চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনটি ঐতিহাসিকভাবে বিএনপির শক্তিশালী ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত হলেও আসন্ন নির্বাচনে দলীয় বিভক্তি ও বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে দলটি। বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী লিয়াকত আলীর শক্ত অবস্থানের কারণে মূলত চাপে পড়েছেন ধানের শীষের প্রার্থী মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা। দলীয় ভোট দুই ভাগে বিভক্ত হওয়ার এই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে আসনটি নিজেদের দখলে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে জামায়াতে ইসলামী।
বিএনপি থেকে এ আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পাকে। তিনি সাবেক মন্ত্রী মরহুম জাফরুল ইসলাম চৌধুরীর পুত্র। পাপ্পা তার বাবার জনপ্রিয়তা এবং তারেক রহমানের ৩১ দফার ওপর ভিত্তি করে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। তবে তার প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে প্রার্থী হওয়ায় বিএনপি তাকে বহিষ্কার করলেও মাঠে তার ব্যাপক জনসমর্থন লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা ধানের শীষের ভোটব্যাংকে বড় ফাটল ধরাতে পারে।
এই রাজনৈতিক সমীকরণে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা জহিরুল ইসলাম। বিএনপির ভোট ভাগাভাগি হলে সুসংগঠিত জামায়াত ভোটারদের সমর্থনে বিজয়ী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন তিনি। এছাড়া মাঠে রয়েছেন ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা হাফেজ রুহুল্লাহ তালুকদার এবং গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী আরিফুল ইসলাম তায়েফ। যদিও মূল লড়াইটি বিএনপি, জামায়াত ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বাঁশখালীর ৩ লাখ ৭৬ হাজার ৯০৬ জন ভোটারের রায় শেষ পর্যন্ত কার দিকে যাবে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল রয়েছে। একদিকে যেমন জাফরুল ইসলাম চৌধুরীর উত্তরাধিকার রক্ষার লড়াই, অন্যদিকে লিয়াকত আলীর ব্যক্তি ইমেজ এবং জামায়াতের আদর্শিক ভোট—এই ত্রিমুখী লড়াইয়ে জয়ী হতে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির অনুসারী ভোটারদের ভূমিকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনটি ঐতিহাসিকভাবে বিএনপির শক্তিশালী ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত হলেও আসন্ন নির্বাচনে দলীয় বিভক্তি ও বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে দলটি। বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী লিয়াকত আলীর শক্ত অবস্থানের কারণে মূলত চাপে পড়েছেন ধানের শীষের প্রার্থী মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা। দলীয় ভোট দুই ভাগে বিভক্ত হওয়ার এই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে আসনটি নিজেদের দখলে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে জামায়াতে ইসলামী।
বিএনপি থেকে এ আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পাকে। তিনি সাবেক মন্ত্রী মরহুম জাফরুল ইসলাম চৌধুরীর পুত্র। পাপ্পা তার বাবার জনপ্রিয়তা এবং তারেক রহমানের ৩১ দফার ওপর ভিত্তি করে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। তবে তার প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে প্রার্থী হওয়ায় বিএনপি তাকে বহিষ্কার করলেও মাঠে তার ব্যাপক জনসমর্থন লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা ধানের শীষের ভোটব্যাংকে বড় ফাটল ধরাতে পারে।
এই রাজনৈতিক সমীকরণে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা জহিরুল ইসলাম। বিএনপির ভোট ভাগাভাগি হলে সুসংগঠিত জামায়াত ভোটারদের সমর্থনে বিজয়ী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন তিনি। এছাড়া মাঠে রয়েছেন ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা হাফেজ রুহুল্লাহ তালুকদার এবং গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী আরিফুল ইসলাম তায়েফ। যদিও মূল লড়াইটি বিএনপি, জামায়াত ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বাঁশখালীর ৩ লাখ ৭৬ হাজার ৯০৬ জন ভোটারের রায় শেষ পর্যন্ত কার দিকে যাবে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল রয়েছে। একদিকে যেমন জাফরুল ইসলাম চৌধুরীর উত্তরাধিকার রক্ষার লড়াই, অন্যদিকে লিয়াকত আলীর ব্যক্তি ইমেজ এবং জামায়াতের আদর্শিক ভোট—এই ত্রিমুখী লড়াইয়ে জয়ী হতে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির অনুসারী ভোটারদের ভূমিকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন