শেরপুর জেলা বিএনপির ৪১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি স্থগিত ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় দলীয় কার্যালয়। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম ও সদস্য সচিব এবিএম মামুনুর রশীদ পলাশের নেতৃত্বাধীন শেরপুর জেলা বিএনপির ৪১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষর রয়েছে।
কমিটি স্থগিতের পর শেরপুর জেলা বিএনপির সাধারণ কার্যক্রম ও সভা-সমিতির সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে কেন্দ্রীয় নির্দেশনার মাধ্যমে। দলীয় সূত্রে জানা যায়, কমিটি স্থগিতের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পেছনে স্থানীয় সংগঠনের কার্যক্রম ও কেন্দ্রীয় দিকনির্দেশনার সামঞ্জস্যতা পরীক্ষা করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে বিএনপির শেরপুর জেলা ওয়ার্কার্স দলীয় নেতা-কর্মীরা মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। কেউ কেউ বলেন, এটি জেলা সংগঠনের জন্য সময়োপযোগী সংস্কার। তবে অনেকে আশা করছেন, দ্রুত নতুন নির্দেশনা দিয়ে কার্যক্রম পুনরায় স্বাভাবিক করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, জেলা কমিটির স্থগিতাদেশের বিষয়ে সাধারণ সদস্যদের শংকা বা বিভ্রান্তি না থাকার জন্য সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
শেরপুর জেলা বিএনপির ৪১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি স্থগিত ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় দলীয় কার্যালয়। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম ও সদস্য সচিব এবিএম মামুনুর রশীদ পলাশের নেতৃত্বাধীন শেরপুর জেলা বিএনপির ৪১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষর রয়েছে।
কমিটি স্থগিতের পর শেরপুর জেলা বিএনপির সাধারণ কার্যক্রম ও সভা-সমিতির সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে কেন্দ্রীয় নির্দেশনার মাধ্যমে। দলীয় সূত্রে জানা যায়, কমিটি স্থগিতের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পেছনে স্থানীয় সংগঠনের কার্যক্রম ও কেন্দ্রীয় দিকনির্দেশনার সামঞ্জস্যতা পরীক্ষা করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে বিএনপির শেরপুর জেলা ওয়ার্কার্স দলীয় নেতা-কর্মীরা মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। কেউ কেউ বলেন, এটি জেলা সংগঠনের জন্য সময়োপযোগী সংস্কার। তবে অনেকে আশা করছেন, দ্রুত নতুন নির্দেশনা দিয়ে কার্যক্রম পুনরায় স্বাভাবিক করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, জেলা কমিটির স্থগিতাদেশের বিষয়ে সাধারণ সদস্যদের শংকা বা বিভ্রান্তি না থাকার জন্য সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন