কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দেশের বাজারে আরও কমেছে স্বর্ণের দাম। ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ ভরিতে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সকাল ১০টা ৪৫ মিনিট থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে।
বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৯ হাজার ৭৫৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫ হাজার ৫২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৮ হাজার ১৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।
সবশেষ গতরাতে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। ভরিতে ১ হাজার ৯২৫ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫৭ হাজার ৭৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৬ হাজার ৫২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১০ হাজার ৮৮৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭২ হাজার ৫৬৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা ২ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।
এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে ২১ বারের মতো স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হলো। এর মধ্যে ১৪ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ৭ দফা কমানো হয়েছে। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল—এর মধ্যে ৬৪ বার দাম বেড়েছে এবং ২৯ বার কমেছে।
স্বর্ণের দাম কমলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ৩১ জানুয়ারি সকালে নির্ধারিত দাম অনুযায়ী বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৭ হাজার ২৯০ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৯৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বেচাকেনা হচ্ছে ৪ হাজার ৪৩২ টাকায়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দেশের বাজারে আরও কমেছে স্বর্ণের দাম। ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ ভরিতে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সকাল ১০টা ৪৫ মিনিট থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে।
বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৯ হাজার ৭৫৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫ হাজার ৫২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৮ হাজার ১৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।
সবশেষ গতরাতে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। ভরিতে ১ হাজার ৯২৫ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫৭ হাজার ৭৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৬ হাজার ৫২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১০ হাজার ৮৮৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭২ হাজার ৫৬৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা ২ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।
এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে ২১ বারের মতো স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হলো। এর মধ্যে ১৪ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ৭ দফা কমানো হয়েছে। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল—এর মধ্যে ৬৪ বার দাম বেড়েছে এবং ২৯ বার কমেছে।
স্বর্ণের দাম কমলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ৩১ জানুয়ারি সকালে নির্ধারিত দাম অনুযায়ী বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৭ হাজার ২৯০ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৯৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বেচাকেনা হচ্ছে ৪ হাজার ৪৩২ টাকায়।

আপনার মতামত লিখুন