ভারতের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দীর্ঘ প্রতীক্ষিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিকে কেন্দ্র করে কঠোর সমালোচনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প প্রশাসনের শীর্ষ অর্থনৈতিক কর্মকর্তারা অভিযোগ করেছেন, এই চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপ পরোক্ষভাবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে অর্থায়ন করছে।
মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট বলেছেন, যদিও ইউরোপ সরাসরি রাশিয়ার সঙ্গে তেল লেনদেন সীমিত করেছে, তবু ভারতের কাছ থেকে পরিশোধিত রুশ তেল কিনে তারা পরোক্ষভাবে যুদ্ধের অর্থ জোগান দিচ্ছে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় ইউরোপের পদক্ষেপকে 'ভারসাম্যহীন' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
বেসেন্ট বলেন, ওয়াশিংটন রাশিয়ার তেল বাণিজ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে এবং ভারতের ওপর শাস্তি হিসেবে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে, কিন্তু ইউরোপ ভারত থেকে পরিশোধিত তেল ক্রয় করে নিজেদের সুবিধা গ্রহণ করছে। তিনি আরও বলেন, রুশ তেল ভারতে যায়, সেখানে পরিশোধিত হয়, তারপর ইউরোপ তা ক্রয় করে। এভাবে তারা নিজেরাই নিজেদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের অর্থায়ন করছে।
এই মন্তব্য এসেছে ঠিক সেই সময়ে, যখন ভারত ও ইইউ প্রায় ১৪ বছরের আলোচনার পর আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি ঘোষণা করতে যাচ্ছে। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন এই চুক্তিকে 'সব বাণিজ্য চুক্তির জননী' হিসেবে অভিহিত করেছেন।
এই চুক্তি ঘোষণা বিশ্ব বাণিজ্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতি এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক অর্থনীতি ও কূটনীতিতে উত্তেজনা সৃষ্টি করছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
ভারতের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দীর্ঘ প্রতীক্ষিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিকে কেন্দ্র করে কঠোর সমালোচনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প প্রশাসনের শীর্ষ অর্থনৈতিক কর্মকর্তারা অভিযোগ করেছেন, এই চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপ পরোক্ষভাবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে অর্থায়ন করছে।
মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট বলেছেন, যদিও ইউরোপ সরাসরি রাশিয়ার সঙ্গে তেল লেনদেন সীমিত করেছে, তবু ভারতের কাছ থেকে পরিশোধিত রুশ তেল কিনে তারা পরোক্ষভাবে যুদ্ধের অর্থ জোগান দিচ্ছে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় ইউরোপের পদক্ষেপকে 'ভারসাম্যহীন' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
বেসেন্ট বলেন, ওয়াশিংটন রাশিয়ার তেল বাণিজ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে এবং ভারতের ওপর শাস্তি হিসেবে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে, কিন্তু ইউরোপ ভারত থেকে পরিশোধিত তেল ক্রয় করে নিজেদের সুবিধা গ্রহণ করছে। তিনি আরও বলেন, রুশ তেল ভারতে যায়, সেখানে পরিশোধিত হয়, তারপর ইউরোপ তা ক্রয় করে। এভাবে তারা নিজেরাই নিজেদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের অর্থায়ন করছে।
এই মন্তব্য এসেছে ঠিক সেই সময়ে, যখন ভারত ও ইইউ প্রায় ১৪ বছরের আলোচনার পর আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি ঘোষণা করতে যাচ্ছে। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন এই চুক্তিকে 'সব বাণিজ্য চুক্তির জননী' হিসেবে অভিহিত করেছেন।
এই চুক্তি ঘোষণা বিশ্ব বাণিজ্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতি এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক অর্থনীতি ও কূটনীতিতে উত্তেজনা সৃষ্টি করছে।

আপনার মতামত লিখুন