বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান উত্তরাঞ্চলে নির্বাচনী সফরে দিনাজপুরের বিরামপুর সরকারি কলেজ মাঠে বিশাল জনসভায় অংশগ্রহণ করেছেন। জনসভায় তিনি দলের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা ঘোষণা করেন।
তিনি বলেন, দিনাজপুর একটি কৃষিপ্রধান অঞ্চল এবং এখানকার অধিকাংশ মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। বিগত সরকারের সময়ে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য ও প্রয়োজনীয় সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তাই বিএনপি ক্ষমতায় এলে কৃষকদের ঋণ ও সুদ সম্পূর্ণ মওকুফ করা হবে। পাশাপাশি কৃষকদের সহায়তায় ‘কৃষি কার্ড’ চালু করা হবে, যা সহজ শর্তে সার, বীজ ও অন্যান্য কৃষি উপকরণ সরবরাহ নিশ্চিত করবে।
তারেক রহমান আরও জানান, কৃষকদের উৎপাদন খরচ কমাতে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা করা হবে। কৃষিপণ্য সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য শিল্পকারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া লিচু, ধান ও কাঁটারি চালসহ স্থানীয় কৃষিপণ্য বিদেশে রপ্তানির উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হন।
নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও পরিবারের কল্যাণে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর ঘোষণা দেন তিনি। এই কার্ডের মাধ্যমে নারীরা প্রতি মাসে সরকারি সহায়তা পাবেন। তিনি বলেন, “নারীরা শক্তিশালী হলে পরিবার ও সমাজ শক্তিশালী হবে।”
স্বাস্থ্য খাতে প্রত্যন্ত অঞ্চলে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের ঘোষণা দেন তিনি, যাতে ঘরে ঘরে চিকিৎসাসেবা পৌঁছানো সম্ভব হয়। শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রদান এবং ডিজিটাল শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য প্রত্যেক শিক্ষককে কম্পিউটার দেওয়া হবে।
তিনি আরো বলেন, বিএনপি সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে একটি শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়তে চায়। দেশের নাগরিকদের পরিচয় হবে যোগ্যতার ওপর ভিত্তি করে, ধর্মের ওপর নয়। নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও দলের অঙ্গীকারের অংশ।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে জনতাকে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তারেক রহমান বলেন, দেশের মালিক জনগণ এবং জনগণের ভোট ও সমর্থনেই একটি গণতান্ত্রিক ও উন্নত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব।
জনসভায় বিএনপির স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী এবং সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান উত্তরাঞ্চলে নির্বাচনী সফরে দিনাজপুরের বিরামপুর সরকারি কলেজ মাঠে বিশাল জনসভায় অংশগ্রহণ করেছেন। জনসভায় তিনি দলের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা ঘোষণা করেন।
তিনি বলেন, দিনাজপুর একটি কৃষিপ্রধান অঞ্চল এবং এখানকার অধিকাংশ মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। বিগত সরকারের সময়ে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য ও প্রয়োজনীয় সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তাই বিএনপি ক্ষমতায় এলে কৃষকদের ঋণ ও সুদ সম্পূর্ণ মওকুফ করা হবে। পাশাপাশি কৃষকদের সহায়তায় ‘কৃষি কার্ড’ চালু করা হবে, যা সহজ শর্তে সার, বীজ ও অন্যান্য কৃষি উপকরণ সরবরাহ নিশ্চিত করবে।
তারেক রহমান আরও জানান, কৃষকদের উৎপাদন খরচ কমাতে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা করা হবে। কৃষিপণ্য সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য শিল্পকারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া লিচু, ধান ও কাঁটারি চালসহ স্থানীয় কৃষিপণ্য বিদেশে রপ্তানির উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হন।
নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও পরিবারের কল্যাণে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর ঘোষণা দেন তিনি। এই কার্ডের মাধ্যমে নারীরা প্রতি মাসে সরকারি সহায়তা পাবেন। তিনি বলেন, “নারীরা শক্তিশালী হলে পরিবার ও সমাজ শক্তিশালী হবে।”
স্বাস্থ্য খাতে প্রত্যন্ত অঞ্চলে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের ঘোষণা দেন তিনি, যাতে ঘরে ঘরে চিকিৎসাসেবা পৌঁছানো সম্ভব হয়। শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রদান এবং ডিজিটাল শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য প্রত্যেক শিক্ষককে কম্পিউটার দেওয়া হবে।
তিনি আরো বলেন, বিএনপি সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে একটি শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়তে চায়। দেশের নাগরিকদের পরিচয় হবে যোগ্যতার ওপর ভিত্তি করে, ধর্মের ওপর নয়। নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও দলের অঙ্গীকারের অংশ।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে জনতাকে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তারেক রহমান বলেন, দেশের মালিক জনগণ এবং জনগণের ভোট ও সমর্থনেই একটি গণতান্ত্রিক ও উন্নত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব।
জনসভায় বিএনপির স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী এবং সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন