ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

এপস্টেইন মামলার নথি নিয়ে প্রশ্ন: সাংবাদিককে ট্রাম্পের তীব্র ভর্ৎসনা


 নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

এপস্টেইন মামলার নথি নিয়ে প্রশ্ন: সাংবাদিককে ট্রাম্পের তীব্র ভর্ৎসনা


যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের মামলার গোপন নথি প্রকাশ পাওয়ার পর এ নিয়ে প্রশ্ন করায় সিএনএনের এক নারী সাংবাদিকের ওপর ক্ষোভ ঝেড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন বিচার বিভাগ সম্প্রতি এপস্টেইনের অপরাধ সংক্রান্ত কয়েক মিলিয়ন নথি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার পর এই ইস্যুটি বিশ্বজুড়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ব্রিফিং চলাকালে এই মামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প মেজাজ হারিয়ে ওই সাংবাদিককে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ওই সাংবাদিককে অত্যন্ত কড়া ভাষায় আক্রমণ করে বলেন, “তুমি সবচেয়ে বাজে সাংবাদিক। তোমার মতো সাংবাদিকদের কারণেই সিএনএন নেটওয়ার্কের কোনো দর্শক নেই।” ট্রাম্পের এই আক্রমণাত্মক ভঙ্গি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং হোয়াইট হাউসের সঙ্গে সাংবাদিকদের পেশাদার সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। জেফরি এপস্টেইনের মামলাটি মূলত শিশুদের যৌন শোষণ এবং বিশ্বের প্রভাবশালীদের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে অত্যন্ত সংবেদনশীল, যেখানে অনেক খ্যাতিমান ব্যক্তির নাম জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

পশ্চিমা বিশ্বের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের এসব জঘন্য অপরাধে জড়িয়ে পড়ার ঘটনা প্রায়ই মানবাধিকার নিয়ে তাঁদের দ্বিমুখী নীতিকে সামনে নিয়ে আসে। বিশ্বজুড়ে যেখানে মানবাধিকার ও নৈতিকতার সবক দেওয়া হয়, সেখানে খোদ উন্নত বিশ্বের কেন্দ্রবিন্দুতেই এমন অমানবিক অপরাধের জাল বিস্তৃত থাকা বড় ধরনের নৈতিক বিপর্যয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই নথিগুলো প্রকাশের ফলে আগামী দিনগুলোতে আরও অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তির মুখোশ উন্মোচিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


এপস্টেইন মামলার নথি নিয়ে প্রশ্ন: সাংবাদিককে ট্রাম্পের তীব্র ভর্ৎসনা

প্রকাশের তারিখ : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image


যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের মামলার গোপন নথি প্রকাশ পাওয়ার পর এ নিয়ে প্রশ্ন করায় সিএনএনের এক নারী সাংবাদিকের ওপর ক্ষোভ ঝেড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন বিচার বিভাগ সম্প্রতি এপস্টেইনের অপরাধ সংক্রান্ত কয়েক মিলিয়ন নথি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার পর এই ইস্যুটি বিশ্বজুড়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ব্রিফিং চলাকালে এই মামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প মেজাজ হারিয়ে ওই সাংবাদিককে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ওই সাংবাদিককে অত্যন্ত কড়া ভাষায় আক্রমণ করে বলেন, “তুমি সবচেয়ে বাজে সাংবাদিক। তোমার মতো সাংবাদিকদের কারণেই সিএনএন নেটওয়ার্কের কোনো দর্শক নেই।” ট্রাম্পের এই আক্রমণাত্মক ভঙ্গি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং হোয়াইট হাউসের সঙ্গে সাংবাদিকদের পেশাদার সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। জেফরি এপস্টেইনের মামলাটি মূলত শিশুদের যৌন শোষণ এবং বিশ্বের প্রভাবশালীদের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে অত্যন্ত সংবেদনশীল, যেখানে অনেক খ্যাতিমান ব্যক্তির নাম জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

পশ্চিমা বিশ্বের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের এসব জঘন্য অপরাধে জড়িয়ে পড়ার ঘটনা প্রায়ই মানবাধিকার নিয়ে তাঁদের দ্বিমুখী নীতিকে সামনে নিয়ে আসে। বিশ্বজুড়ে যেখানে মানবাধিকার ও নৈতিকতার সবক দেওয়া হয়, সেখানে খোদ উন্নত বিশ্বের কেন্দ্রবিন্দুতেই এমন অমানবিক অপরাধের জাল বিস্তৃত থাকা বড় ধরনের নৈতিক বিপর্যয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই নথিগুলো প্রকাশের ফলে আগামী দিনগুলোতে আরও অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তির মুখোশ উন্মোচিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ