ব্যবসায়িক পরিবেশক নিয়োগ বাতিলকে কেন্দ্র করে দায়েরকৃত একটি দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ে বড় ধরনের বিজয় পেয়েছে ইউনিলিভার বাংলাদেশ। প্রতিষ্ঠানটির সাবেক পরিবেশক মাসুদ অ্যান্ড ব্রাদার্স এবং অগ্রণী ট্রেডিং কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে দায়ের করা দুটি সালিশি মামলা খারিজ করে দিয়ে ইউনিলিভারের পক্ষে চূড়ান্ত রায় প্রদান করেছেন অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত-২।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, সংশ্লিষ্ট সাবেক পরিবেশকরা তাদের নিয়োগ বাতিলের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে এবং সেই বাতিল নোটিশের ওপর স্থগিতাদেশসহ সংশ্লিষ্ট এলাকায় নতুন কোনো পরিবেশক নিয়োগের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারির আবেদন জানিয়ে আদালতে মামলা করেছিলেন। তবে ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে আদালত মেরিটের ওপর শুনানি শেষে জানান যে, পরিবেশকদের এই আবেদনে কোনো যুক্তিসঙ্গত আইনি কারণ বা ভিত্তি খুঁজে পাওয়া যায়নি। ফলে আদালত মামলা দুটি খারিজ করে দিয়ে ইউনিলিভারের সিদ্ধান্তকে বৈধ হিসেবে স্বীকৃতি দেন।
আদালত সূত্র জানায়, এই সালিশি মামলা দায়েরের আগে পরিবেশকরা আইনগতভাবে ভুল ফোরামে আরও চারটি মামলা দায়ের করেছিলেন, যা গ্রহণযোগ্যতার অভাবে আগেই প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল। শুনানিকালে ইউনিলিভারের আইনজীবীরা প্রমাণ করতে সক্ষম হন যে, পরিবেশক নিয়োগ বাতিল সম্পূর্ণ আইনানুগভাবে এবং চুক্তির শর্ত মেনেই করা হয়েছে। একইসঙ্গে অভিযোগ ওঠে যে, পরিবেশকরা মামলা দায়েরের সময় আদালতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি গোপন করে বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করেছিলেন।
এই রায়ের ফলে ইউনিলিভার বাংলাদেশের জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকায় নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত পরিবেশকের মাধ্যমে স্বাভাবিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করার আইনি বাধা দূর হলো। আদালতে ইউনিলিভারের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন আহমেদ আশিম এবং ব্যারিস্টার তানিম হোসেন শাওন। অন্যদিকে সাবেক পরিবেশকদের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক ও ব্যারিস্টার আবির আব্বাস।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ব্যবসায়িক পরিবেশক নিয়োগ বাতিলকে কেন্দ্র করে দায়েরকৃত একটি দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ে বড় ধরনের বিজয় পেয়েছে ইউনিলিভার বাংলাদেশ। প্রতিষ্ঠানটির সাবেক পরিবেশক মাসুদ অ্যান্ড ব্রাদার্স এবং অগ্রণী ট্রেডিং কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে দায়ের করা দুটি সালিশি মামলা খারিজ করে দিয়ে ইউনিলিভারের পক্ষে চূড়ান্ত রায় প্রদান করেছেন অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত-২।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, সংশ্লিষ্ট সাবেক পরিবেশকরা তাদের নিয়োগ বাতিলের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে এবং সেই বাতিল নোটিশের ওপর স্থগিতাদেশসহ সংশ্লিষ্ট এলাকায় নতুন কোনো পরিবেশক নিয়োগের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারির আবেদন জানিয়ে আদালতে মামলা করেছিলেন। তবে ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে আদালত মেরিটের ওপর শুনানি শেষে জানান যে, পরিবেশকদের এই আবেদনে কোনো যুক্তিসঙ্গত আইনি কারণ বা ভিত্তি খুঁজে পাওয়া যায়নি। ফলে আদালত মামলা দুটি খারিজ করে দিয়ে ইউনিলিভারের সিদ্ধান্তকে বৈধ হিসেবে স্বীকৃতি দেন।
আদালত সূত্র জানায়, এই সালিশি মামলা দায়েরের আগে পরিবেশকরা আইনগতভাবে ভুল ফোরামে আরও চারটি মামলা দায়ের করেছিলেন, যা গ্রহণযোগ্যতার অভাবে আগেই প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল। শুনানিকালে ইউনিলিভারের আইনজীবীরা প্রমাণ করতে সক্ষম হন যে, পরিবেশক নিয়োগ বাতিল সম্পূর্ণ আইনানুগভাবে এবং চুক্তির শর্ত মেনেই করা হয়েছে। একইসঙ্গে অভিযোগ ওঠে যে, পরিবেশকরা মামলা দায়েরের সময় আদালতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি গোপন করে বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করেছিলেন।
এই রায়ের ফলে ইউনিলিভার বাংলাদেশের জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকায় নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত পরিবেশকের মাধ্যমে স্বাভাবিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করার আইনি বাধা দূর হলো। আদালতে ইউনিলিভারের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন আহমেদ আশিম এবং ব্যারিস্টার তানিম হোসেন শাওন। অন্যদিকে সাবেক পরিবেশকদের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক ও ব্যারিস্টার আবির আব্বাস।

আপনার মতামত লিখুন