১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্ত করে শেখ মুজিবুর রহমান নিজেকে আজীবন রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করেন। একই দিনে তিনি একদলীয় শাসন কায়েম করেন, যা দেশের নির্বাহী, আইন ও বিচার বিভাগের পূর্ণ ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করে তাকে এক মহা অপ্রতিদ্বন্দ্বী ও মহাশক্তিধর হিসেবে গড়ে তোলে।
বাক স্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও বিচার বিভাগের স্বায়ত্তশাসন স্থগিত করা হয়। দেশের আইন তখন তাঁর একক বিবেচনার ওপর নির্ভরশীল হয়ে ওঠে। একদলীয় শাসন প্রবর্তনের মাধ্যমে মানুষের মৌলিক রাজনৈতিক অধিকার সীমাবদ্ধ করা হয় এবং দেশের সব সংবাদপত্র বিলুপ্ত করে কেবল সরকারি নিয়ন্ত্রণাধীন চারটি পত্রিকাকে সাময়িকভাবে প্রকাশের সুযোগ দেওয়া হয়।
শেখ মুজিবুর রহমান দেশজুড়ে সব রাজনৈতিক দল বিলুপ্ত করে একক রাজনৈতিক দল ‘বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল)’ গঠন করেন এবং নিজেকে সেই দলের চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা করেন। তখনকার ১৪টি বৈধ রাজনৈতিক দলের সবকটি বিলুপ্ত হয়। এতে করে দেশের সব রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা এককভাবে রাষ্ট্রপতির নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।
সমীক্ষকরা মনে করেন, বঙ্গবন্ধু হয়তো তখন নিজের দল ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির ভয়াবহতা উপলব্ধি করেছিলেন, যার কারণে নিজেই আওয়ামী লীগকে বিলুপ্ত করে নতুন এক একদলীয় শাসন কাঠামো সৃষ্টি করেছিলেন। এই ঘটনায় বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও রাজনৈতিক বহু অধিকার দীর্ঘকাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্ত করে শেখ মুজিবুর রহমান নিজেকে আজীবন রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করেন। একই দিনে তিনি একদলীয় শাসন কায়েম করেন, যা দেশের নির্বাহী, আইন ও বিচার বিভাগের পূর্ণ ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করে তাকে এক মহা অপ্রতিদ্বন্দ্বী ও মহাশক্তিধর হিসেবে গড়ে তোলে।
বাক স্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও বিচার বিভাগের স্বায়ত্তশাসন স্থগিত করা হয়। দেশের আইন তখন তাঁর একক বিবেচনার ওপর নির্ভরশীল হয়ে ওঠে। একদলীয় শাসন প্রবর্তনের মাধ্যমে মানুষের মৌলিক রাজনৈতিক অধিকার সীমাবদ্ধ করা হয় এবং দেশের সব সংবাদপত্র বিলুপ্ত করে কেবল সরকারি নিয়ন্ত্রণাধীন চারটি পত্রিকাকে সাময়িকভাবে প্রকাশের সুযোগ দেওয়া হয়।
শেখ মুজিবুর রহমান দেশজুড়ে সব রাজনৈতিক দল বিলুপ্ত করে একক রাজনৈতিক দল ‘বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল)’ গঠন করেন এবং নিজেকে সেই দলের চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা করেন। তখনকার ১৪টি বৈধ রাজনৈতিক দলের সবকটি বিলুপ্ত হয়। এতে করে দেশের সব রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা এককভাবে রাষ্ট্রপতির নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।
সমীক্ষকরা মনে করেন, বঙ্গবন্ধু হয়তো তখন নিজের দল ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির ভয়াবহতা উপলব্ধি করেছিলেন, যার কারণে নিজেই আওয়ামী লীগকে বিলুপ্ত করে নতুন এক একদলীয় শাসন কাঠামো সৃষ্টি করেছিলেন। এই ঘটনায় বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও রাজনৈতিক বহু অধিকার দীর্ঘকাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন