অনলাইনে সাংবাদিক কার্ডের জন্য আবেদন করা প্রায় ১৪ হাজার সাংবাদিকের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হয়েছে—এমন অভিযোগ নাকচ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশনের দাবি, তাদের ওয়েবসাইটে সীমিত সময়ের জন্য কিছু তথ্য দৃশ্যমান থাকলেও তা ডাউনলোড বা অপব্যবহারের কোনো সুযোগ ছিল না।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ইসির ওয়েবসাইট থেকে সাংবাদিকদের তথ্য ফাঁসের অভিযোগ ওঠার পর এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেয় কমিশন।
ইসির জনসংযোগ পরিচালক রুহুল মল্লিক জানান, সাংবাদিকদের আপত্তির মুখে গত বৃহস্পতিবার ওয়েবসাইটে সাংবাদিকদের আবেদন কার্যক্রম ক্লোজ করে দেওয়া হয়। পরে শনিবার পর্যবেক্ষকদের আবেদনের পথটিও বন্ধ করার প্রক্রিয়া চলছিল।
এই সময়ের আগে যারা নিজেদের ড্যাশবোর্ডে লগইন করেছিলেন, তারা অ্যাডমিন প্যানেলের কিছু অংশ দেখতে পেয়েছেন। সে কারণে কিছু আবেদনকারীর নাম, এনআইডি নম্বরের মতো তথ্য স্বল্প সময়ের জন্য দৃশ্যমান হয়েছিল। তবে সেগুলো ডাউনলোড করার কোনো সুযোগ ছিল না।
তিনি বলেন, “তথ্য কেউ ফাঁস করেনি। ওয়েবসাইটে কাজ চলার সময় কিছু অংশ ওপেন ছিল। হ্যাকিং বা অন্য কোনো পন্থায় তথ্য সংগ্রহ করে অপব্যবহারের অভিযোগও পাওয়া যায়নি।”
ওয়েবসাইটটি এআই দিয়ে তৈরি—এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে রুহুল আমিন মল্লিক বলেন, এটি ইসির নিজস্ব প্রোগ্রামাররাই তৈরি করেছেন। তার ভাষায়, “এত গুরুত্বপূর্ণ একটি ওয়েবসাইট এআই দিয়ে তৈরি করা হয়েছে—এমন দাবি সঠিক নয়।”
সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন pr.ecs.gov.bd ওয়েবসাইটটি ডেভেলপ করে। নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের জন্য প্রথমবারের মতো এই সাইটের মাধ্যমে গণমাধ্যমকর্মী ও পর্যবেক্ষকদের আবেদন নেওয়ার উদ্যোগ নেয় সংস্থাটি।
তবে তথ্য সরবরাহ ও কারিগরি জটিলতা নিয়ে সাংবাদিকদের ব্যাপক আপত্তির মুখে সেই উদ্যোগ থেকে সরে আসে ইসি। ফলে আগের মতো এবারও ম্যানুয়ালি আবেদন নিয়ে যাচাই-বাছাই শেষে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক কার্ড দেওয়া হবে।
ইসির আগের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আবেদন করতে প্রথমে এনআইডি ও ফোন নম্বর দিয়ে ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করতে হতো। নিবন্ধন সম্পন্ন হলে ড্যাশবোর্ডে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র আপলোডের মাধ্যমে আবেদন চূড়ান্ত করা হতো। ইতিমধ্যে বহু সাংবাদিক সেই আবেদন সম্পন্ন করেছিলেন। পরে অভিযোগ ওঠে, সেই আবেদনকারীদের তথ্য ফাঁস হয়েছে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য গণভোট ও সংসদ নির্বাচনের জন্য চলতি সপ্তাহেই সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক কার্ড ইস্যু করতে পারে নির্বাচন কমিশন। এবার সাড়ে ৫৫ হাজার দেশি পর্যবেক্ষক নির্বাচনী কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
অনলাইনে সাংবাদিক কার্ডের জন্য আবেদন করা প্রায় ১৪ হাজার সাংবাদিকের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হয়েছে—এমন অভিযোগ নাকচ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশনের দাবি, তাদের ওয়েবসাইটে সীমিত সময়ের জন্য কিছু তথ্য দৃশ্যমান থাকলেও তা ডাউনলোড বা অপব্যবহারের কোনো সুযোগ ছিল না।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ইসির ওয়েবসাইট থেকে সাংবাদিকদের তথ্য ফাঁসের অভিযোগ ওঠার পর এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেয় কমিশন।
ইসির জনসংযোগ পরিচালক রুহুল মল্লিক জানান, সাংবাদিকদের আপত্তির মুখে গত বৃহস্পতিবার ওয়েবসাইটে সাংবাদিকদের আবেদন কার্যক্রম ক্লোজ করে দেওয়া হয়। পরে শনিবার পর্যবেক্ষকদের আবেদনের পথটিও বন্ধ করার প্রক্রিয়া চলছিল।
এই সময়ের আগে যারা নিজেদের ড্যাশবোর্ডে লগইন করেছিলেন, তারা অ্যাডমিন প্যানেলের কিছু অংশ দেখতে পেয়েছেন। সে কারণে কিছু আবেদনকারীর নাম, এনআইডি নম্বরের মতো তথ্য স্বল্প সময়ের জন্য দৃশ্যমান হয়েছিল। তবে সেগুলো ডাউনলোড করার কোনো সুযোগ ছিল না।
তিনি বলেন, “তথ্য কেউ ফাঁস করেনি। ওয়েবসাইটে কাজ চলার সময় কিছু অংশ ওপেন ছিল। হ্যাকিং বা অন্য কোনো পন্থায় তথ্য সংগ্রহ করে অপব্যবহারের অভিযোগও পাওয়া যায়নি।”
ওয়েবসাইটটি এআই দিয়ে তৈরি—এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে রুহুল আমিন মল্লিক বলেন, এটি ইসির নিজস্ব প্রোগ্রামাররাই তৈরি করেছেন। তার ভাষায়, “এত গুরুত্বপূর্ণ একটি ওয়েবসাইট এআই দিয়ে তৈরি করা হয়েছে—এমন দাবি সঠিক নয়।”
সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন pr.ecs.gov.bd ওয়েবসাইটটি ডেভেলপ করে। নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের জন্য প্রথমবারের মতো এই সাইটের মাধ্যমে গণমাধ্যমকর্মী ও পর্যবেক্ষকদের আবেদন নেওয়ার উদ্যোগ নেয় সংস্থাটি।
তবে তথ্য সরবরাহ ও কারিগরি জটিলতা নিয়ে সাংবাদিকদের ব্যাপক আপত্তির মুখে সেই উদ্যোগ থেকে সরে আসে ইসি। ফলে আগের মতো এবারও ম্যানুয়ালি আবেদন নিয়ে যাচাই-বাছাই শেষে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক কার্ড দেওয়া হবে।
ইসির আগের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আবেদন করতে প্রথমে এনআইডি ও ফোন নম্বর দিয়ে ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করতে হতো। নিবন্ধন সম্পন্ন হলে ড্যাশবোর্ডে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র আপলোডের মাধ্যমে আবেদন চূড়ান্ত করা হতো। ইতিমধ্যে বহু সাংবাদিক সেই আবেদন সম্পন্ন করেছিলেন। পরে অভিযোগ ওঠে, সেই আবেদনকারীদের তথ্য ফাঁস হয়েছে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য গণভোট ও সংসদ নির্বাচনের জন্য চলতি সপ্তাহেই সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক কার্ড ইস্যু করতে পারে নির্বাচন কমিশন। এবার সাড়ে ৫৫ হাজার দেশি পর্যবেক্ষক নির্বাচনী কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন।

আপনার মতামত লিখুন