ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৪৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আজ শুক্রবার জুমার নামাজের পরপরই গোটা উল্লাপাড়া পৌর শহর যেন এক অনন্য উদ্দীপনায় মুখরিত হয়ে ওঠে। চারদিক থেকে ভেসে আসে বজ্রকণ্ঠের “আল্লাহু আকবার” ধ্বনি—যা মুহূর্তেই প্রকম্পিত করে তোলে পুরো শহরকে। কিশোর ও তরুণদের বিপুল অংশগ্রহণে ছাত্রশিবিরের কর্মীরা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মিছিল নিয়ে পৌর শহরের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়লে উল্লাপাড়া শহর যেন প্লাবিত হয়ে পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত উৎসবস্থলে।
বিপুল উপস্থিতি থাকলেও কোথাও ছিল না বিশৃঙ্খলা কিংবা অযাচিত হৈ-হুল্লোড়। বরং শৃঙ্খলা, সংযম ও সৌজন্যের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে পুরো কর্মসূচি সম্পন্ন হয়। উৎসবমুখর ধ্বনি, হাসিমুখ আর শালীন আচরণ—সব মিলিয়ে কিছু সময়ের জন্য হলেও শহরের বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে এক স্বস্তির আবেশ।
এই দৃশ্য প্রত্যক্ষ করা সাধারণ মানুষের কাছে শুধু একটি বার্ষিকী উদযাপনই নয়, বরং এটি ছিল একটি সুস্পষ্ট বার্তা—আগামী দিনে ছাত্রশিবিরের উপস্থিতি কতটা শক্তিশালী ও সংগঠিত হতে যাচ্ছে, তারই ইঙ্গিত। ইতোমধ্যে দেশের প্রতিটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবিরের বিজয়ের ধারাবাহিকতা সেই বাস্তবতাকেই আরও জোরালোভাবে প্রমাণ করেছে।
উল্লাপাড়া শহরে আজকের এই সুশৃঙ্খল, উৎসবমুখর উপস্থিতি যেন আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে একটি গভীর বার্তা দিয়ে গেল শহরের সর্বস্তরের মানুষের মনে। এই আয়োজনে যে প্রশান্তি, স্বতঃস্ফূর্ততা ও জনসম্পৃক্ততার ছাপ লক্ষ্য করা গেছে—তা অনেকের কাছেই আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে ব্যাপক সমর্থনের এক আগাম বহিঃপ্রকাশ বলেই প্রতীয়মান হয়েছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৪৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আজ শুক্রবার জুমার নামাজের পরপরই গোটা উল্লাপাড়া পৌর শহর যেন এক অনন্য উদ্দীপনায় মুখরিত হয়ে ওঠে। চারদিক থেকে ভেসে আসে বজ্রকণ্ঠের “আল্লাহু আকবার” ধ্বনি—যা মুহূর্তেই প্রকম্পিত করে তোলে পুরো শহরকে। কিশোর ও তরুণদের বিপুল অংশগ্রহণে ছাত্রশিবিরের কর্মীরা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মিছিল নিয়ে পৌর শহরের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়লে উল্লাপাড়া শহর যেন প্লাবিত হয়ে পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত উৎসবস্থলে।
বিপুল উপস্থিতি থাকলেও কোথাও ছিল না বিশৃঙ্খলা কিংবা অযাচিত হৈ-হুল্লোড়। বরং শৃঙ্খলা, সংযম ও সৌজন্যের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে পুরো কর্মসূচি সম্পন্ন হয়। উৎসবমুখর ধ্বনি, হাসিমুখ আর শালীন আচরণ—সব মিলিয়ে কিছু সময়ের জন্য হলেও শহরের বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে এক স্বস্তির আবেশ।
এই দৃশ্য প্রত্যক্ষ করা সাধারণ মানুষের কাছে শুধু একটি বার্ষিকী উদযাপনই নয়, বরং এটি ছিল একটি সুস্পষ্ট বার্তা—আগামী দিনে ছাত্রশিবিরের উপস্থিতি কতটা শক্তিশালী ও সংগঠিত হতে যাচ্ছে, তারই ইঙ্গিত। ইতোমধ্যে দেশের প্রতিটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবিরের বিজয়ের ধারাবাহিকতা সেই বাস্তবতাকেই আরও জোরালোভাবে প্রমাণ করেছে।
উল্লাপাড়া শহরে আজকের এই সুশৃঙ্খল, উৎসবমুখর উপস্থিতি যেন আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে একটি গভীর বার্তা দিয়ে গেল শহরের সর্বস্তরের মানুষের মনে। এই আয়োজনে যে প্রশান্তি, স্বতঃস্ফূর্ততা ও জনসম্পৃক্ততার ছাপ লক্ষ্য করা গেছে—তা অনেকের কাছেই আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে ব্যাপক সমর্থনের এক আগাম বহিঃপ্রকাশ বলেই প্রতীয়মান হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন