“নতুন বাংলাদেশ গড়তে বিএনপি’ই একমাত্র বিকল্প: তারেক রহমান”
গতকাল, ৩১ জানুয়ারি শনিবার বিকেলে সিরাজগঞ্জ বিসিক শিল্প পার্কে অনুষ্ঠিত স্মরণকালের সর্ববৃহৎ পথসভায় লাখো মানুষ মিলিত হয়ে অংশগ্রহণ করেছেন। এই সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান, যিনি জনগণের সামনে বিএনপির রাজনৈতিক এবং সামাজিক পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
পথসভায় তারেক রহমান বলেন, আগামী দিনের প্রত্যাশিত নতুন বাংলাদেশ গড়তে বিএনপি’র কোনো বিকল্প নেই। তিনি যোগ করেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় বিএনপির রয়েছে পূর্ব অভিজ্ঞতা, যা একমাত্র দলটিকেই দেশের উন্নয়ন ও কল্যাণমূলক দায়িত্ব সুচারুভাবে পালন করতে সক্ষম করে।
তারেক রহমান আরও জানান, বিএনপি ক্ষমতায় এলে নারীদের আত্মনির্ভরশীল করার জন্য ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হবে। কৃষি উন্নয়নে সার, বীজ ও কীটনাশক ভর্তুকি দেওয়া হবে এবং কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড প্রবর্তনের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়াও, উত্তরবঙ্গের কৃষি ও শিল্প খাতের পরিকল্পিত উন্নয়নের মাধ্যমে বেকার যুবকদের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা হবে।
তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ অঞ্চলে বস্ত্র শিল্পের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ, কৃষির আধুনিকায়ন, নারী শিক্ষার প্রসার এবং যুবসমাজের কারিগরি শিক্ষার বিস্তার ঘটানো হবে। তারেক রহমান বলেন, কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ করা হবে যাতে যুবসমাজ সম্মানজনক ও উচ্চ বেতনের বিদেশি চাকরির সুযোগ পেতে পারে।
পথসভায় তিনি গত ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে শহীদ এবং আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন। তারেক রহমান বলেন, “লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা রক্ষার দায়িত্ব আজ আমাদের সবার। জুলাই আন্দোলনে নিহত, আহত ও নির্যাতিতদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য আমাদের সবাইকে জনগণের মতামত, সহযোগিতা ও পরামর্শের ভিত্তিতে নতুন বাংলাদেশ গড়তে হবে।”
তিনি ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ১২ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে বিজয়ী করলে, ১৩ই ফেব্রুয়ারি থেকেই নতুন বাংলাদেশ গঠনের কার্যক্রম শুরু হবে। এসময় তিনি সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলা থেকে বিএনপি ধানের শীষ প্রতীকে মনোনীত প্রার্থীদের পরিচয় করান।
পথসভায় উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অত্যন্ত স্বল্প সময়ের নোটিশে সিরাজগঞ্জ জেলায় এমন বিশাল জনসমাগম অতীতে নজিরবিহীন। তারা বলেন, এটি ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনসমর্থনের এক শক্তিশালী প্রতিফলন।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
“নতুন বাংলাদেশ গড়তে বিএনপি’ই একমাত্র বিকল্প: তারেক রহমান”
গতকাল, ৩১ জানুয়ারি শনিবার বিকেলে সিরাজগঞ্জ বিসিক শিল্প পার্কে অনুষ্ঠিত স্মরণকালের সর্ববৃহৎ পথসভায় লাখো মানুষ মিলিত হয়ে অংশগ্রহণ করেছেন। এই সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান, যিনি জনগণের সামনে বিএনপির রাজনৈতিক এবং সামাজিক পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
পথসভায় তারেক রহমান বলেন, আগামী দিনের প্রত্যাশিত নতুন বাংলাদেশ গড়তে বিএনপি’র কোনো বিকল্প নেই। তিনি যোগ করেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় বিএনপির রয়েছে পূর্ব অভিজ্ঞতা, যা একমাত্র দলটিকেই দেশের উন্নয়ন ও কল্যাণমূলক দায়িত্ব সুচারুভাবে পালন করতে সক্ষম করে।
তারেক রহমান আরও জানান, বিএনপি ক্ষমতায় এলে নারীদের আত্মনির্ভরশীল করার জন্য ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হবে। কৃষি উন্নয়নে সার, বীজ ও কীটনাশক ভর্তুকি দেওয়া হবে এবং কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড প্রবর্তনের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়াও, উত্তরবঙ্গের কৃষি ও শিল্প খাতের পরিকল্পিত উন্নয়নের মাধ্যমে বেকার যুবকদের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা হবে।
তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ অঞ্চলে বস্ত্র শিল্পের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ, কৃষির আধুনিকায়ন, নারী শিক্ষার প্রসার এবং যুবসমাজের কারিগরি শিক্ষার বিস্তার ঘটানো হবে। তারেক রহমান বলেন, কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ করা হবে যাতে যুবসমাজ সম্মানজনক ও উচ্চ বেতনের বিদেশি চাকরির সুযোগ পেতে পারে।
পথসভায় তিনি গত ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে শহীদ এবং আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন। তারেক রহমান বলেন, “লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা রক্ষার দায়িত্ব আজ আমাদের সবার। জুলাই আন্দোলনে নিহত, আহত ও নির্যাতিতদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য আমাদের সবাইকে জনগণের মতামত, সহযোগিতা ও পরামর্শের ভিত্তিতে নতুন বাংলাদেশ গড়তে হবে।”
তিনি ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ১২ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে বিজয়ী করলে, ১৩ই ফেব্রুয়ারি থেকেই নতুন বাংলাদেশ গঠনের কার্যক্রম শুরু হবে। এসময় তিনি সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলা থেকে বিএনপি ধানের শীষ প্রতীকে মনোনীত প্রার্থীদের পরিচয় করান।
পথসভায় উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অত্যন্ত স্বল্প সময়ের নোটিশে সিরাজগঞ্জ জেলায় এমন বিশাল জনসমাগম অতীতে নজিরবিহীন। তারা বলেন, এটি ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনসমর্থনের এক শক্তিশালী প্রতিফলন।

আপনার মতামত লিখুন