বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে লক্ষ্য করে কঠোর সমালোচনা করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম (চরমোনাই পীর)। রবিবার লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী খালেদ সাইফুল্লাহর নির্বাচনী জনসভায় তিনি বলেন, জামায়াত এদেশের মানুষকে এমন ইনসাফ শেখাতে চায় যা তারা গোপনে আমেরিকার সাথে বসে বাস্তবায়ন করবে। আমেরিকার সাথে আঁতাত করে ক্ষমতায় গেলে সেখানে শরিয়াহ আইন চলবে না এবং বাংলার মানুষ এমন ইনসাফ দেখতে চায় না। চরমোনাই পীর দাবি করেন, দেশে একমাত্র ইসলামী আন্দোলনই ইনসাফ ও শরিয়াহর আদর্শে প্রতিষ্ঠিত এবং সেই ইনসাফের প্রতীক হলো হাতপাখা।
নির্বাচনী জনসভায় সৈয়দ রেজাউল করিম ভোটারদের সতর্ক করে বলেন, ইসলামী আন্দোলনকে ভোট না দিলে এই ভুলের মাশুল দিয়ে শেষ করা যাবে না। তিনি বর্তমান ও সাবেক রাজনৈতিক দলগুলোর সমালোচনা করে বলেন, গত ৫৪ বছরের ইতিহাস পরিবর্তনের জন্য তার দল ক্ষমতায় গেলে ৫৪ দিনই যথেষ্ট। অন্যদের শাসন আমলে ক্ষমতায় গিয়ে সবাই 'হনুমান' হয়ে যায় বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি আরও বলেন, শরিয়াহ আইনের কথা শুনলে অনেকে ভয় পায়, কিন্তু ইসলাম মানেই শান্তি এবং এই শান্তি প্রতিষ্ঠায় হাতপাখার বিকল্প নেই।
নিজ দলের প্রার্থী খালেদ সাইফুল্লাহর প্রশংসা করে চরমোনাই পীর বলেন, খালেদ সাইফুল্লাহ একজন ন্যায়বান ও দুর্নীতির ঊর্ধ্বে থাকা ব্যক্তিত্ব। তিনি দুইবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেও তার গায়ে কোনো দুর্নীতির দাগ লাগেনি। রামগতি ও কমলনগরে ইনসাফ কায়েম করতে তাকে নির্বাচিত করে সংসদে পাঠানোর জন্য তিনি জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।
জনসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মুফতি রেজাউল করিম আবরার, মুফতি হাবিবুর রহমান মিজবাহ্, ইসলামী আন্দোলনের লক্ষ্মীপুর জেলা সভাপতি ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ ইব্রাহিমসহ স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। বক্তারা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে হাতপাখা প্রতীকে ভোট দিয়ে দেশজুড়ে ইসলামী শাসন ব্যবস্থা কায়েমের ডাক দেন।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে লক্ষ্য করে কঠোর সমালোচনা করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম (চরমোনাই পীর)। রবিবার লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী খালেদ সাইফুল্লাহর নির্বাচনী জনসভায় তিনি বলেন, জামায়াত এদেশের মানুষকে এমন ইনসাফ শেখাতে চায় যা তারা গোপনে আমেরিকার সাথে বসে বাস্তবায়ন করবে। আমেরিকার সাথে আঁতাত করে ক্ষমতায় গেলে সেখানে শরিয়াহ আইন চলবে না এবং বাংলার মানুষ এমন ইনসাফ দেখতে চায় না। চরমোনাই পীর দাবি করেন, দেশে একমাত্র ইসলামী আন্দোলনই ইনসাফ ও শরিয়াহর আদর্শে প্রতিষ্ঠিত এবং সেই ইনসাফের প্রতীক হলো হাতপাখা।
নির্বাচনী জনসভায় সৈয়দ রেজাউল করিম ভোটারদের সতর্ক করে বলেন, ইসলামী আন্দোলনকে ভোট না দিলে এই ভুলের মাশুল দিয়ে শেষ করা যাবে না। তিনি বর্তমান ও সাবেক রাজনৈতিক দলগুলোর সমালোচনা করে বলেন, গত ৫৪ বছরের ইতিহাস পরিবর্তনের জন্য তার দল ক্ষমতায় গেলে ৫৪ দিনই যথেষ্ট। অন্যদের শাসন আমলে ক্ষমতায় গিয়ে সবাই 'হনুমান' হয়ে যায় বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি আরও বলেন, শরিয়াহ আইনের কথা শুনলে অনেকে ভয় পায়, কিন্তু ইসলাম মানেই শান্তি এবং এই শান্তি প্রতিষ্ঠায় হাতপাখার বিকল্প নেই।
নিজ দলের প্রার্থী খালেদ সাইফুল্লাহর প্রশংসা করে চরমোনাই পীর বলেন, খালেদ সাইফুল্লাহ একজন ন্যায়বান ও দুর্নীতির ঊর্ধ্বে থাকা ব্যক্তিত্ব। তিনি দুইবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেও তার গায়ে কোনো দুর্নীতির দাগ লাগেনি। রামগতি ও কমলনগরে ইনসাফ কায়েম করতে তাকে নির্বাচিত করে সংসদে পাঠানোর জন্য তিনি জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।
জনসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মুফতি রেজাউল করিম আবরার, মুফতি হাবিবুর রহমান মিজবাহ্, ইসলামী আন্দোলনের লক্ষ্মীপুর জেলা সভাপতি ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ ইব্রাহিমসহ স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। বক্তারা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে হাতপাখা প্রতীকে ভোট দিয়ে দেশজুড়ে ইসলামী শাসন ব্যবস্থা কায়েমের ডাক দেন।

আপনার মতামত লিখুন