ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

অনলাইন প্রতা/রণা ও হ/ত্যাকাণ্ডে মিয়ানমার মাফিয়ার চার সদস্যের মৃ/ত্যুদণ্ড কার্যকর করল চীন


 নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

অনলাইন প্রতা/রণা ও হ/ত্যাকাণ্ডে মিয়ানমার মাফিয়ার চার সদস্যের মৃ/ত্যুদণ্ড কার্যকর করল চীন


মিয়ানমারে সক্রিয় বিশাল অনলাইন প্রতারণা চক্রের মূল হোতা হিসেবে পরিচিত কুখ্যাত 'বাই পরিবারের' আরও চার সদস্যের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে চীন। চীনের গুয়াংদং প্রদেশের একটি আদালত তাঁদের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে এই রায় প্রদান করেন। এর আগে গত বছরের নভেম্বরে এই চক্রের প্রধান বাই সুওচেংসহ পরিবারের পাঁচ সদস্যকে একই দণ্ড দেওয়া হয়েছিল, যদিও দণ্ডাদেশ কার্যকরের আগেই পরিবারের প্রধান অসুস্থ হয়ে মারা যান। উল্লেখ্য যে, গত সপ্তাহেই চীন অপর একটি অপরাধী চক্র 'মিং পরিবারের' ১১ সদস্যকেও মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে।

মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী শহর লাউক্কাইংয়ে বছরের পর বছর ধরে বাই ও মিং পরিবার একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে ক্যাসিনো, যৌনপল্লি এবং সাইবার প্রতারণা কেন্দ্র পরিচালনা করে আসছিল। তদন্তকারী সংস্থাগুলো জানিয়েছে, কেবল বাই পরিবারই ৪১টি কম্পাউন্ডের মাধ্যমে তাদের অপরাধ সাম্রাজ্য চালাত, যেখানে হাজার হাজার মানুষকে পাচার করে এনে নির্যাতন ও জোরপূর্বক শ্রমে বাধ্য করা হতো। এসব কার্যক্রমে বাধা দিলে বা অবাধ্য হলে চীনা নাগরিকদের হত্যা করার মতো জঘন্য অপরাধও তারা করত। এসব চক্র বিশ্বব্যাপী সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার হাতিয়ে নিয়েছে বলে প্রমাণ পেয়েছে চীনা কর্তৃপক্ষ।

২০২৩ সালে মিয়ানমারের সামরিক সরকার এসব চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হওয়ায় বেইজিং ক্ষুব্ধ হয় এবং পরোক্ষভাবে মিয়ানমারের জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর অভিযানে সমর্থন দেয়, যার ফলে এই শক্তিশালী মাফিয়া চক্রগুলোর পতন ঘটে। পরে আটক অপরাধীদের চীনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ধারাবাহিক এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের মাধ্যমে বেইজিং বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা অনলাইন স্ক্যামার ও পাচারকারীদের একটি কঠোর বার্তা দিতে চাচ্ছে যে, চীনা নাগরিকদের ওপর যেকোনো ধরনের সহিংসতা বা আর্থিক ক্ষতির পরিণতি হবে অত্যন্ত ভয়াবহ।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


অনলাইন প্রতা/রণা ও হ/ত্যাকাণ্ডে মিয়ানমার মাফিয়ার চার সদস্যের মৃ/ত্যুদণ্ড কার্যকর করল চীন

প্রকাশের তারিখ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image


মিয়ানমারে সক্রিয় বিশাল অনলাইন প্রতারণা চক্রের মূল হোতা হিসেবে পরিচিত কুখ্যাত 'বাই পরিবারের' আরও চার সদস্যের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে চীন। চীনের গুয়াংদং প্রদেশের একটি আদালত তাঁদের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে এই রায় প্রদান করেন। এর আগে গত বছরের নভেম্বরে এই চক্রের প্রধান বাই সুওচেংসহ পরিবারের পাঁচ সদস্যকে একই দণ্ড দেওয়া হয়েছিল, যদিও দণ্ডাদেশ কার্যকরের আগেই পরিবারের প্রধান অসুস্থ হয়ে মারা যান। উল্লেখ্য যে, গত সপ্তাহেই চীন অপর একটি অপরাধী চক্র 'মিং পরিবারের' ১১ সদস্যকেও মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে।

মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী শহর লাউক্কাইংয়ে বছরের পর বছর ধরে বাই ও মিং পরিবার একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে ক্যাসিনো, যৌনপল্লি এবং সাইবার প্রতারণা কেন্দ্র পরিচালনা করে আসছিল। তদন্তকারী সংস্থাগুলো জানিয়েছে, কেবল বাই পরিবারই ৪১টি কম্পাউন্ডের মাধ্যমে তাদের অপরাধ সাম্রাজ্য চালাত, যেখানে হাজার হাজার মানুষকে পাচার করে এনে নির্যাতন ও জোরপূর্বক শ্রমে বাধ্য করা হতো। এসব কার্যক্রমে বাধা দিলে বা অবাধ্য হলে চীনা নাগরিকদের হত্যা করার মতো জঘন্য অপরাধও তারা করত। এসব চক্র বিশ্বব্যাপী সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার হাতিয়ে নিয়েছে বলে প্রমাণ পেয়েছে চীনা কর্তৃপক্ষ।

২০২৩ সালে মিয়ানমারের সামরিক সরকার এসব চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হওয়ায় বেইজিং ক্ষুব্ধ হয় এবং পরোক্ষভাবে মিয়ানমারের জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর অভিযানে সমর্থন দেয়, যার ফলে এই শক্তিশালী মাফিয়া চক্রগুলোর পতন ঘটে। পরে আটক অপরাধীদের চীনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ধারাবাহিক এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের মাধ্যমে বেইজিং বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা অনলাইন স্ক্যামার ও পাচারকারীদের একটি কঠোর বার্তা দিতে চাচ্ছে যে, চীনা নাগরিকদের ওপর যেকোনো ধরনের সহিংসতা বা আর্থিক ক্ষতির পরিণতি হবে অত্যন্ত ভয়াবহ।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ