মানিকগঞ্জ-২ আসনে জামায়াত ইসলামের প্রার্থী মোঃ জাহিদুর রহমান মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী থানা বিএনপির সভাপতি আবিদুর রহমান খান রোমানও মনোনয়ন প্রত্যাহার করায় বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রার্থী প্রকৌশলী মঈনুল ইসলাম খান শান্ত ভোটের সমীকরণে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন বলে মনে করছেন নেতা-কর্মীরা। তবে প্রতীক বরাদ্দের আগের দিন উচ্চ আদালতের রায়ে জাতীয় পার্টি প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ হওয়ায় কিছুটা জটিলতা তৈরি হয়েছে।
জাহিদুর রহমান মনোনয়ন পাওয়ার আগে এবং পরে প্রতিটি অঞ্চলে দলীয় কর্মীদের নিয়ে ব্যাপক কাজ করেছেন। তিনি ছাত্রশিবির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি হিসেবে মাঠে গণসংযোগে ব্যাপক সাড়া পান। নির্বাচনী জোটের আসন বন্টনের হিসাব অনুযায়ী জামায়াত এই আসনটি ছাড়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসকে। নতুন প্রার্থী মোঃ সালাউদ্দিন মানিকগঞ্জ ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার হেড মুহাদ্দিস হলেও এলাকায় তেমন পরিচিত নন, যদিও তিনি কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শায়খুল হাদিস হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
জাহিদুর রহমানের প্রার্থী না হওয়ায় অনেক নেতা-কর্মী হতাশ। তারা মনে করেন, বিপুল সংখ্যক ভোট পেলে আসনটি জামায়াতের ঘরে তোলা যেত। জোটের মিছিলে তাদের উপস্থিতি নেই, এবং এ বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
অপরদিকে বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান মাহাবুবুর রহমান মিঠু ও পৌর বিএনপি সভাপতি খোরসেদ আলম ভূইয়া দলের একটি অংশকে বাদ দিয়ে নিজস্বভাবে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন। বিদ্রোহী প্রার্থী রোমান দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন।
ধানের শীষ প্রার্থী মঈনুল ইসলাম খান শান্ত সাবেক সফল শিল্পমন্ত্রী ও চারবারের এমপি মরহুম শামসুল ইসলাম খান নয়া মিয়ার ছেলে হিসেবে পরিচিত। তিনি দিন-রাত গণসংযোগ চালাচ্ছেন এবং তার ব্যক্তিগত ইমেজ ভোটে সুবিধা দিচ্ছে। জাতীয় পার্টি প্রার্থী প্রকৌশলী এসএম আব্দুল মান্নান লাঙ্গল প্রতিক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোহাম্মদ আলী হাত-পাখা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন এবং ইসলামের জয় আশা করছেন।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
মানিকগঞ্জ-২ আসনে জামায়াত ইসলামের প্রার্থী মোঃ জাহিদুর রহমান মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী থানা বিএনপির সভাপতি আবিদুর রহমান খান রোমানও মনোনয়ন প্রত্যাহার করায় বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রার্থী প্রকৌশলী মঈনুল ইসলাম খান শান্ত ভোটের সমীকরণে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন বলে মনে করছেন নেতা-কর্মীরা। তবে প্রতীক বরাদ্দের আগের দিন উচ্চ আদালতের রায়ে জাতীয় পার্টি প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ হওয়ায় কিছুটা জটিলতা তৈরি হয়েছে।
জাহিদুর রহমান মনোনয়ন পাওয়ার আগে এবং পরে প্রতিটি অঞ্চলে দলীয় কর্মীদের নিয়ে ব্যাপক কাজ করেছেন। তিনি ছাত্রশিবির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি হিসেবে মাঠে গণসংযোগে ব্যাপক সাড়া পান। নির্বাচনী জোটের আসন বন্টনের হিসাব অনুযায়ী জামায়াত এই আসনটি ছাড়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসকে। নতুন প্রার্থী মোঃ সালাউদ্দিন মানিকগঞ্জ ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার হেড মুহাদ্দিস হলেও এলাকায় তেমন পরিচিত নন, যদিও তিনি কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শায়খুল হাদিস হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
জাহিদুর রহমানের প্রার্থী না হওয়ায় অনেক নেতা-কর্মী হতাশ। তারা মনে করেন, বিপুল সংখ্যক ভোট পেলে আসনটি জামায়াতের ঘরে তোলা যেত। জোটের মিছিলে তাদের উপস্থিতি নেই, এবং এ বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
অপরদিকে বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান মাহাবুবুর রহমান মিঠু ও পৌর বিএনপি সভাপতি খোরসেদ আলম ভূইয়া দলের একটি অংশকে বাদ দিয়ে নিজস্বভাবে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন। বিদ্রোহী প্রার্থী রোমান দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন।
ধানের শীষ প্রার্থী মঈনুল ইসলাম খান শান্ত সাবেক সফল শিল্পমন্ত্রী ও চারবারের এমপি মরহুম শামসুল ইসলাম খান নয়া মিয়ার ছেলে হিসেবে পরিচিত। তিনি দিন-রাত গণসংযোগ চালাচ্ছেন এবং তার ব্যক্তিগত ইমেজ ভোটে সুবিধা দিচ্ছে। জাতীয় পার্টি প্রার্থী প্রকৌশলী এসএম আব্দুল মান্নান লাঙ্গল প্রতিক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোহাম্মদ আলী হাত-পাখা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন এবং ইসলামের জয় আশা করছেন।

আপনার মতামত লিখুন