ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বিষয়ে গণভোট সামনে রেখে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের কার্ড দেওয়ার নিয়মে বড় পরিবর্তন এনেছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এবারই প্রথম সাংবাদিকদের কার্ড ও গাড়ির স্টিকার পেতে অনলাইনে আবেদন বাধ্যতামূলক করা হয়। তবে সাংবাদিকদের তীব্র আপত্তির মুখে গত বৃহস্পতিবার এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে নাসির উদ্দিন কমিশন।
এর আগে প্রায় ১৪ হাজার সাংবাদিক কার্ড ও স্টিকার পেতে ইসির অনলাইন সিস্টেমে আবেদন করেছিলেন। কিন্তু সেই আবেদন প্রক্রিয়ার মধ্যেই ভয়াবহ তথ্য ফাঁসের ঘটনা ঘটে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত ওয়েবসাইট pr.ecs.gov.bd–এ প্রায় ১৪ হাজার সাংবাদিকের ব্যক্তিগত তথ্য উন্মুক্ত হয়ে যায়। এতে আবেদনকারীদের নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর, মোবাইল নম্বরসহ সম্পূর্ণ আবেদনপত্র দেখার অপশন হোমপেজেই চলে আসে।
ওয়েবসাইটে প্রবেশ করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে আবেদনকারীদের তালিকা দেখা যাচ্ছিল। শুধু তালিকাই নয়, প্রতিটি আবেদনের পূর্ণাঙ্গ তথ্য আলাদাভাবে ওপেন করার সুযোগও ছিল। কিছু সময় পর অবশ্য ওয়েবসাইটটিতে আর প্রবেশ করা যায়নি।নির্বাচন কমিশন বিটের সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই জনসংযোগ শাখা অনলাইন পদ্ধতি চালু করে। পরে সাংবাদিকরা প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক করে আল্টিমেটাম দিলে ইসি অনলাইন পদ্ধতি বাতিল করে আগের নিয়মে কার্ড ও গাড়ির স্টিকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
তথ্য ফাঁসের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ শাখার পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক বলেন, “আমরা অনলাইন সিস্টেম গতকাল (শুক্রবার) বন্ধ করে দিয়েছি। আজ কীভাবে এটি ওপেন হলো, তা খোঁজ নিয়ে জানাব।”
পরে তিনি জানান, শনিবার বিকেলে ওয়েবসাইটের অ্যাডমিন দায়িত্বে থাকা একজন এটি ওপেন করেছিলেন। বর্তমানে ওয়েবসাইটটি বন্ধ রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
উল্লেখ্য, ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী অনলাইনে রেজিস্ট্রেশনের সময় আবেদনকারীদের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, ই-মেইল ঠিকানা, মোবাইল নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিতে হতো। সব ধাপ পূরণের পর মোবাইল নম্বরে পাঠানো ওটিপি যাচাইয়ের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করা হয়।
এই ঘটনায় সাংবাদিকদের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বিষয়ে গণভোট সামনে রেখে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের কার্ড দেওয়ার নিয়মে বড় পরিবর্তন এনেছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এবারই প্রথম সাংবাদিকদের কার্ড ও গাড়ির স্টিকার পেতে অনলাইনে আবেদন বাধ্যতামূলক করা হয়। তবে সাংবাদিকদের তীব্র আপত্তির মুখে গত বৃহস্পতিবার এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে নাসির উদ্দিন কমিশন।
এর আগে প্রায় ১৪ হাজার সাংবাদিক কার্ড ও স্টিকার পেতে ইসির অনলাইন সিস্টেমে আবেদন করেছিলেন। কিন্তু সেই আবেদন প্রক্রিয়ার মধ্যেই ভয়াবহ তথ্য ফাঁসের ঘটনা ঘটে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত ওয়েবসাইট pr.ecs.gov.bd–এ প্রায় ১৪ হাজার সাংবাদিকের ব্যক্তিগত তথ্য উন্মুক্ত হয়ে যায়। এতে আবেদনকারীদের নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর, মোবাইল নম্বরসহ সম্পূর্ণ আবেদনপত্র দেখার অপশন হোমপেজেই চলে আসে।
নির্বাচন কমিশন বিটের সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই জনসংযোগ শাখা অনলাইন পদ্ধতি চালু করে। পরে সাংবাদিকরা প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক করে আল্টিমেটাম দিলে ইসি অনলাইন পদ্ধতি বাতিল করে আগের নিয়মে কার্ড ও গাড়ির স্টিকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
তথ্য ফাঁসের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ শাখার পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক বলেন, “আমরা অনলাইন সিস্টেম গতকাল (শুক্রবার) বন্ধ করে দিয়েছি। আজ কীভাবে এটি ওপেন হলো, তা খোঁজ নিয়ে জানাব।”
পরে তিনি জানান, শনিবার বিকেলে ওয়েবসাইটের অ্যাডমিন দায়িত্বে থাকা একজন এটি ওপেন করেছিলেন। বর্তমানে ওয়েবসাইটটি বন্ধ রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
উল্লেখ্য, ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী অনলাইনে রেজিস্ট্রেশনের সময় আবেদনকারীদের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, ই-মেইল ঠিকানা, মোবাইল নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিতে হতো। সব ধাপ পূরণের পর মোবাইল নম্বরে পাঠানো ওটিপি যাচাইয়ের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করা হয়।
এই ঘটনায় সাংবাদিকদের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন