দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। মাত্র ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৮২ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৯ টাকা।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়ে যাওয়ায় এবং সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) থেকে কার্যকর হবে।
নতুন দর অনুযায়ী, দেশে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৯ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯১৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১২ হাজার ৫১৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৩ হাজার ৯১০ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার নকশা ও মানভেদে মজুরির হেরফের হতে পারে।
এর আগে শনিবার সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। তখন ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১৫ হাজার ৭৪৬ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৬১৭ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছিল। একই সময়ে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৪ হাজার ১১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৯ হাজার ১৩৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৬৯ টাকা ছিল।
চলতি বছরের মধ্যে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম এখন পর্যন্ত ১৯ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪ বার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ৫ বার দাম কমানো হয়েছে। ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বেড়েছিল এবং ২৯ বার কমেছিল।
স্বর্ণের দাম বেড়ে গেলেও দেশের বাজারে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ৩১ জানুয়ারি সকালে নির্ধারিত দামের ভিত্তিতে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৭ হাজার ২৯০ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৯৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৪৩২ টাকায়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। মাত্র ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৮২ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৯ টাকা।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়ে যাওয়ায় এবং সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) থেকে কার্যকর হবে।
নতুন দর অনুযায়ী, দেশে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৯ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯১৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১২ হাজার ৫১৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৩ হাজার ৯১০ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার নকশা ও মানভেদে মজুরির হেরফের হতে পারে।
এর আগে শনিবার সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। তখন ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১৫ হাজার ৭৪৬ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৬১৭ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছিল। একই সময়ে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৪ হাজার ১১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৯ হাজার ১৩৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৬৯ টাকা ছিল।
চলতি বছরের মধ্যে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম এখন পর্যন্ত ১৯ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪ বার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ৫ বার দাম কমানো হয়েছে। ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বেড়েছিল এবং ২৯ বার কমেছিল।
স্বর্ণের দাম বেড়ে গেলেও দেশের বাজারে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ৩১ জানুয়ারি সকালে নির্ধারিত দামের ভিত্তিতে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৭ হাজার ২৯০ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৯৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৪৩২ টাকায়।

আপনার মতামত লিখুন