পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় তারালাই কালান এলাকায় একটি শিয়া মসজিদে জুমার নামাজের সময় ভয়াবহ এক হামলায় অন্তত ১৫ জন নিহত এবং ৮০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) খাদিজা তুল কুবরা মসজিদে মুসল্লিরা যখন নামাজে মশগুল ছিলেন, ঠিক তখনই এই শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে। উজবেকিস্তানের প্রেসিডেন্ট শাভকাত মিরজিওয়েভের পাকিস্তান সফরের দ্বিতীয় দিনে রাজধানীর বুকে এমন রক্তক্ষয়ী হামলায় দেশটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
বিস্ফোরণের খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ এবং উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে হতাহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে নিয়ে যায়। একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, হামলাটি পরিকল্পিতভাবে নামাজের সময় চালানো হয়েছে যাতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বাড়ানো যায়। এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেনি, তবে নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের ধারণা পাকিস্তানি তালেবান (টিটিপি) অথবা ইসলামিক স্টেট (আইএস) এর মতো উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলো এই নারকীয় ঘটনার পেছনে থাকতে পারে।
পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি এই বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন। ইসলামাবাদ জুড়ে বর্তমানে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং হামলাকারীদের শনাক্ত করতে বড় ধরনের চিরুনি অভিযান শুরু করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। আন্তর্জাতিক মহলের ধারণা, বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানের সফরের সময় এমন হামলা চালিয়ে জঙ্গিরা পাকিস্তানের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিশ্বের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় তারালাই কালান এলাকায় একটি শিয়া মসজিদে জুমার নামাজের সময় ভয়াবহ এক হামলায় অন্তত ১৫ জন নিহত এবং ৮০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) খাদিজা তুল কুবরা মসজিদে মুসল্লিরা যখন নামাজে মশগুল ছিলেন, ঠিক তখনই এই শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে। উজবেকিস্তানের প্রেসিডেন্ট শাভকাত মিরজিওয়েভের পাকিস্তান সফরের দ্বিতীয় দিনে রাজধানীর বুকে এমন রক্তক্ষয়ী হামলায় দেশটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
বিস্ফোরণের খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ এবং উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে হতাহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে নিয়ে যায়। একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, হামলাটি পরিকল্পিতভাবে নামাজের সময় চালানো হয়েছে যাতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বাড়ানো যায়। এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেনি, তবে নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের ধারণা পাকিস্তানি তালেবান (টিটিপি) অথবা ইসলামিক স্টেট (আইএস) এর মতো উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলো এই নারকীয় ঘটনার পেছনে থাকতে পারে।
পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি এই বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন। ইসলামাবাদ জুড়ে বর্তমানে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং হামলাকারীদের শনাক্ত করতে বড় ধরনের চিরুনি অভিযান শুরু করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। আন্তর্জাতিক মহলের ধারণা, বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানের সফরের সময় এমন হামলা চালিয়ে জঙ্গিরা পাকিস্তানের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিশ্বের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করছে।

আপনার মতামত লিখুন