জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশকে বর্তমানের স্থবিরতা থেকে বের করে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হলে এখন একজন দূরদর্শী ও সৎ নেতৃত্বের প্রয়োজন। শনিবার মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে নামমাত্র নয় বরং একটি পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপান্তর করা হবে এবং ম্যানচেস্টারসহ বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোর সঙ্গে সরাসরি ও নিয়মিত ফ্লাইট নিশ্চিত করা হবে।
দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, দুর্নীতি দূর হলেই দেশের উৎপাদনশীলতা ও অর্থনীতিতে গতি আসবে। ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে তরুণদের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি উল্লেখ করেন যে, এই যুবকরাই বাংলাদেশের প্রকৃত ভবিষ্যৎ। কুলাউড়াকে নিজের জন্মভূমি হিসেবে উল্লেখ করে তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করেন যে, দীর্ঘ সময় ধরে এই এলাকা কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত রয়েছে। তিনি স্থানীয়দের আশ্বস্ত করেন যে, জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার সায়েদ আলী নির্বাচিত হলে তিনি নিজে ‘ছায়া এমপি’ হিসেবে এলাকার উন্নয়নে সরাসরি ভূমিকা রাখবেন।
বিশেষ করে চা-শ্রমিকদের বিষয়ে তিনি অত্যন্ত আবেগপূর্ণ বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, চা-শ্রমিকদের অবহেলা করার কোনো সুযোগ নেই এবং তাদের সন্তানদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব। তিনি এমন এক বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যেখানে একজন চা-শ্রমিকের সন্তানও দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখতে পারবে। জনসভায় তিনি মৌলভীবাজার-১ ও ২ আসনের জামায়াত প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিয়ে তাদের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশকে বর্তমানের স্থবিরতা থেকে বের করে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হলে এখন একজন দূরদর্শী ও সৎ নেতৃত্বের প্রয়োজন। শনিবার মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে নামমাত্র নয় বরং একটি পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপান্তর করা হবে এবং ম্যানচেস্টারসহ বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোর সঙ্গে সরাসরি ও নিয়মিত ফ্লাইট নিশ্চিত করা হবে।
দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, দুর্নীতি দূর হলেই দেশের উৎপাদনশীলতা ও অর্থনীতিতে গতি আসবে। ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে তরুণদের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি উল্লেখ করেন যে, এই যুবকরাই বাংলাদেশের প্রকৃত ভবিষ্যৎ। কুলাউড়াকে নিজের জন্মভূমি হিসেবে উল্লেখ করে তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করেন যে, দীর্ঘ সময় ধরে এই এলাকা কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত রয়েছে। তিনি স্থানীয়দের আশ্বস্ত করেন যে, জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার সায়েদ আলী নির্বাচিত হলে তিনি নিজে ‘ছায়া এমপি’ হিসেবে এলাকার উন্নয়নে সরাসরি ভূমিকা রাখবেন।
বিশেষ করে চা-শ্রমিকদের বিষয়ে তিনি অত্যন্ত আবেগপূর্ণ বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, চা-শ্রমিকদের অবহেলা করার কোনো সুযোগ নেই এবং তাদের সন্তানদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব। তিনি এমন এক বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যেখানে একজন চা-শ্রমিকের সন্তানও দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখতে পারবে। জনসভায় তিনি মৌলভীবাজার-১ ও ২ আসনের জামায়াত প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিয়ে তাদের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন।

আপনার মতামত লিখুন