্রি না থাকা সত্ত্বেও নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করায় ফেনী-৩ (সোনাগাজী-দাগনভূঞা) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিককে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির দায়িত্বপালনকারী যুগ্ম জেলা জজ সাজ্জাতুন নেছা এই আদেশ জারি করেন।
নোটিশে বলা হয়েছে, মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিক তার নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহৃত লিফলেট, ব্যানার ও ফেস্টুনে নিয়মিত ‘ডা.’ পদবি ব্যবহার করছেন। অথচ তার দাখিলকৃত হলফনামায় এই পদবি বা সংশ্লিষ্ট কোনো যোগ্যতার উল্লেখ নেই। বিএমডিসি (বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল) আইন অনুযায়ী, ন্যূনতম এমবিবিএস বা বিডিএস ডিগ্রি ছাড়া নামের আগে ডাক্তার পদবি ব্যবহার করা দণ্ডনীয় অপরাধ। এছাড়া গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২–এর অনুচ্ছেদ ৭৭ (৩) (খ) অনুযায়ী এটি নির্বাচনী আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
আগামীকাল ৮ ফেব্রুয়ারি বেলা সাড়ে ১১টায় তাকে সশরীরে উপস্থিত হয়ে এই বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, উচ্চ আদালত ইতিপূর্বেই এক রায়ে স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, বিএমডিসি নিবন্ধিত চিকিৎসক ছাড়া অন্য কেউ নামের আগে ‘ডাক্তার’ লিখতে পারবেন না। এই আদেশ অমান্য করলে ৩ বছরের কারাদণ্ড বা ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।
ফেনী-৩ আসনে ভোটের মাঠ এমনিতেই উত্তপ্ত। এর আগে এই প্রার্থীর বিরুদ্ধে নাশকতার মামলা ও তথ্য গোপনের অভিযোগ তুলেছিলেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা। এই শোকজের ফলে তার প্রার্থিতা বা প্রচারণায় কোনো আইনি জটিলতা তৈরি হয় কি না, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

আপনার মতামত লিখুন