ভোলার দৌলতখানে নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার মেদুয়া ইউনিয়নের মুন্সিরহাট বাজারে এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পুলিশ, নৌ-বাহিনী ও কোস্ট গার্ডের সদস্যদের ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সকালে নির্বাচনী গণসংযোগ ও প্রচারণার সময় মুন্সিরহাট এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তা লাঠিসোঁটা নিয়ে ব্যাপক সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং বাজার রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
দৌলতখান উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মো. হাসান তারেক হাওলাদার অভিযোগ করেন, সকালে তাঁদের নেতা-কর্মীরা ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের স্লোগান দিয়ে গণসংযোগ করার সময় স্থানীয় বিএনপির ওয়ার্ড সভাপতি মোছলেহ উদ্দিন ও যুবদল-ছাত্রদলের অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী রড ও লাঠি নিয়ে হামলা চালায়। এতে তাঁদের ১৫-১৬ জন কর্মী আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে গুরুতর ৪-৫ জনকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়াও উপজেলার চরপাতা ও দক্ষিণ জয়নগরসহ বিভিন্ন স্থানে তাঁদের প্রচারণায় বাধা দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।
অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান সাজু পাল্টা দাবি করেন, জামায়াত নেতা-কর্মীরা লাঠির মাথায় পতাকা বেঁধে মিছিল বের করে নির্বাচনী পরিবেশ উত্তপ্ত করার চেষ্টা করছে। বিএনপি নেতা-কর্মীরা তাঁদের আচরণবিধি মেনে প্রচারণার অনুরোধ করলে উল্টো জামায়াত তাঁদের ওপর হামলা চালায়। এতে বিএনপির ৮-১০ জন আহত হয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াতে ইসলামী নির্বাচন বানচালের লক্ষ্যেই পরিকল্পিতভাবে এই গোলযোগ সৃষ্টি করছে।
দৌলতখান উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ খাইরুল ইসলাম চৌধুরী জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পাঠানো হয়েছে। সেখানে জামায়াতের জনসভা থাকায় আগে থেকেই পুলিশ ও নৌবাহিনী সতর্ক অবস্থানে ছিল। কোনো পক্ষ থেকে এখনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি; অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভোলার দৌলতখানে নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার মেদুয়া ইউনিয়নের মুন্সিরহাট বাজারে এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পুলিশ, নৌ-বাহিনী ও কোস্ট গার্ডের সদস্যদের ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সকালে নির্বাচনী গণসংযোগ ও প্রচারণার সময় মুন্সিরহাট এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তা লাঠিসোঁটা নিয়ে ব্যাপক সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং বাজার রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
দৌলতখান উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মো. হাসান তারেক হাওলাদার অভিযোগ করেন, সকালে তাঁদের নেতা-কর্মীরা ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের স্লোগান দিয়ে গণসংযোগ করার সময় স্থানীয় বিএনপির ওয়ার্ড সভাপতি মোছলেহ উদ্দিন ও যুবদল-ছাত্রদলের অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী রড ও লাঠি নিয়ে হামলা চালায়। এতে তাঁদের ১৫-১৬ জন কর্মী আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে গুরুতর ৪-৫ জনকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়াও উপজেলার চরপাতা ও দক্ষিণ জয়নগরসহ বিভিন্ন স্থানে তাঁদের প্রচারণায় বাধা দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।
অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান সাজু পাল্টা দাবি করেন, জামায়াত নেতা-কর্মীরা লাঠির মাথায় পতাকা বেঁধে মিছিল বের করে নির্বাচনী পরিবেশ উত্তপ্ত করার চেষ্টা করছে। বিএনপি নেতা-কর্মীরা তাঁদের আচরণবিধি মেনে প্রচারণার অনুরোধ করলে উল্টো জামায়াত তাঁদের ওপর হামলা চালায়। এতে বিএনপির ৮-১০ জন আহত হয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াতে ইসলামী নির্বাচন বানচালের লক্ষ্যেই পরিকল্পিতভাবে এই গোলযোগ সৃষ্টি করছে।
দৌলতখান উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ খাইরুল ইসলাম চৌধুরী জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পাঠানো হয়েছে। সেখানে জামায়াতের জনসভা থাকায় আগে থেকেই পুলিশ ও নৌবাহিনী সতর্ক অবস্থানে ছিল। কোনো পক্ষ থেকে এখনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি; অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী।

আপনার মতামত লিখুন