দীর্ঘ এক বছরের অনিশ্চয়তা ও কয়েক দফার দরকষাকষি শেষে অবশেষে আলোর মুখ দেখতে যাচ্ছে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি। ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গয়াল নিশ্চিত করেছেন যে আগামী মার্চ মাসেই দুই দেশের মধ্যে এই গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিটি সই হতে পারে। এই চুক্তির ফলে দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্যিক বাধাগুলো উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। চুক্তির অধীনে ভারত নির্দিষ্ট কিছু মার্কিন পণ্যের ওপর থেকে শুল্ক কমিয়ে দেবে এবং বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রও ভারতীয় পণ্যের প্রবেশাধিকার সহজ করতে শুল্ক হ্রাসের পদক্ষেপ নেবে। আগামী চার থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করবে ওয়াশিংটন ও নয়াদিল্লি।
২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ওয়াশিংটন সফরের পর থেকে এই বাণিজ্য সমঝোতার আলোচনা শুরু হয়। নানা শর্তে আটকে থাকায় চুক্তিটি নিয়ে দীর্ঘ সময় সংশয় থাকলেও গত সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নরেন্দ্র মোদির মধ্যকার আকস্মিক আলোচনার পর বিষয়টি পুনরায় গতি পায়। চুক্তির একটি বড় দিক হলো জ্বালানি কূটনীতি। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী ভারত রাশিয়া থেকে তেল কেনা কমিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনিজুয়েলা থেকে আমদানির দিকে ঝুঁকবে। বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গয়াল বিষয়টি সরাসরি নিশ্চিত না করলেও জানিয়েছেন যে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত এখন আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির আলোকে ভিন্ন ভিন্ন উৎস থেকে তেল সংগ্রহের নীতি গ্রহণ করবে।
এই চুক্তিটি সম্পন্ন হলে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের অর্থনৈতিক প্রভাব যেমন বাড়বে, তেমনি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এটি একটি বড় বাজার নিশ্চিত করবে। বিশেষ করে আইটি সেবা, কৃষি পণ্য এবং যন্ত্রপাতির বাণিজ্যে বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে। পরিবর্তিত আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে রাশিয়ার ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আমেরিকার সঙ্গে এই বাণিজ্যিক অংশীদারিত্ব ভারতের জন্য কৌশলগতভাবেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দীর্ঘ এক বছরের অনিশ্চয়তা ও কয়েক দফার দরকষাকষি শেষে অবশেষে আলোর মুখ দেখতে যাচ্ছে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি। ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গয়াল নিশ্চিত করেছেন যে আগামী মার্চ মাসেই দুই দেশের মধ্যে এই গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিটি সই হতে পারে। এই চুক্তির ফলে দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্যিক বাধাগুলো উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। চুক্তির অধীনে ভারত নির্দিষ্ট কিছু মার্কিন পণ্যের ওপর থেকে শুল্ক কমিয়ে দেবে এবং বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রও ভারতীয় পণ্যের প্রবেশাধিকার সহজ করতে শুল্ক হ্রাসের পদক্ষেপ নেবে। আগামী চার থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করবে ওয়াশিংটন ও নয়াদিল্লি।
২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ওয়াশিংটন সফরের পর থেকে এই বাণিজ্য সমঝোতার আলোচনা শুরু হয়। নানা শর্তে আটকে থাকায় চুক্তিটি নিয়ে দীর্ঘ সময় সংশয় থাকলেও গত সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নরেন্দ্র মোদির মধ্যকার আকস্মিক আলোচনার পর বিষয়টি পুনরায় গতি পায়। চুক্তির একটি বড় দিক হলো জ্বালানি কূটনীতি। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী ভারত রাশিয়া থেকে তেল কেনা কমিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনিজুয়েলা থেকে আমদানির দিকে ঝুঁকবে। বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গয়াল বিষয়টি সরাসরি নিশ্চিত না করলেও জানিয়েছেন যে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত এখন আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির আলোকে ভিন্ন ভিন্ন উৎস থেকে তেল সংগ্রহের নীতি গ্রহণ করবে।
এই চুক্তিটি সম্পন্ন হলে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের অর্থনৈতিক প্রভাব যেমন বাড়বে, তেমনি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এটি একটি বড় বাজার নিশ্চিত করবে। বিশেষ করে আইটি সেবা, কৃষি পণ্য এবং যন্ত্রপাতির বাণিজ্যে বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে। পরিবর্তিত আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে রাশিয়ার ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আমেরিকার সঙ্গে এই বাণিজ্যিক অংশীদারিত্ব ভারতের জন্য কৌশলগতভাবেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত লিখুন