মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি জোরদার হওয়ায় সৃষ্ট উত্তেজনা কমানোর লক্ষ্যে ওমানে বৈঠকে বসতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। ইরানের দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই আলোচনার ভেন্যু পরিবর্তন করে ওমানে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এক আঞ্চলিক কর্মকর্তার বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, শুক্রবার অনুষ্ঠিতব্য এই বৈঠককে শুধুমাত্র পারমাণবিক কর্মসূচি সংক্রান্ত আলোচনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখার উদ্দেশ্যে ভেন্যু পরিবর্তনের অনুরোধ করেছিল তেহরান। ওই কর্মকর্তা জানান, ইরান চেয়েছিল আলোচনাটি ওমানে অনুষ্ঠিত হোক, যাতে দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে পূর্ববর্তী দফার আলোচনার ধারাবাহিকতা বজায় থাকে।
এর আগে এই বৈঠক তুরস্কে হওয়ার কথা থাকলেও ইরানের অনুরোধে তা সরানো হয়। তেহরানের আশঙ্কা ছিল, অন্য কোনো ভেন্যুতে আলোচনায় ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রসহ অতিরিক্ত ইস্যু যুক্ত হতে পারে।
ইরান আগেই স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তাদের ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি আলোচনার ‘লাল রেখা’ এবং এ বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতের পর ইরান দাবি করেছে, তারা আবার ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত গড়ে তুলছে এবং নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়লে তা ব্যবহারেও পিছপা হবে না।
ওই আঞ্চলিক কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, শুরু থেকেই ইরান জোর দিয়ে বলছে যে আলোচনা কেবল পারমাণবিক ইস্যুতেই সীমাবদ্ধ থাকবে। তবে যুক্তরাষ্ট্র আলোচ্যসূচিতে আরও কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্ত করতে আগ্রহ দেখিয়েছিল।
রয়টার্স জানায়, আলোচনার প্রস্তুতির মধ্যেই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় যুক্তরাষ্ট্র একটি ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করে। পরে হরমুজ প্রণালিতে একটি ইরানি নৌযান মার্কিন পতাকাবাহী একটি তেলবাহী ট্যাংকারের কাছে এগিয়ে যাওয়ার ঘটনায় আকস্মিকভাবে তেলের দাম বেড়ে যায়।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, সমঝোতা না হলে ‘খারাপ কিছু’ ঘটতে পারে। রয়টার্সের তথ্যমতে, এই আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এর আগে রয়টার্স জানায়, এই কূটনৈতিক উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো সরাসরি সংঘাত এড়িয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি জোরদার হওয়ায় সৃষ্ট উত্তেজনা কমানোর লক্ষ্যে ওমানে বৈঠকে বসতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। ইরানের দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই আলোচনার ভেন্যু পরিবর্তন করে ওমানে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এক আঞ্চলিক কর্মকর্তার বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, শুক্রবার অনুষ্ঠিতব্য এই বৈঠককে শুধুমাত্র পারমাণবিক কর্মসূচি সংক্রান্ত আলোচনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখার উদ্দেশ্যে ভেন্যু পরিবর্তনের অনুরোধ করেছিল তেহরান। ওই কর্মকর্তা জানান, ইরান চেয়েছিল আলোচনাটি ওমানে অনুষ্ঠিত হোক, যাতে দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে পূর্ববর্তী দফার আলোচনার ধারাবাহিকতা বজায় থাকে।
এর আগে এই বৈঠক তুরস্কে হওয়ার কথা থাকলেও ইরানের অনুরোধে তা সরানো হয়। তেহরানের আশঙ্কা ছিল, অন্য কোনো ভেন্যুতে আলোচনায় ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রসহ অতিরিক্ত ইস্যু যুক্ত হতে পারে।
ইরান আগেই স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তাদের ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি আলোচনার ‘লাল রেখা’ এবং এ বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতের পর ইরান দাবি করেছে, তারা আবার ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত গড়ে তুলছে এবং নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়লে তা ব্যবহারেও পিছপা হবে না।
ওই আঞ্চলিক কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, শুরু থেকেই ইরান জোর দিয়ে বলছে যে আলোচনা কেবল পারমাণবিক ইস্যুতেই সীমাবদ্ধ থাকবে। তবে যুক্তরাষ্ট্র আলোচ্যসূচিতে আরও কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্ত করতে আগ্রহ দেখিয়েছিল।
রয়টার্স জানায়, আলোচনার প্রস্তুতির মধ্যেই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় যুক্তরাষ্ট্র একটি ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করে। পরে হরমুজ প্রণালিতে একটি ইরানি নৌযান মার্কিন পতাকাবাহী একটি তেলবাহী ট্যাংকারের কাছে এগিয়ে যাওয়ার ঘটনায় আকস্মিকভাবে তেলের দাম বেড়ে যায়।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, সমঝোতা না হলে ‘খারাপ কিছু’ ঘটতে পারে। রয়টার্সের তথ্যমতে, এই আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এর আগে রয়টার্স জানায়, এই কূটনৈতিক উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো সরাসরি সংঘাত এড়িয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা।

আপনার মতামত লিখুন