মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার ও আরও চারজনসহ মোট পাঁচ/ছয় জন প্যাসেঞ্জার একটি প্রাইভেট চার্টার জেট বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনা ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বারামতী, পুণে জেলা (মহারাষ্ট্র, ভারত)‑এ ল্যান্ডিংয়ের সময় ঘটে।
বিমানটি মুম্বাই থেকে বারামতীর দিকে যাচ্ছিল এবং রানওয়ের কাছে বিধ্বস্ত হয়ে অবতরণ করার সময় আগুন ধরে যায়। বিমানে ছিলেন পাওয়ারের সঙ্গে দুই স্টাফ ও দুই ক্রু সদস্য; কেউই বাঁচতে পারেনি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন বিমানটি রানওয়ের কাছে আছড়ে পড়ার পর বিস্ফোরণের মতো ঘটনা ঘটে এবং আগুনে পুরো বিমান ধ্বংস হয়ে যায়। দুর্ঘটনাস্থলে উদ্ধার কাজ দ্রুত শুরু হলেও তীব্র আগুনের কারণে তা ব্যাহত হয়।
মহারাষ্ট্র সরকার এই ঘটনার জন্য তদন্ত শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অজিত পাওয়ারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং তার পরিবার ও আত্মীয়দের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যথাযথ ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবিও তুলেছেন।
রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় বহু রাজনৈতিক নেতাই শোক প্রকাশ করেছেন এবং ঘটনাটিকে “দুঃখজনক” বলে উল্লেখ করেছেন।
উল্লেখ্য, অজিত পাওয়ার ছিলেন মহারাষ্ট্রের ডেপুটি চিফ মিনিস্টার এবং রাজ্যের অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা, যিনি দীর্ঘ সময় ধরে রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন এবং রাজ্য ও কেন্দ্রের অনেক সরকারে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার ও আরও চারজনসহ মোট পাঁচ/ছয় জন প্যাসেঞ্জার একটি প্রাইভেট চার্টার জেট বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনা ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বারামতী, পুণে জেলা (মহারাষ্ট্র, ভারত)‑এ ল্যান্ডিংয়ের সময় ঘটে।
বিমানটি মুম্বাই থেকে বারামতীর দিকে যাচ্ছিল এবং রানওয়ের কাছে বিধ্বস্ত হয়ে অবতরণ করার সময় আগুন ধরে যায়। বিমানে ছিলেন পাওয়ারের সঙ্গে দুই স্টাফ ও দুই ক্রু সদস্য; কেউই বাঁচতে পারেনি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন বিমানটি রানওয়ের কাছে আছড়ে পড়ার পর বিস্ফোরণের মতো ঘটনা ঘটে এবং আগুনে পুরো বিমান ধ্বংস হয়ে যায়। দুর্ঘটনাস্থলে উদ্ধার কাজ দ্রুত শুরু হলেও তীব্র আগুনের কারণে তা ব্যাহত হয়।
মহারাষ্ট্র সরকার এই ঘটনার জন্য তদন্ত শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অজিত পাওয়ারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং তার পরিবার ও আত্মীয়দের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যথাযথ ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবিও তুলেছেন।
রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় বহু রাজনৈতিক নেতাই শোক প্রকাশ করেছেন এবং ঘটনাটিকে “দুঃখজনক” বলে উল্লেখ করেছেন।
উল্লেখ্য, অজিত পাওয়ার ছিলেন মহারাষ্ট্রের ডেপুটি চিফ মিনিস্টার এবং রাজ্যের অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা, যিনি দীর্ঘ সময় ধরে রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন এবং রাজ্য ও কেন্দ্রের অনেক সরকারে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন