মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এক ব্যতিক্রমী রাজনৈতিক সমীকরণ দেখা যাচ্ছে। বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী কামাল জামান মোল্লার পক্ষে বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের একাধিক শীর্ষ নেতার প্রকাশ্য প্রচারণা এলাকায় ব্যাপক কৌতূহল ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। নির্বাচনের আগমুহূর্তে মামলার আসামি হিসেবে পরিচিত এসব নেতার অবাধ বিচরণ সাধারণ ভোটারদের মধ্যে কিছুটা আতঙ্ক তৈরি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে যে শিবচর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান দেলোয়ার বেপারী এবং পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন তোতা খানসহ বেশ কয়েকজন নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী কামাল জামান মোল্লার 'জাহাজ' প্রতীকের সমর্থনে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। আব্দুল লতিফ মোল্লার বাড়িতে অনুষ্ঠিত একটি উঠান বৈঠকের ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এই বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। আওয়ামী লীগের এসব নেতার বিরুদ্ধে ছাত্র হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলে স্থানীয়রা দাবি করছেন।
কামাল জামান মোল্লা মূলত শিবচর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় গত জানুয়ারিতে তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়। এরপর থেকেই তার পক্ষে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের প্রকাশ্য তৎপরতা বাড়তে শুরু করে। বিএনপির তৃণমূলের অনেক নেতাকর্মী এই ঘটনাকে আওয়ামী লীগের বিতর্কিত নেতাদের 'পুনর্বাসনের' চেষ্টা হিসেবে দেখছেন।
জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে এই পরিস্থিতির নিন্দা জানানো হয়েছে। জেলা বিএনপির সদস্য হেলেন জেরিন খান প্রশ্ন তুলেছেন যে যাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে তারা কীভাবে প্রকাশ্যে প্রচারণা চালাচ্ছেন। তবে শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন যে প্রচারণা চালানো কারো ব্যক্তিগত বিষয় হতে পারে এবং পুলিশের মূল লক্ষ্য হলো নির্বাচনের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা।
১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য এই নির্বাচনে মাদারীপুর-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর পাশাপাশি কামাল জামান মোল্লা এবং সাজ্জাদ হোসেন সিদ্দিকী বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাদের এই সক্রিয়তা ভোটের মাঠে কোনো প্রভাব ফেলে কি না এখন সেটিই দেখার বিষয়।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এক ব্যতিক্রমী রাজনৈতিক সমীকরণ দেখা যাচ্ছে। বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী কামাল জামান মোল্লার পক্ষে বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের একাধিক শীর্ষ নেতার প্রকাশ্য প্রচারণা এলাকায় ব্যাপক কৌতূহল ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। নির্বাচনের আগমুহূর্তে মামলার আসামি হিসেবে পরিচিত এসব নেতার অবাধ বিচরণ সাধারণ ভোটারদের মধ্যে কিছুটা আতঙ্ক তৈরি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে যে শিবচর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান দেলোয়ার বেপারী এবং পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন তোতা খানসহ বেশ কয়েকজন নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী কামাল জামান মোল্লার 'জাহাজ' প্রতীকের সমর্থনে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। আব্দুল লতিফ মোল্লার বাড়িতে অনুষ্ঠিত একটি উঠান বৈঠকের ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এই বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। আওয়ামী লীগের এসব নেতার বিরুদ্ধে ছাত্র হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলে স্থানীয়রা দাবি করছেন।
কামাল জামান মোল্লা মূলত শিবচর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় গত জানুয়ারিতে তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়। এরপর থেকেই তার পক্ষে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের প্রকাশ্য তৎপরতা বাড়তে শুরু করে। বিএনপির তৃণমূলের অনেক নেতাকর্মী এই ঘটনাকে আওয়ামী লীগের বিতর্কিত নেতাদের 'পুনর্বাসনের' চেষ্টা হিসেবে দেখছেন।
জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে এই পরিস্থিতির নিন্দা জানানো হয়েছে। জেলা বিএনপির সদস্য হেলেন জেরিন খান প্রশ্ন তুলেছেন যে যাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে তারা কীভাবে প্রকাশ্যে প্রচারণা চালাচ্ছেন। তবে শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন যে প্রচারণা চালানো কারো ব্যক্তিগত বিষয় হতে পারে এবং পুলিশের মূল লক্ষ্য হলো নির্বাচনের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা।
১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য এই নির্বাচনে মাদারীপুর-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর পাশাপাশি কামাল জামান মোল্লা এবং সাজ্জাদ হোসেন সিদ্দিকী বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাদের এই সক্রিয়তা ভোটের মাঠে কোনো প্রভাব ফেলে কি না এখন সেটিই দেখার বিষয়।

আপনার মতামত লিখুন