বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, নারীদের ওপর কোনো ধরনের আক্রমণ বা তাদের হিজাব নিয়ে টানাটানি করা হলে তা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে আয়োজিত এক নির্বাচনি সমাবেশে তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, একটি রাজনৈতিক দল নিজেদের পরাজয় নিশ্চিত জেনে নারীদের ওপর হামলা করার মতো কাপুরুষোচিত কাজ করছে।
মাওলানা মামুনুল হক সমাবেশে উপস্থিত জনসাধারণের উদ্দেশে বলেন, কেউ যদি মা-বোনদের দিকে ভিন্ন দৃষ্টিতে তাকায় বা তাদের অসম্মান করে, তবে তাদের হাত ভেঙে গুঁড়িয়ে দিতে হবে এবং চোখ উপড়ে ফেলতে হবে। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, পুনরায় যদি নারী সমাজের গায়ে হাত তোলা হয়, তবে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে তা সামাল দেওয়ার ক্ষমতা কারও থাকবে না।
বক্তব্যে তিনি নাম উল্লেখ না করে একটি গোষ্ঠীকে ‘মুনাফিক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন, একটি দল প্রকাশ্যে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের কথা বললেও গোপনে ‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে। তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, দ্বিমুখী আচরণকারী কোনো গোষ্ঠী আর বাংলাদেশ শাসন করতে পারবে না এবং বাংলার মানুষ তাদের প্রত্যাখ্যান করবে।
ভোটারদের সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি কেবল ভোট দিলেই হবে না, ভোটকেন্দ্র পাহারাদারিও করতে হবে। কোনো ভোটচোর যদি ভোট চুরি করতে আসে, তবে তাদের ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করার নির্দেশ দেন তিনি। সমাবেশটিতে স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় ওলামায়ে কেরাম এবং ১১ দলীয় জোটের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, নারীদের ওপর কোনো ধরনের আক্রমণ বা তাদের হিজাব নিয়ে টানাটানি করা হলে তা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে আয়োজিত এক নির্বাচনি সমাবেশে তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, একটি রাজনৈতিক দল নিজেদের পরাজয় নিশ্চিত জেনে নারীদের ওপর হামলা করার মতো কাপুরুষোচিত কাজ করছে।
মাওলানা মামুনুল হক সমাবেশে উপস্থিত জনসাধারণের উদ্দেশে বলেন, কেউ যদি মা-বোনদের দিকে ভিন্ন দৃষ্টিতে তাকায় বা তাদের অসম্মান করে, তবে তাদের হাত ভেঙে গুঁড়িয়ে দিতে হবে এবং চোখ উপড়ে ফেলতে হবে। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, পুনরায় যদি নারী সমাজের গায়ে হাত তোলা হয়, তবে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে তা সামাল দেওয়ার ক্ষমতা কারও থাকবে না।
বক্তব্যে তিনি নাম উল্লেখ না করে একটি গোষ্ঠীকে ‘মুনাফিক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন, একটি দল প্রকাশ্যে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের কথা বললেও গোপনে ‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে। তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, দ্বিমুখী আচরণকারী কোনো গোষ্ঠী আর বাংলাদেশ শাসন করতে পারবে না এবং বাংলার মানুষ তাদের প্রত্যাখ্যান করবে।
ভোটারদের সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি কেবল ভোট দিলেই হবে না, ভোটকেন্দ্র পাহারাদারিও করতে হবে। কোনো ভোটচোর যদি ভোট চুরি করতে আসে, তবে তাদের ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করার নির্দেশ দেন তিনি। সমাবেশটিতে স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় ওলামায়ে কেরাম এবং ১১ দলীয় জোটের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন