বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন যে আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে ক্ষমতায় গেলে তাঁর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট ভারতের যেকোনো ধরণের আধিপত্য ও প্রভাব বিস্তার রুখে দেবে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে এই জোট ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে বলে তিনি ঘোষণা দেন। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ জেকে হাইস্কুল মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মাওলানা মামুনুল হক অভিযোগ করে বলেন যে নির্বাচনি মাঠে জোটের কর্মী-সমর্থকদের পরিকল্পিতভাবে নানা প্রতিবন্ধকতার মুখে ফেলা হচ্ছে। বিশেষ করে নারী কর্মীরা যখন ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন, তখন তাঁদের নানাভাবে বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে। এই ধরণের আচরণ নির্বাচনি শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং সুষ্ঠু পরিবেশের জন্য হুমকি বলে তিনি মন্তব্য করেন।
প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন যে একটি শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য কমিশনকে আরও কঠোর ও দায়িত্বশীল হতে হবে। একই সঙ্গে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কোনো নির্দিষ্ট দলের পক্ষ না নিয়ে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থেকে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। বিশেষ করে নারী ভোটার ও নারী কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
হবিগঞ্জের এই নির্বাচনি জনসভায় ১১ দলীয় জোটের স্থানীয় প্রার্থীরাও বক্তব্য রাখেন। মামুনুল হক উপস্থিত সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলেন যে এদেশের মানুষ আর কোনো আধিপত্যবাদী শক্তিকে মেনে নেবে না এবং ব্যালটের মাধ্যমেই তাঁরা তার দাঁতভাঙা জবাব দেবে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন যে আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে ক্ষমতায় গেলে তাঁর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট ভারতের যেকোনো ধরণের আধিপত্য ও প্রভাব বিস্তার রুখে দেবে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে এই জোট ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে বলে তিনি ঘোষণা দেন। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ জেকে হাইস্কুল মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মাওলানা মামুনুল হক অভিযোগ করে বলেন যে নির্বাচনি মাঠে জোটের কর্মী-সমর্থকদের পরিকল্পিতভাবে নানা প্রতিবন্ধকতার মুখে ফেলা হচ্ছে। বিশেষ করে নারী কর্মীরা যখন ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন, তখন তাঁদের নানাভাবে বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে। এই ধরণের আচরণ নির্বাচনি শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং সুষ্ঠু পরিবেশের জন্য হুমকি বলে তিনি মন্তব্য করেন।
প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন যে একটি শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য কমিশনকে আরও কঠোর ও দায়িত্বশীল হতে হবে। একই সঙ্গে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কোনো নির্দিষ্ট দলের পক্ষ না নিয়ে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থেকে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। বিশেষ করে নারী ভোটার ও নারী কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
হবিগঞ্জের এই নির্বাচনি জনসভায় ১১ দলীয় জোটের স্থানীয় প্রার্থীরাও বক্তব্য রাখেন। মামুনুল হক উপস্থিত সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলেন যে এদেশের মানুষ আর কোনো আধিপত্যবাদী শক্তিকে মেনে নেবে না এবং ব্যালটের মাধ্যমেই তাঁরা তার দাঁতভাঙা জবাব দেবে।

আপনার মতামত লিখুন