আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা চলাকালীন চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় ভোট চাওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল রবিবার বিকেলে আলমডাঙ্গা উপজেলার যুগিরহুদা গ্রামে সংঘটিত এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের নারীসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর কয়েকজন নারী কর্মী ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। এ সময় বিএনপির সমর্থকদের সঙ্গে তাঁদের কথা কাটাকাটি হয়, যা একপর্যায়ে লাঠিসোঁটা ও ইটপাটকেলসহ দফায় দফায় সংঘর্ষে রূপ নেয়। খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও সেনাবাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
জামায়াতের প্রার্থী মাসুদ পারভেজ রাসেলের অভিযোগ, তাঁদের নারী কর্মীদের প্রচারণায় পরিকল্পিতভাবে বাধা দেওয়া হয়েছে এবং হামলায় নারীসহ ছয়জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, বিএনপির প্রার্থী শরীফুজ্জামান দাবি করেছেন যে জামায়াতের কর্মীরা ভোটারদের এনআইডি ও ফোন নম্বর সংগ্রহ করার পাশাপাশি ধর্মীয় আবেগ ব্যবহার করে শপথ করানোর চেষ্টা করলে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। তাঁর দাবি অনুযায়ী, জামায়াতের হামলায় নারীসহ বিএনপির নয়জন কর্মী আহত হয়েছেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগ জানিয়েছে, আহতদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং তাঁদের মধ্যে নয়জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আলমডাঙ্গা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হোসেন আলী জানিয়েছেন, বর্তমানে গ্রামের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং যেকোনো ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা চলাকালীন চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় ভোট চাওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল রবিবার বিকেলে আলমডাঙ্গা উপজেলার যুগিরহুদা গ্রামে সংঘটিত এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের নারীসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর কয়েকজন নারী কর্মী ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। এ সময় বিএনপির সমর্থকদের সঙ্গে তাঁদের কথা কাটাকাটি হয়, যা একপর্যায়ে লাঠিসোঁটা ও ইটপাটকেলসহ দফায় দফায় সংঘর্ষে রূপ নেয়। খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও সেনাবাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
জামায়াতের প্রার্থী মাসুদ পারভেজ রাসেলের অভিযোগ, তাঁদের নারী কর্মীদের প্রচারণায় পরিকল্পিতভাবে বাধা দেওয়া হয়েছে এবং হামলায় নারীসহ ছয়জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, বিএনপির প্রার্থী শরীফুজ্জামান দাবি করেছেন যে জামায়াতের কর্মীরা ভোটারদের এনআইডি ও ফোন নম্বর সংগ্রহ করার পাশাপাশি ধর্মীয় আবেগ ব্যবহার করে শপথ করানোর চেষ্টা করলে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। তাঁর দাবি অনুযায়ী, জামায়াতের হামলায় নারীসহ বিএনপির নয়জন কর্মী আহত হয়েছেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগ জানিয়েছে, আহতদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং তাঁদের মধ্যে নয়জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আলমডাঙ্গা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হোসেন আলী জানিয়েছেন, বর্তমানে গ্রামের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং যেকোনো ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন