মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে অপ্রাপ্তবয়স্ক কনের ইচ্ছার বিরুদ্ধে আয়োজন করা বিয়ে থেমে যায়। কনের আগেভাগে থানায় আশ্রয় নেওয়ায় পরিবারকে বাধ্য করা হয় বিয়ে বন্ধ করার জন্য।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কনের সঙ্গে নারায়ণগঞ্জের এক যুবকের পারিবারিকভাবে বিয়ে ঠিক হয়েছিল। দুপুরে বরযাত্রীরা কনের বাড়িতে পৌঁছে খাবার-দাওয়ার আয়োজন শুরু করলেও, কনে আগেভাগে বাড়ি থেকে বের হয়ে সিরাজদিখান থানায় আশ্রয় নেন। সে ওই বিয়েতে অনিচ্ছুক ছিলেন এবং নিজের পছন্দের ব্যক্তি বিয়ের জন্য বেছে নিতে চেয়েছিলেন।
সিরাজদিখান থানার এএসআই কামরুল ইসলাম জানান, কনের বয়সও আইনগতভাবে বিয়ে করার উপযুক্ত নয়। তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে পরিবার জোরপূর্বক বিয়ে দিতে চাচ্ছিল। মেয়েটি থানার সহযোগিতা নিয়ে নিজের সুরক্ষা নিশ্চিত করেছেন।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ হান্নান বলেন, “মেয়ের মতামত উপেক্ষা করে পরিবার বিয়ে আয়োজন করেছিল। আমরা অভিভাবকদের ডেকে কনের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছি। পরে অভিভাবকরা স্বেচ্ছায় বিয়ে ভেঙে দেন।” কনেকে পরে পরিবারের কাছে ফেরত পাঠানো হয়।
মেয়ের মা সাংবাদিকদের বলেন, “মেয়ে রাজি না থাকায় বিয়ে হয়নি। সে এখন বাড়িতেই আছে।”
এ ঘটনায় কনের সাহসিকতা, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং মেয়ের ইচ্ছাকে প্রাধান্য দেওয়ার গুরুত্ব পুনরায় সামনে এসেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে অপ্রাপ্তবয়স্ক কনের ইচ্ছার বিরুদ্ধে আয়োজন করা বিয়ে থেমে যায়। কনের আগেভাগে থানায় আশ্রয় নেওয়ায় পরিবারকে বাধ্য করা হয় বিয়ে বন্ধ করার জন্য।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কনের সঙ্গে নারায়ণগঞ্জের এক যুবকের পারিবারিকভাবে বিয়ে ঠিক হয়েছিল। দুপুরে বরযাত্রীরা কনের বাড়িতে পৌঁছে খাবার-দাওয়ার আয়োজন শুরু করলেও, কনে আগেভাগে বাড়ি থেকে বের হয়ে সিরাজদিখান থানায় আশ্রয় নেন। সে ওই বিয়েতে অনিচ্ছুক ছিলেন এবং নিজের পছন্দের ব্যক্তি বিয়ের জন্য বেছে নিতে চেয়েছিলেন।
সিরাজদিখান থানার এএসআই কামরুল ইসলাম জানান, কনের বয়সও আইনগতভাবে বিয়ে করার উপযুক্ত নয়। তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে পরিবার জোরপূর্বক বিয়ে দিতে চাচ্ছিল। মেয়েটি থানার সহযোগিতা নিয়ে নিজের সুরক্ষা নিশ্চিত করেছেন।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ হান্নান বলেন, “মেয়ের মতামত উপেক্ষা করে পরিবার বিয়ে আয়োজন করেছিল। আমরা অভিভাবকদের ডেকে কনের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছি। পরে অভিভাবকরা স্বেচ্ছায় বিয়ে ভেঙে দেন।” কনেকে পরে পরিবারের কাছে ফেরত পাঠানো হয়।
মেয়ের মা সাংবাদিকদের বলেন, “মেয়ে রাজি না থাকায় বিয়ে হয়নি। সে এখন বাড়িতেই আছে।”
এ ঘটনায় কনের সাহসিকতা, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং মেয়ের ইচ্ছাকে প্রাধান্য দেওয়ার গুরুত্ব পুনরায় সামনে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন