দীর্ঘ ১৮ বছরের অবরুদ্ধ গাজ্জা উপত্যকায় ইসরায়েলি কৃত্রিম দুর্ভিক্ষ ও মানবিক বিপর্যয় মোকাবিলায় ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ পুনরায় তাদের যাত্রার ঘোষণা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) মিডল ইস্ট মনিটর জানায়, পূর্বের তুলনায় আরও বিশাল পরিসরে আগামী ২৯ মার্চ স্পেনের বার্সেলোনা থেকে এই ঐতিহাসিক নৌ-অভিযান শুরু হবে। এবারের মিশনে ১ হাজারের বেশি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীসহ হাজারো অ্যাক্টিভিস্ট যুক্ত হচ্ছেন, যা গাজ্জার ইতিহাসে অন্যতম বড় বৈশ্বিক নাগরিক উদ্যোগ হতে যাচ্ছে।
সাউথ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে এক সংবাদ সম্মেলনে সুমুদ অ্যাক্টিভিস্ট সুমাইরা আকদেনিজ ওর্দু জানান, বার্সেলোনা থেকে যাত্রা শুরুর পর তিউনিসিয়া ও ইতালিসহ ভূমধ্যসাগরীয় বিভিন্ন বন্দর থেকে আরও জাহাজ এই বহরে যুক্ত হবে। এবারের বিশেষত্ব হলো, নৌ-বহরের পাশাপাশি ‘সুমুদ ল্যান্ড কনভয়’ নামে একটি স্থলপথের অভিযানও শুরু হচ্ছে। এই স্থল-বহরটি উত্তর আফ্রিকা থেকে মিশরের রাফাহ সীমান্ত অভিমুখে যাত্রা করবে। এছাড়া দক্ষিণ এশিয়া থেকেও একটি পৃথক স্থল-বহর গাজ্জার উদ্দেশ্যে রওনা হবে, যার বিস্তারিত শীঘ্রই জানানো হবে বলে জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের অক্টোবরে সুমুদ মিশনের প্রথম বহরটি ইসরায়েলি নৌবাহিনীর বর্বর হামলার শিকার হয়েছিল। সে সময় গ্রেটা থুনবার্গসহ ৪৫০ জন অ্যাক্টিভিস্টকে আটক এবং বিপুল পরিমাণ ত্রাণ সামগ্রী জব্দ করা হয়। বর্তমানে গাজ্জার রাফাহ সীমান্ত কার্যত বন্ধ থাকায় উপত্যকাটি ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের কবলে পড়েছে। গত ২০ মাসে ইসরায়েলি হামলায় ৭১ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এই সংকটময় মুহূর্তে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম জানিয়েছেন, তাঁর সরকার এবার সরাসরি এই মিশনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দীর্ঘ ১৮ বছরের অবরুদ্ধ গাজ্জা উপত্যকায় ইসরায়েলি কৃত্রিম দুর্ভিক্ষ ও মানবিক বিপর্যয় মোকাবিলায় ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ পুনরায় তাদের যাত্রার ঘোষণা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) মিডল ইস্ট মনিটর জানায়, পূর্বের তুলনায় আরও বিশাল পরিসরে আগামী ২৯ মার্চ স্পেনের বার্সেলোনা থেকে এই ঐতিহাসিক নৌ-অভিযান শুরু হবে। এবারের মিশনে ১ হাজারের বেশি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীসহ হাজারো অ্যাক্টিভিস্ট যুক্ত হচ্ছেন, যা গাজ্জার ইতিহাসে অন্যতম বড় বৈশ্বিক নাগরিক উদ্যোগ হতে যাচ্ছে।
সাউথ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে এক সংবাদ সম্মেলনে সুমুদ অ্যাক্টিভিস্ট সুমাইরা আকদেনিজ ওর্দু জানান, বার্সেলোনা থেকে যাত্রা শুরুর পর তিউনিসিয়া ও ইতালিসহ ভূমধ্যসাগরীয় বিভিন্ন বন্দর থেকে আরও জাহাজ এই বহরে যুক্ত হবে। এবারের বিশেষত্ব হলো, নৌ-বহরের পাশাপাশি ‘সুমুদ ল্যান্ড কনভয়’ নামে একটি স্থলপথের অভিযানও শুরু হচ্ছে। এই স্থল-বহরটি উত্তর আফ্রিকা থেকে মিশরের রাফাহ সীমান্ত অভিমুখে যাত্রা করবে। এছাড়া দক্ষিণ এশিয়া থেকেও একটি পৃথক স্থল-বহর গাজ্জার উদ্দেশ্যে রওনা হবে, যার বিস্তারিত শীঘ্রই জানানো হবে বলে জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের অক্টোবরে সুমুদ মিশনের প্রথম বহরটি ইসরায়েলি নৌবাহিনীর বর্বর হামলার শিকার হয়েছিল। সে সময় গ্রেটা থুনবার্গসহ ৪৫০ জন অ্যাক্টিভিস্টকে আটক এবং বিপুল পরিমাণ ত্রাণ সামগ্রী জব্দ করা হয়। বর্তমানে গাজ্জার রাফাহ সীমান্ত কার্যত বন্ধ থাকায় উপত্যকাটি ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের কবলে পড়েছে। গত ২০ মাসে ইসরায়েলি হামলায় ৭১ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এই সংকটময় মুহূর্তে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম জানিয়েছেন, তাঁর সরকার এবার সরাসরি এই মিশনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন